ঢাকা, রোববার 17 December 2017, ৩ পৌষ ১৪২৪, ২৭ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

গাড়িচালকদের সচেতনতা বৃদ্ধিতে তাড়াশ থানা ওসি’র উদ্যোগ

তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) সংবাদদাতা: “যানবাহনের অতিরিক্ত গতিই থামিয়ে দিচ্ছে জীবনের গতি। চালকদের সতর্কতা আর পথচারির সাবধানতায় কেবল সড়ক দুর্ঘটনা রোধ করা সম্ভব।” পেশাজীবী গাড়ি চালক ও সংশ্লিষ্টদের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন তাড়াশ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনজুর রহমান। তীব্র শীত আর রাতের ঘুম উপেক্ষা করে গাড়ি চালক, যাত্রী সাধারণ ও পথচারিদের নিরাপত্তা দিতে হাটিকুমরুল-বনপাড়া মহাসড়ক দিয়ে চলাচলের সময় যানবাহনে সচেতনতা বার্তা প্রদান করে চলেছেন তিনি। এ ক্ষেত্রে উপজেলার মান্নাননগর এলাকা বেছে নিয়েছেন তাড়াশ থানা পুলিশ। খানাখন্দে ভরা বেহাল মহাসড়কটির যে অংশে গাড়ির গতি একদম কমিয়ে চালান চালকরা।  
ওসি মো. মনজুর রহমান জানান, বস্তুতপক্ষে মহাসড়কগুলোতে হালকা যানবাহনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ গতিসীমা প্রতি ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার এবং ভারি যানবাহনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ গতিসীমা প্রতি ঘণ্টায় ৭০ কিলোমিটার থাকলেও সেটা কেউ মানছেন না। প্রায় সব পেশাজীবী চালকই ১০০ কিলোমিটার গতিতে বাস চালান। কেউ কেউ ১১০-১২০ কিলোমিটার গতিতেও বাস চালিয়ে থাকেন। খালি ট্রাকগুলোও তা-ই করে থাকে। শুধু পণ্য বোঝাই ট্রাকগুলো অতিরিক্ত লোডের কারণে ৭০-৮০ কিলোমিটার গতিতে চালানো হয়ে থাকে। যানবাহনের এই অতিরিক্ত গতিই জীবনের গতি থামিয়ে দিচ্ছে।
তিনি আরো জানান, চালক ও সংশ্লিষ্টদের গাড়ি চালানোর সময় সতর্ক থাকা উচিত। বিআরটিএ যানবাহনের ফিটনেস সার্টিফিকেট দিলেই যানবাহন চলাচলের উপযোগী হয়েছে বলে মনে করা যাবে না। যানবাহন রাস্তায় চালানোর আগে চালককে অবশ্যই জানতে হবে ত্রুটিমুক্ত আছে কিনা। পথচারিকেও সাবধানে চলাচল করতে হবে। তাহলেই কেবল সড়ক দুর্ঘটনা রোধ করা সম্ভব।
সরেজমিনে দেখা গেছে, দুর্বৃত্তদের হাত থেকে রক্ষা পেতে গাড়ির দরজা, জানালা, কলাক্সেবল গেট (কেচি গেট) আটকিয়ে রাতের বেলায় গাড়ি চালানোর পরামর্শও দিয়ে চলেছেন তিনি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ