ঢাকা, রোববার 10 December 2017, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৪, ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

অবশেষে ঢাকায় হাথুরুসিংহে

 

স্পোর্টস রিপোর্টার : বাংলাদেশ ক্রিকেট বোডের্র (বিসিবির) সঙ্গে চুক্তি শেষের আনুষ্ঠানিকতা সারতে গতকাল ঢাকায় এসেছেন টাইগারদের সাবেক কোচ হাথুরুসিংহে। ২০১৯ বিশ্বকাপ পর্যন্ত বিসিবির সঙ্গে চুক্তি ছিল হাথুরুসিংহের। দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের পরই বিসিবির কাছে নিজের পদত্যাগ পত্র জমা দেয় হাথুরু। তখন থেকেই তার ফেরার অপেক্ষায় ছিল বিসিবি। তার ঢাকায় আসার কথা ছিল বেশ ক'দিন আগেই। অবশেষে গতকাল ঢাকায় আসলেন। এদিকে জাতীয় দলের কোচ হিসেবে হাথুরুসিংহের নাম ঘোষণা করেছে শ্রীলংকা ক্রিকেট বোর্ড। লঙ্কান কোচ হিসেবে হাথুরুসিংহের প্রথম পূর্ণাঙ্গ সিরিজ হতে যাচ্ছে জানুয়ারির বাংলাদেশ সফর। দুটি টি-টোয়েন্টি, দুটি টেস্ট ও একটি ত্রিদেশীয় সিরিজ খলতে জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে বাংলাদেশে আসছে শ্রীলংকা। এদিকে হাথুরুর পদত্যাগের পর বিসিবিও নতুন কোচ খোঁজা শুরু করে দিয়েছে। এরই মধ্যে টাইগারদের কোচ হতে সাক্ষাৎকার দিয়ে গেছেন রিচার্ড পাইবাস। গতকাল সাক্ষাৎকার দিতে সন্ধ্যায় ঢাকা আসবেন ফিল সিমন্স। এ ক্যারিবিয়ানও বাংলাদেশের সম্ভাব্য কোচের শর্টলিষ্টে আছেন। গতকাল সকালে চন্ডিকা হাথুরুসিংহে বাংলাদেশে আসলেও সন্ধ্যা পর্যন্ত সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের সঙ্গে কথা হয়নি লঙ্কান বর্তমান কোচের। নাজমুল হাসান পাপন জানিয়েছিলেন, হাথুরুসিংহ বাংলাদেশে এসে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের রিপোর্ট জমা দেবেন এবং বোর্ড সভাপতির সঙ্গে বৈঠকে বসবেন। কিন্তু ঢাকায় আসার পর দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের রিপোর্ট দেননি এবং নাজমুল হাসানের সঙ্গে দেখাও হয়নি। অবশ্য এ মুহূর্তে হাথুরুসিংহের সঙ্গে বৈঠক করা কিংবা ভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা ‘অনর্থক’! কারণ শ্রীলংকা ক্রিকেট দায়িত্ব তাকে এরই মধ্যে দিয়ে দেওয়া হয়েছে। নাজমুল হাসানও বলেছেন একই কথা, ‘শ্রীলংকা তাকে কোচ নিয়োগ করেছে। তাহলে তো কথা বলার কোনো প্রয়োজন নেই। এখন যেটা হবে সেটা সৌজন্য সাক্ষাৎ। আনুষ্ঠানিকতা যেগুলো আছে সেগুলো ও (হাথুরুসিংহে) করবে। আমার সঙ্গে দেখা হয়নি। সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলে হয়ত আমার সঙ্গে একবার দেখা হবে।’ চন্ডিকা হাথুরু সিংহকে নিয়ে বোর্ড সভাপতির অভিমান থাকলেও তার কৃতিত্বকে অস্বীকার করতে ভুলেননি তিনি। পাপন বলেন, ‘ও আমাদের এখানে কোচ হিসেবে ছিলেন। বাংলাদেশের সফল একজন কোচ। বাংলাদেশ আজকের এ পর্যায়ে এসেছে সেখানে তারও অবদান রয়েছে। এটা অস্বীকার করার কোনো কারণ নেই। সে যদি স্বেচ্ছায় না যেত আমরা তাকে অবশ্যই রেখে দিতাম।’

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ