ঢাকা, সোমবার 4 December 2017, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৪, ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানার প্রতিবাদ কর্মসূচিতে পুলিশের বাধা ॥ সংঘর্ষ গুলী

স্টাফ রিপোর্টার : বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির প্রতিবাদে গতকাল রোববার দেশব্যাপী বিক্ষোভ করেছে বিএনপি। মিছিলে পুলিশ ও সরকারি দলের কর্মীরা বাধা ও হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি। এতে গুলীবিদ্ধসহ বিএনপি কর্মীদের আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। জানা গেছে, গতকাল সকাল থেকেই পুলিশ ভোলা, মুন্সীগঞ্জ, নেত্রকোনাসহ দেশের বেশ কয়েকটি জেলায় বিএনপির দলীয় কার্যালয় ঘেরাও করে রাখে। এর ফলে নেতাকর্মীরা কোনো বিক্ষোভ করতে পারেননি।
লন্ডন থেকে চিকিৎসা শেষে দেশে ফেরার পর জিয়া চ্যারিটেবল ও অরফানেজ ট্রাস্ট দুই মামলায় বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া নিয়মিত আদালতে হাজিরা দিয়ে আত্মপক্ষ সমর্থন করে বক্তব্য দিচ্ছিলেন। খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা বারবার তার স্থায়ী জামিনের আবেদন জানালেও আদালত তা নাকচ করে দেন। গত বৃহস্পতিবারও ওই মামলায় রাজধানীর বকশীবাজারে আলিয়া মাদরাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ ড. আখতারুজ্জামানের আদালতে খালেদা জিয়ার আত্মপক্ষ সমর্থন করে বক্তব্য দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু হরতাল চলাকালে নিরাপত্তার কারণে তিনি সকালে আদালতে যেতে পারেননি। পরে তার আইনজীবীরা দুপুরের পর আদালতে হাজির হওয়ার আবেদন জানান। কিন্তু বিচারক সময়মতো আদালতে হাজির না হওয়ায় সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। চিকিৎসার জন্য লন্ডনে থাকাবস্থায়ও একই আদালত দুই মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন। দেশে ফেরার পরপরই তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন নেন এবং নিয়মিত হাজিরা দিয়ে আসছিলেন। এর মধ্যেই আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। তার আইনজীবীরা জানিয়েছেন, ৬ ডিসেম্বর খালেদা জিয়া আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইবেন।
খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতারী পরোয়ানা জারির প্রতিবাদে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি’র উদ্যোগে থানায় থানায় বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। বাড্ডা থানা বিএনপির একটি বিক্ষোভ মিছিল বাড্ডা লিংক রোড থেকে শুরু হয়ে বাড্ডা সুবাস্তু টাওয়ারের সামনে এসে শেষ হয়। মিছিলে থানা বিএনপি ও সকল অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পল্লবী থানা বিএনপি একটি মিছিল কমিশনার মোঃ সাজ্জাদ ও বুলবুল মল্লিকের নেতৃত্বে শুরু হয়। খিলক্ষেত থানা বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আক্তার হোসেনের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয়। শেরে বাংলা নগর থানা বিএনপির একটি মিছিল সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, শাহ আলম, তোফায়েল আহম্মেদ, আব্দুল কাদের লবু, নাছির, শামীম, ফরিদ, ফারুক, সোহেল সহ থানা বিএনপি ও সকল অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলটি স্কয়ার হাসপাতালের সামনে থেকে শুরু হয়ে সমরিতা হাসপাতালের সামনে গিয়ে পুলিশি বাধায় পন্ড হয়ে যায়। শেরে বাংলা নগর থানা বিএনপির আরেকটি মিছিল সালামত খাঁন সজিবের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয়।
 মোহাম্মদপুর থানা বিএনপির একটি বিক্ষোভ মিছিল হুমায়ুন রোড হতে শুরু হয়ে কলেজ গেট এসে শেষ হয়। উত্তরখান থানা বিএনপির একটি মিছিল বেপারী রোড থেকে শুরু হয়ে চৌরাস্তা গিয়ে শেষ হয়। এতে নেতৃত্ব দেন আহসান হাবিব মোল্লা। বিমানবন্দর থানা বিএনপির ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ও থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল বিমানবন্দর বাজার থেকে শুরু করে চৌরাস্তায় গিয়ে শেষ হয়। তেজগাঁও থানা বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল এল, রহমানের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয়। তেজগাঁও থানা বিএনপির আরেকটি মিছিল মোহাম্মদ আলীর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয়। উত্তরা পূর্ব থানা বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল এম,এ মনির হাছান এর নেতৃত্বে ডি.পি.এস স্কুলের সামনে থেকে শুরু হয়ে রাজউক স্কুলের সামনে এসে শেষ হয়। উত্তরা পূর্ব থানা বিএনপির আরেকটি বিক্ষোভ মিছিল মোঃ মতিউর রহমান মতির নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয়। উত্তরা পশ্চিম থানা বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল মোঃ আফাজ উদ্দিনের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয়। উত্তরা পশ্চিম থানা বিএনপির আরেকটি মিছিল হাজী মোঃ জাহাঙ্গীর আলম জাকিরের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয়।
শাহআলী থানা বিএনপির একটি বিক্ষোভ মিছিল ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সহ-সভাপতি ফেরদৌসি আহমেদ মিষ্টির নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলটি রাইনখোলা বাজার থেকে শুরু হয়ে ১নং মিরপুর ঈদগাহ মাঠ পর্যন্ত গিয়ে শেষ হয়। মিরপুর থানা বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল এস.এ ছিদ্দিক সাজু ও দেলোয়ার হোসেন দুলুর নেতৃত্বে প্রশিকা ভবনের সামনে থেকে শুরু করতে গেলে পুলিশী বাধায় তা পন্ড হয়ে যায়। রূপনগর থানা বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল রূপনগর আবাসিক এলাকা থেকে শুরু হয়ে দুয়ারী পাড়া গিয়ে শেষ হয়। দারুস সালাম থানা বিএনপির একটি মিছিল এইচ.এম ইমরান, মোঃ ফারুক হোসেন, নজরুল ইসলাম ও আফজাল হোসেনের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলটি দিয়াবাড়ি বাসষ্ট্যান্ড থেকে মাজার রোডে এসে শেষ হয়। ভাষানটেক থানা বিএনপির একটি বিক্ষোভ মিছিল কচুক্ষেত বাজার এর সামনে থেকে শুরু করতে গেলে পুলিশী বাধায় মিছিলটি পন্ড হয়ে যায়। মিছিল থেকে একজনকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। দক্ষিণখান থানা বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল হাজী ক্যাম্প থেকে শুরু হয়ে বিমান বন্দর স্টেশনের নিকট আসলে পুলিশি বাধায় পন্ড হয়ে যায়। দক্ষিণখান থানা বিএনপির আরেকটি মিছিল দক্ষিণখান বাজার থেকে মোল্লারটেক পর্যন্ত গেলে পুলিশী বাধায় মিছিলটি পন্ড হয়ে যায়।  বিক্ষোভ মিছিল সফল করায় ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সভাপতি এম.এ কাইয়ুম এবং সাধারণ সম্পাদক আহসান উল্লাহ হাসান সর্বস্তরের নেতকর্মীদেরকে প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ জানান।
খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ফের গ্রেপ্তারী পরোয়ানা জারীর প্রতিবাদে ঢাকা মহানগর দক্ষিণে বিক্ষোভ মিছিল পালিত হয়। ভাটারা থানা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ আতাউর রহমানের নেতৃত্বে সকাল ১০ টায় ভাটারা নতুন বাজার একশ ফিট রোডে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। শ্যামপুর-কদমতলী থানা বিএনপি অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে আ ন ম সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল দয়াগঞ্জ জুড়াইন নতুন সড়ক থেকে শুরু হয়ে গেন্ডারিয়া রেল স্টেশন হয়ে মুন্সিবাড়ি এসে শেষ হয়। ডেমরা ইউপি চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদিন রতনের নেতৃত্বে ডেমরা থানা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে ডেমরা রামপুরা প্রধান সড়কে গিয়ে শেষ হয়। রূপনগর থানা বিএনপি’র বিক্ষোভ মিছিল দোয়ারী পাড়া প্রধান সড়কে অনুষ্ঠিত হয়। কলাবাগান পাš’পথ প্রধান সড়কে স্কয়ার হাসপাতালের সামনে থেকে লেক-সার্কাস রোডে বিক্ষোভ মিছিল করেছে কলাবাগান থানা বিএনপি। কামরাঙ্গীরচর থানা বিএনপি’র উদ্যোগে দুপুরে বেরিবাধ সড়কে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। লালবাগ থানা বিএনপি’র উদ্যোগে স্থানীয় সিকমা বাজার হতে লালবাগ কেল্লার গেট পর্যন্ত বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। উত্তরা পশ্চিম থানা বিএনপি’র উদ্যোগে সকালে উত্তরা ৯নং সেক্টরের হাউজ বিল্ডিং থেকে রাজলক্ষ্মী মার্কেট পর্যন্ত এলাকায় থানা বিএনপি নেতা হাজী দুলাল, হাজী ইমান সিদ্দিক, থানা শ্রমিকদলের সভাপতি মোঃ রাসেলের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে এই গ্রেপ্তারি পরোয়ানাকে ‘বিস্ময়কর’ বলে মন্তব্য করেন বিএনপির নেতারা। পরোয়ানার বিরুদ্ধেই সারাদেশে বিক্ষোভের ডাক দেয় বিএনপি। নেত্রকোনা প্রতিনিধি জানিয়েছেন, সেখানে পুলিশি বাধার করণে বিএনপির নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ সমাবেশ করতে পারেননি। জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য আশরাফ উদ্দিন খান সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করে বলেন, দেশব্যাপী প্রতিবাদ কর্মসূচির কারণে ছোট বাজারের দলীয় কার্যালয়ে বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সকাল থেকেই বিপুলসংখ্যক পুলিশ দলীয় কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেয়। বিএনপির নেতাকর্মীরা দলীয় কার্যালয়ের কলাপসিবল গেট খুলে কার্যালয়ে বসতে চাইলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। এ সময় বিএনপির নেতাকর্মীরা ব্যানার নিয়ে দলীয় কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করতে চাইলে পুলিশ তাদের সেখান থেকে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেয়। পুলিশি বাধায় বিক্ষোভ সমাবেশ প- হয়ে যাওয়ায় বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী সেখান থেকে চলে যেতে বাধ্য হন বলে অভিযোগ করেন জেলা বিএনপির সভাপতি।
 জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ড্যাব নেতা অধ্যাপক ডা. আনোয়ারুল হক বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ সমাবেশ করতে চাইছিলাম, কিন্তু পুলিশি বাধার কারণে তা করা সম্ভব হয়নি। দলের জেলা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালনে পুলিশি বাধার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। এ ব্যাপারে নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমীর তৈমুর ইলী বলেন, অস্থিতিশীল পরিবেশ ও শান্তি-শৃঙ্খলা ভঙ্গের আশঙ্কায় তাদের বিক্ষোভ সমাবেশ করতে দেয়া হয়নি।
মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি জানিয়েছেন, খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির প্রতিবাদে মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল পুলিশ প- করে দিয়েছে। পরে জেলা কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ করেন দলের নেতাকর্মীরা।বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জেলা বিএনপির আয়োজনে মুন্সীগঞ্জের সুপারমার্কেটের ‘অঙ্কুরিত যুদ্ধ-৭১’ ভাস্কর্যের সামনে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
 ভোলা প্রতিনিধি জানিয়েছেন, পুলিশি বাধার মুখে বিএনপি শহরে বিক্ষোভ মিছিল করতে পারেনি। তবে কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ এবং ভেতরে সমাবেশ হয়েছে। বেলা ১১টায় বিএনপি ভোলা শহরের মহাজনপট্টির দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করতে চাইলে পুলিশ তাতে বাধা দেয়। বিএনপি কার্যালয়ের সামনে একটি গাড়ি রেখে ব্যারিকেড সৃষ্টি করে রাখে। ফলে নেতাকর্মীরা আর বের হতে পারেননি। ব্যানার বের করলে পুলিশ তা নিয়ে যায়। একপর্যায়ে নেতাকর্মীরা সেখানে বিক্ষোভ করেন।
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি জানিয়েছেন, সুনামগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশ বাধা দিয়েছে। দুপুরে শহরের অস্থায়ী দলীয় কর্যালয় পুরাতন বাসস্টেশন এলাকা থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়ে শহরের আলফাত উদ্দিন স্কয়ারে যেতে চাইলে কালীবাড়ী পয়েন্ট মোড়ে পুলিশ মিছিলটি আটকে দেয়। পরে সেখানে বিক্ষোভ সমাবেশ করতে চাইলে তাতেও বাধা দেয় পুলিশ।বিক্ষোভ মিছিলে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট ফজলুল হক আছপিয়া, জেলা বিএনপির সভাপতি কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন, সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নুরুল, জেলা বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট জিয়াউর রহমান শাহীন প্রমুখ।
ফরিদপুর প্রতিনিধি জানিয়েছেন, জেলা বিএনপি বিক্ষোভ মিছিল বের করলে পুলিশের বাধায় তা প- হয়ে যায়। বেলা সাড়ে ১১টায় জেলা বিএনপির আয়োজনে শহরের অম্বিকা ময়দানের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি মুজিব সড়কের স্বর্ণকারপট্টিতে এলে পুলিশ তাতে বাধা দেয়। এ সময় উভয়পক্ষ উত্তেজিত হলে একপর্যায়ে বিক্ষোভ মিছিলটি প- হয়ে যায়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মোদাররেস আলী ইছা, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ জুলফিকার হোসেন জুয়েল প্রমুখ।
 লেবার পার্টি: বেগম খালেদা জিয়ার নামে গ্রেফতারী পরোয়ানা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে ২০ দলীয় জোটের শরিক বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডাঃ মোস্তাফিজুর রহমান ইরান বলেছে, বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে সরকার গভীর ষড়যন্তে লিপ্ত। একাদশ নির্বাচন নিয়ে সরকার পরিকল্পিত ভাবে ধ্রুমজাল সৃষ্টি করছে। জিয়া পরিবারের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করে লাভ হবে না, জনতার আন্দোলন সংগ্রামে ষড়যন্ত্র ধুলিষাৎ হয়ে যাবে। কেননা বেগম খালেদা জিয়া গনতন্ত্র পুনরুদ্ধার সংগ্রামে দেশপ্রেমিক জাতীয়তাবাদী শক্তির চেতনার বাতিঘর ও জাতীয় ঐক্যের প্রতিকে পরিনত হয়েছে।  তিনি অবিলম্বে প্রশ্নবিদ্ধ সংসদ ভেঙ্গে দিয়ে একাদশ নির্বাচন অনুষ্ঠানে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার প্রতিষ্ঠার আহবান জানিয়ে বলেন, জনগন ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেন, জনগন তাদের ভোটের মাধ্যমে যে দলকে নির্বাচিত করবে তারাই দেশ পরিচালনা করবে। তিনি গতকাল হোটেল মিয়ামীতে কুমিল্লা জেলা লেবার পার্টি আয়োজিত বেগম খালেদা জিয়ার গ্রেফতারী পরোয়ানা প্রত্যাহারের দাবিতে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।
কুমিল্লা জেলা লেবার পার্টির সভাপতি অধ্যাপক আমির উদ্দিনের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন লেবার পার্টির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ইঞ্জিনিয়ার ফরিদ উদ্দিন। বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় নেতা রেজাউল হক, বিএনপি নেতা বিল্লাল হোসেন, কুমিল্লা মহানগর লেবার পার্টির সভাপতি সোলায়মান পাটোয়ারী, সাংবাদিক জয়নাল আবেদীন, শিক্ষকনেতা শফিকুল ইসলাম, বুড়িচং উপজেলা সাধারন সম্পাদক খোরশেদ আলম, বুড়িচং লেবার পার্টির সমন্বয়কারী মাসুদুর রহমান চৌধুরী, জেলা নেতা সুলতান আহমেদ, ব্রহ্মনপাড়া সমন্বয়কারী কবির হোসেন, ছাত্রমিশন সাধারন সম্পাদক সালমান খান বাদশা প্রমুখ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ