ঢাকা, শুক্রবার 15 December 2017, ১ পৌষ ১৪২৪, ২৫ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

ক্ষমতাসীনরা হত্যার রহস্য উদঘাটন না করে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ঘায়েলের হাতিয়ার বানিয়েছে -জামায়াত

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে গতকাল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের ভারপ্রাপ্ত আমীর এডভোকেট হেলাল উদ্দিন -সংগ্রাম

স্টাফ রিপোর্টার : শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাজধানীতে অনুষ্ঠিত সভায় জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমীর মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন বলেছেন, বুদ্ধিজীবীগণ দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান। জাতির এই জাগ্রত সন্তানদের মেধা, মনন, প্রজ্ঞা ও মনীষা দেশ ও জাতিকে দিকনির্দেশনা দিয়ে থাকে। কিন্তু মহান বিজয়ের মাত্র দুই দিন আগে বুদ্ধিজীবীদের নির্মম ও নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করা ছিল দেশ ও জাতির জন্য চরম দুর্ভাগ্যজনক। তিনি শহীদ বুদ্ধিজীবীদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন এবং শহীদদের পরিবার-পরিজনের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি মিলনায়তনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তর আয়োজিত শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে সভাপতির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগরী উত্তরের কর্মপরিষদ সদস্য নাজিম উদ্দীন মোল্লা, ঢাকা মহানগরী উত্তরের মজলিশে শুরা সদস্য এ কে মজুমদার, জামায়াত নেতা এন হক মোল্লা ও আইয়ুব আলী প্রমূখ।
সেলিম উদ্দিন বলেন, মূলত জাতি হিসেবে আমাদেরকে যারা মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে দিতে চায়নি, তারাই এই নির্মম ও নিষ্ঠুর হত্যাকান্ডের নেপথ্যের শক্তি। কিন্তু বিজয়ের প্রায় ৫ দশক অতিক্রান্ত হলেও এই হত্যাকান্ডের কুশিলবরা আজও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে। স্বাধীন বাংলাদেশে বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিক ও কথাসাহিত্যিক শহীদুল্লাহ কায়সারের ভাই জহির রায়হানের অন্তর্ধান আজও রহস্যাবৃত। মূলত: জহির রায়হান বুদ্ধিজীবী হত্যার প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন বলেই রহস্য প্রকাশ হওয়ার আগেই তাকে অপহরণ ও হত্যা করা হয়। স্বাধীনতার দীর্ঘকাল পরেও দেশপ্রেমিক বুদ্ধিজীবীরা নানাভাবে জুলুম-নির্যাতনের স্বীকার হচ্ছেন। বস্তুত শহীদ জহির রায়হানের কাছে মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন দলিল-দস্তাবেজ, ডকুমেন্টারি-প্রামাণ্য চিত্র সংরক্ষিত থাকার কারণেই তাকে অপহরণ ও পরবর্তীতে হত্যা করা হয়েছে। এসব তথ্য-উপাত্ত জাতির কাছে প্রকাশ পেলে যাদের থলের বিড়াল বেরিয়ে আসার আশঙ্কা ছিল, মূলত তারাই এসব হত্যাকান্ড ও অপকর্মের সাথে জড়িত। তিনি এই অপশক্তি সম্পর্কে জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, ক্ষমতাসীনরা শহীদ বুদ্ধিজীবী হত্যার রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা না করে এই ইস্যুকে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ঘায়েলের হাতিয়ার বানিয়েছে। সরকারের দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র ও অপরাজনীতির অংশ হিসেবেই মিথ্যা ও সাজানো অভিযোগে প্রহসনের মাধ্যমে বিশ্ববরেণ্য আলেমে দ্বীন, সাবেক সফল মন্ত্রী ও সাবেক আমীরে জামায়াত মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, সাবেক সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, সাবেক সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মদ কামারুজ্জামান ও আব্দুল কাদের মোল্লা এবং কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মীর কাসেম আলীকে নির্মম ও নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করা হয়েছে। মূলত চক্রান্তকারীরা জাতীয় নেতৃবৃন্দকে হত্যা করে দেশকে পরাশ্রয়ী করদরাজ্য বানানোর গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। তিনি শহীদদের ত্যাগ ও কোরবানীকে কবুল করতে মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে দোয়া করেন এবং বুদ্ধিজীবী হত্যার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর প্রতি আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, সরকার দেশের মানুষকে সুশাসন উপহার দিতে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে। দ্রব্যমূল্যের উপর্যুপরি উর্দ্ধগতির কারণে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে। চাল ও পিঁয়াজের মূল্য বেড়েছে আশঙ্কাজনকভাবে। বিদ্যুতের মূল্য দফায় দফায় বৃদ্ধির কারণে জনগণের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে অপ্রত্যাশিতভাবে। কিন্তু ব্যর্থ ও জুলুমবাজ সরকার জনগণের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধির কোন কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। মূলত: সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয় বলেই গণমানুষের ব্যাপারে তাদের কোন দায়বদ্ধতা নেই। তাই দেশ ও জাতিকে এই দুঃশাসন থেকে মুক্ত করতে হলে গণপ্রতিনিধিত্বশীল সরকার প্রতিষ্ঠার কোন বিকল্প নেই। তিনি অগণতান্ত্রিক ও বাকশালী সরকারের পতনের লক্ষ্যে দলমত নির্বিশেষে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান।
ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের উদ্যোগে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে গতকাল সকালে রাজধানীর একটি মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমীর (ভারপ্রাপ্ত) ও কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য এডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং মহানগরী দক্ষিণের কর্মপরিষদ সদস্য কামাল হোসাইনের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের কর্মপরিষদ সদস্য আব্দুস সালাম, জামায়াত নেতা সৈয়দ সিরাজুল হক, জসিমুল হক পাটোয়ারি, রবিউল হোসেন, হেদায়েত উল্লাহ প্রমূখ নেতৃবৃন্দ।
সভাপতির বক্তব্যে ড. হেলাল বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে নিশ্চিত পরাজয়ের মুখে মরিয়া হানাদার বাহিনী ও কুচক্রী মহল ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর বাংলার বুদ্ধিজীবীদের উপর উন্মত্ত মৃত্যু কামড় দিয়েছিল। সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্রে রাতের আঁধারে হত্যা করেছিল দেশমাতৃকার শ্রেষ্ঠ কৃতী সন্তানদের। ঘাতকগোষ্ঠীর হীন লক্ষ্য ছিল, লড়াকু বাঙালী জাতি স্বাধীনতা অর্জন করলেও যেন বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে পঙ্গু, দুর্বল ও দিক-নির্দেশনাহীন হয়ে থাকে। দেশটির স্বাধীনতা আটকানো না গেলেও শিশুরাষ্ট্রটি জ্বরা আর অপুষ্টিতে মুখ থুবড়ে মারা পড়বে। সেই টার্গেট থেকেই সেদিন হায়েনারা বুদ্ধিজীবী হত্যাযজ্ঞে মেতে উঠেছিল।
তিনি বলেন, পৃথিবীর অনেক জাতি যুদ্ধ করে, অনেক জীবন ও রক্তের বিনিময়ে স্বাধীনতা অর্জন করেছে; কিন্তু এত প্রাণক্ষয় কোন জাতির ভাগ্যে ঘটেনি। শুধু তাই নয়, জাতির বিবেক বলে খ্যাত বুদ্ধিজীবীদের এমন নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনাও ইতিহাসে বিরল। এ ঘটনায় স্তম্ভিত ও হতবাক হয়ে যায় বিশ্ববিবেক। বাঙালী জাতির মুক্তি সংগ্রামে এসব বুদ্ধিজীবী নিজেদের মেধা, মনন ও লেখনীর মাধ্যমে স্বাধীনতা সংগ্রামে প্রেরণা যুগিয়েছেন, পথ দেখিয়েছেন মুক্তির, উদ্দীপ্ত করেছেন অধিকার আদায়ে। ড. হেলাল শহীদ বুদ্ধিজীবীদের যথাযথ মর্যাদায় শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন এবং সকল শহীদদের পরিবার-পরিজনের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। তিনি আরোও বলেন, দীর্ঘ মুক্তি সংগ্রামের মাধ্যমে বিজয় অর্জনের পর যারা জাতিকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে দিতে চায়নি তারাই এই নির্মম ও নিষ্ঠুর হত্যাকান্ডের নেপথ্য শক্তি। স্বাধীনতার ৪ দশক পরেও দেশপ্রেমিক বুদ্ধিজীবীরা এখনো নানাভাবে জুলুম-নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। ক্ষমতাসীন আওয়ামী গোষ্ঠী এই ইস্যুকে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ঘায়েলের হাতিয়ার হিসেবে গ্রহন করে মিথ্যা অভিযোগে প্রহসনের মাধ্যমে সাবেক আমীরে জামায়াত মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, সাবেক সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদসহ জামায়াতের জাতীয় নেতৃবৃন্দ ও প্রতিবাদী কন্ঠসমুহকে নির্মম ও নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করেছে। মূলত: চক্রান্তকারীরা জাতীয় নেতৃবৃন্দকে হত্যা করে দেশকে মেধাহীন ও করদরাজ্য বানাতে চায়। তিনি শহীদদের ত্যাগ ও কুরবানীকে কবুল করতে মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে দোয়া করেন।
চট্টগ্রাম : ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর দেশের বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে দেশকে মেধা শূন্য করতে ষড়যন্ত্র করেছিল সা¤্রাজ্যবাদী গোষ্ঠী। এই দিনের ঐতিহাসিক গুরুত্ব অপরিসীম। যে সকল বুদ্ধিজীবী দেশের জন্য জীবন দিয়েছে আমরা তাদের শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি। তারা দেশ ও জাতির জন্য যে ত্যাগ ও অবদান রেখেছে তা চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। এখনও পর্যন্ত দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র বন্ধ হয়নি। জামায়াত নেতৃবৃন্দ এই ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার জন্য উদাত্ত আহবান জানান।
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম মহানগরীর উদ্যোগে আয়োজিত এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে নেতৃবৃন্দ উপরোক্ত কথা বলেন।
চট্টগ্রাম মহানগরী জামায়াতের নায়েবে আমীর আ.জ.ম ওবায়েদুল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, নগর জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারী এম.এন.আমিন, জামায়াত নেতা এম.ছিদ্দিকুর রহমান, মোরশেদুল ইসলাম চৌধুরী প্রমুখ।
সভা শেষে মোনাজাত পরিচালনা করেন, চট্টগ্রাম মহানগরী জামায়াতের নায়েবে আমীর আ.জ.ম.ওবায়েদুল্লাহ্।
রাজশাহী : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাজশাহী মহানগরীর নায়েবে আমীর এ্যাডভোকেট আবু মোহাম্মাদ সেলিম বলেছেন, বুদ্ধিজীবীরা জাতীর মেধাবী সন্তান ছিলেন এবং কঠিন সময়ে তারা সঠিক পথনির্দেশনা দিয়েছিলেন। আমরা তাদের শ্রদ্ধার সাথে স্বরণ করি। তিনি ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবীদের হত্যার সঙ্গে জড়িত প্রকৃত অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন। শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে গতকাল বৃহস্পতিবার আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, প্রকৃত যুদ্ধাপরাধীদের আড়াল করতেই বর্তমান সরকার ইসলামী আন্দোলনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মানবতা বিরোধী অপরাধের অপবাদ দিয়ে হয়রানি করছে। মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় জামায়াতে ইসলামীর কোনো নেতাই মানবতা বিরোধী অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। কিন্তু স্বাধীনতার ৪১ বছর পর সম্পূর্ণ রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে জামায়াত নেতাদের উপর মিথ্যা অপবাদ দিয়ে আটক এবং দলীয় লোকদের দিয়ে ট্রাইবুনাল গঠন করে বিচারের নামে হয়রানি করা হচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে কথিত মিথ্যা ও বানোয়াট চার্জ গঠন করে একের পর এক ফাঁসির রায় ঘোষনা করা হচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, দেশে ইসলামী আন্দোলনের জাগরণে ভীত হয়ে বর্তমান সরকার ইসলামী শক্তি দমনে ইসলামী আন্দোলনের শীর্ষ নেতাদের উপর দমন-নিপীড়ন চালাচ্ছে। তিনি অবিলম্বে জামায়াত নেতা মাওলানা আব্দুস সোবহান, মাওলানা দেলওয়ার হোসাইন সাঈদীসহ সকল শীর্ষ নেতৃবৃন্দের মুক্তি দাবী করেন।
নারায়নগঞ্জ(সোনারগাঁ)সংবাদদাতা : শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জ গতকাল দোয়া ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। জামায়াতের উদ্যোগে উক্ত দোয়া দিবসে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ জেলার আমির আলহাজ্ব মোঃ মকবুল হোসেন বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সোনারগাঁ উপজেলার আমির ডঃ মাওলানা ইকবাল হোসেন ভূঁইয়া ও নারায়ণগঞ্জ জেলার শ্রমিক কল্যান ফেডারেশন সভাপতি ডঃ আবু ইয়াহিয়া । অনুষ্ঠানে নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার আমির বাংলাদেশ স্বাধীনতা যুদ্ধে শহিদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করেন।
গাজীপুর সংবাদদাতাঃ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রিয় কর্মপরিষদ সদস্য ও গাজীপুর মহানগর জামায়াতের আমীর অধ্যক্ষ এস এম সানাউল্লাহ বলেছেন, আজ যে অপশক্তি সারাদেশে গুম-খুনে মেতে ওঠেছে, এই একই অপশক্তি একাত্তরে এদেশের বুদ্ধিজীবীদের গুম করার পর হত্যা করেছিল। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে গাজীপুর মহানগর জামায়াত আয়োজিত এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে সভাপতির বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এ কথা বলেন।
জয়দেবপুর উত্তর থানা জামায়াতের আমীর ছাদেকুজ্জামান খানের পরিচালনায় আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন জয়দেবপুর দক্ষিণ থানা জামায়াতের সেক্রেটারি এডভোকেট শরীফউদ্দিনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
সভাপতির বক্তব্যে সিটি আমীর আরো বলেন, আজও দেশের বুদ্ধিজীবীদের গুম ও খুন করা হচ্ছে। গণতন্ত্রের পূণরোদ্ধার ছাড়া গুম-খুন বন্ধ হবে না। তাই গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ