ঢাকা, রোববার 10 December 2017, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৪, ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

খুলনায় টিসিবি’র ডালের মূল্য হ্রাস আগ্রহ নেই ডিলার ও ক্রেতাদের

 

খুলনা অফিস : খুলনায় ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)র পণ্য বিক্রি শুরু হয়েছে। টিসিবি’র বিক্রিত পণ্যের মধ্যে মসুরির ডালের দাম হ্রাস করা হয়েছে। তারপরেও এই পণ্য ক্রয় ও উত্তোলনে আগ্রহ নেই ক্রেতা ও ডিলারদের। এদিকে এই পণ্য বিক্রয় খুব জরুরি না থাকায় ট্রাক সেলের প্রয়োজন নেই বলেও জানান টিসিবি কর্তৃপক্ষ।

জানা গেছে, খুলনায় গত ঈদ-উল আযহার সময় টিসিবি’র পণ্য বিক্রির পর বিপুল পরিমাণ পণ্য মজুদ ছিল। এর সাথে নতুন করে বরাদ্দ পেয়েছে ৯৮ হাজার লিটার তেল। গত ৩০ নবেম্বর থেকে টিসিবি’র আঞ্চলিক কার্যালয়ের নিজম্ব বিপণন কেন্দ্র ও ডিলারদের মাধ্যমে বিক্রয় কার্যক্রম শুরু করেছে। তবে এ বিক্রয় জরুরি না থাকায় কোন ট্রাক সেল নেই। খুলনা টিসিবি আঞ্চলিক কার্যালয়ের আওতাধীন ৪৮২ জন ডিলারের মধ্যে মাত্র ৭ জন ডিলার তার পণ্য উত্তোলন করেছে। টিসিবি’র বিক্রিত মসুরির ডালের দাম পূর্বের দামের থেকে হ্রাস করা হয়েছে। তারপরেও এই ডাল কিনতে আগ্রহী হচ্ছে না ক্রেতারা। এমনকি ডিলাররা বিক্রির ভয়ে তাদের জন্য বরাদ্দের সম্পূর্ণ ডাল উত্তোলন করছেন না বলে জানা গেছে। এদিকে টিসিবি’র বিক্রয়কৃত চিনি, তেল ও মসুরির ডালের মধ্যে ডালের দাম ১৫ টাকা কমানো হয়েছে। এর ফলে চিনি ও তেল পূর্বের ন্যায় ৫৫ ও ৮৫ টাকা বিক্রি করা হলেও ডাল বিক্রি করা হচ্ছে ৫৫ টাকা। একজন ডিলারের জন্য বিক্রয়ের জন্য বরাদ্দকৃত সময়ের মধ্যে মাত্র একবার চিনি ও তেল ২০০-৪০০ কেজি এবং মসুরির ডাল ৪০০-২০০০ কেজি উত্তোলন করতে পারবেন বলে জানা গেছে।

খুলনা টিসিবি আঞ্চলিক কার্যালয়ের অফিস প্রধান মো. রবিউল মোর্শেদ বলেন, খুলনার জন্য বরাদ্দকৃত পণ্য বিক্রি শুরু হয়েছে। টিসিবি’র নিজস্ব বিক্রয় কেন্দ্র ও ডিলারদের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি করা হচ্ছে। আর এই বিক্রয় খুব জরুরি না বলে ট্রাকসেলের প্রয়োজন নেই বলেও জানান তিনি। জানা গেছে, খুলনায় টিসিবি’র নিজস্ব গুদামে ৪০ হাজার লিটার সয়াবিন তেল, ৪ মেট্রিক টন চিনি ও ২০৫ মেট্রিক টন মসুরির ডাল মজুদ রয়েছে। এর সাথে নতুন করে যুক্ত হয়েছে ৯৮ হাজার লিটার সয়াবিন তেল। একজন ভোক্তা প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৪ কেজি চিনি, ৩ কেজি মসুরির ডাল, ৫ লিটার সয়াবিন তেল কিনতে পারবেন বলে জানা গেছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ