ঢাকা, মঙ্গলবার 5 December 2017, ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৪, ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

যুবদল নেতা খুনের প্রতিবাদে চট্টগ্রামের কদমতলীতে সর্বাত্মক ধর্মঘট পালন

চট্টগ্রাম অফিস : চট্টগ্রামে পরিবহন ব্যবসায়ী ও যুবদল নেতা মো.হারুন (৪০) খুনের প্রকিবাদে নগরীর কদমতলী-শুভপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সর্বাত্মক ধর্মঘট পালন হচ্ছে। সোমবার সকাল থেকে খুনিদের গ্রেফতারের দাবিতে প্রতিষ্ঠান ও পরিবহন বন্ধ রেখে ওই এলাকায় দফায় দফায় মিছিল করেছেন মালিক-শ্রমিকরা। সব ধরনের পণ্যবাহী পরিবহন চলাচল বন্ধ করে দিয়েছেন তারা।
সদরঘাট থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রুহুল আমিন বলেন, কদমতলী এলাকার পরিবহন মালিক-শ্রমিকরা কর্মবিরতি পালন করছেন। দোকানপাট-ব্যবসা প্রতিষ্ঠানও বন্ধ আছে। মিছিল হয়েছে। আমরা ঘটনাস্থলে আছি।  কিছুটা উত্তেজনা থাকলেও অপ্রীতিকর কিছুই হয়নি।
আন্তঃজিলা ট্রাক-কাভার্ডভ্যান মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক সুফিউর রহমান টিপু বলেন, ব্রোকাররা বলেছেন তারা আজ গাড়ি বুকিং দেবেন না।  আমরা এটাতে মৌন সম্মতি দিয়েছি। যেহেতু একটা হত্যাকান্ড ঘটেছে, খুনিরা গ্রেফতার না হওয়া পর্যন্ত তো আমাদের প্রতিবাদ করতে হবে।  অঘোষিতভাবে ধর্মঘট চলছে।
কদমতলী এলাকা থেকে কোন পরিবহন বন্দরের দিকে যায়নি বলে জানিয়েছেন টিপু। তবে অন্যান্য এলাকা থেকে এবং মোবাইলে বুকিংয়ের মাধ্যমে পণ্যবাহী পরিবহন চলাচল করছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
এদিকে হত্যাকান্ডের ঘটনায় এখনো মামলা দায়ের করেনি নিহতের পরিবার।  খুনিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ পরিদর্শক রুহুল আমিন।
 রোববার সন্ধ্যার দিকে নগরীর সদরঘাট থানার মাদারবাড়ি এলাকায় শুভপুর বাসস্ট্যান্ডের পাশে নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এস টি ট্রান্সপোর্টে ব্যবসায়ী মো.হারুনকে গুলি করে হত্যা করা হয়।
পুলিশের ভাষ্য, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ায় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের তিন কাউন্সিলর হাসান মুরাদ বিপ্লব, মো. জোবায়ের এবং আব্দুল কাদের শোভাযাত্রা ও সমাবেশের কর্মসূচি দিয়েছিলেন।  শোভাযাত্রার শেষদিকে পেছন থেকে হারুনকে লক্ষ্য করে গুলি করা হয়।
বিএনপি এই হত্যাকান্ডের জন্য যুবলীগ-ছাত্রলীগকে দায়ী করেছে।  পরিবারের দাবি, চাঁদাবাজির প্রতিবাদ করায় হারুনকে খুন হতে হয়েছে। হারুন প্রয়াত বিএনপি নেতা দস্তগীর চৌধুরীর ভাই প্রয়াত আলমগীর চৌধুরীর ছেলে।  হারুন সদরঘাট থানা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ