ঢাকা, মঙ্গলবার 12 December 2017, ২৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৪, ২২ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

আওয়ামী লীগকে হারানোর মতো কোন দল বাংলাদেশে নেই -জয়

স্টাফ রিপোর্টার : প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, জরিপে আওয়ামী লীগ অনেক এগিয়ে আছে। আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অবশ্যই ক্ষমতায় আসবে। এটা নিয়ে নিয়ে দুশ্চিন্তার কিছু নেই। আওয়ামী লীগ ২০০৮ সালের চেয়ে বেশি ভোট পাবে। তিনি বলেন, তার তত্ত্বাবধানে দলের পক্ষ থেকে বিজ্ঞানভিত্তিক জরিপ করা হয়েছে। আওয়ামী লীগ ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে কেউ হারাতে পারবে না। আওয়ামী লীগকে হারানোর মতো কোনো দল বাংলাদেশে আর নেই।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ দলের কেন্দ্রীয় নেতারা আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন।
সজীব ওয়াজেদ জয় সোমবার বেলা ৩টার দিকে আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির কার্যালয় পরিদর্শনে যান। এ সময় সেখানে তাকে স্বাগত জানান ওবায়দুল কাদেরসহ দলটির কেন্দ্রীয় নেতারা। পরে তাদের সঙ্গে মতবিনিময়ে বসেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা।
মতবিনিময়কালে আগামী নির্বাচন ঘিরে দলকে সাংগঠনিকভাবে কীভাবে আরও শক্তিশালী করা যায় তা নিয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে জয় আলোচনা করেন।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র লেগেই আছে। আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। আমদের নজর রাখতে হবে যে, বিএনপি গত নির্বাচনের আগে যেভাবে আগুন সন্ত্রাস করেছিল সে রকম যেন আর না করতে পারে। আগামী নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হচ্ছেন না জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে বলেন, তার কাজ হচ্ছে দলকে ক্ষমতায় আনা, আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় রাখা। এমপি কিংবা সদস্য হওয়ার মতো কোনো লোভ তার নেই।
এর আগে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সম্মেলনে কক্ষে ‘ডাক টাকা’ প্ল্যাটফর্মের উদ্বোধন করেন। অন্যদের মধ্যে ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব শ্যাম সুন্দর সিকদার, স্কয়ার গ্রুপের পরিচালক ও ডিমানির চেয়ারম্যান অঞ্জন চৌধুরীসহ জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
জয় বলেন, সরকারি সার্ভিস আমরা ডিজিটাইজ করছি, আমরা চাই মানুষের জীবন সহজ করতে। সব কিছু যাতে মোবাইলে, অনলাইনে পেতে পারে। মোবাইল ফাইনানশিয়াল সার্ভিস ডিজিটাইজ না করা পর্যন্ত এটা সম্ভব হবে না।
দেশে ডাক বিভাগের আট হাজারের বেশি ডাকঘর আছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, সব জায়গায় ইউনিয়ন পর্যায়ে ব্যাংক নেই। এই ডিজিটাল টাকা মানুষের হাতে কীভাবে পৌঁছানো যায়, সে চিন্তা আমাদের ছিল। আমরা ঠিক করলাম ডাকঘর দিয়ে এই সেবা মানুষের কাছে পৌঁছাব। ঘরে বসে তারা টাকা লেনদেন করতে পারবেন, সরকারি ভাতার টাকা ডিজিটালি খরচ করতে পারবেন। ‘ডাক টাকা’ প্ল্যাটফর্মকে সেই চেষ্টা বাস্তবায়নের পথে প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেন জয়।
তিনি বলেন, আজ এই সফটওয়্যার দেখে খুব আনন্দিত। আশা করি এটা সাকসেসফুল হবে, মানুষ যত বেশি এটা ব্যবহার করবে, তত বেশি সেবা পাবে। আমি এটা দেখে খুবই আনন্দিত যে দুই টাকা দিয়ে ব্যাংক হিসাব খোলা হল।
ডাক টাকা একটি ডিজিটাল ওয়ালেট। এর ম্যধমে কার্ড বা অ্যাপ ব্যবহার করে কেনাকাটারও সুযোগ দেওয়া হবে। ‘ডাক টাকা’ ব্যবহারকারীরা অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেও লেনদেন করতে পারবেন। এর বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু হবে আগামী তিন মাসের মধ্যে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ