ঢাকা, সোমবার 18 December 2017, ৪ পৌষ ১৪২৪, ২৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

দেশ বিজয়ে ওলামায়ে কেরামের অবদানকে অবমূল্যায়ন করা উচিত নয় -খেলাফত আন্দোলন

বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের উদ্যোগে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে ’৭১-এর শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে দলের কেন্দ্রীয় দফতরে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়

বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আমীরে শরীয়ত মাওলানা শাহ আতাউল্লাহ ইবনে হাফেজ্জী হুজুর বলেছেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা আল্লাহ পাকের বড় নেয়ামত। হযরত হাফেজ্জী হুজুর রহ. বলেছিলেন “৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধ ছিলো জালেমের বিরুদ্ধে মাজলুমের লড়াই”। দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ও শহীদ জিয়াউর রহমানের যেমনি অবদান ছিলো তেমনি অবদান ছিলো মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাষানী, হযরত হাফেজ্জী হুজুর রহ. ও মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীসসহ অসংখ্য ওলামায়ে কেরামের। কিন্তু দেশ বিজয়ে ওলামায়ে কেরামের অবদানকে অবমূল্যায়ন করা হচ্ছে যা মোটেও উচিত নয়। ৭১-এর যুদ্ধে পাকিস্তানী জালেম হানাদার বাহিনী পরাজিত হলেও দেশে জুলুম শোষণ দুর্নীতি হত্যা নির্যাতন বন্ধ হয়নি। জুলুম নির্যাতনের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ ভাবে সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হবে।  আমাদেরকে  স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষায় অশুভ শক্তির মোকাবেলা করতে হবে। দেশে কুরআন-সুন্নাহ ভিত্তিক শাসন কায়েম করে স্বাধীনতার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে হবে।
বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের উদ্যোগে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে ৭১ এর শহীদ মুক্তিযুদ্ধাদের স্মরণে দলের কেন্দ্রীয় দফতরে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে সভাপতির বক্তব্যে  তিনি এসব কথা বলেন। বক্তব্য রাখেন দলের মহাসচিব মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজী, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা সাঈদুর রহমান, প্রচার সম্পাদক মাওলানা সুলতান মুহিউদ্দিন, দফতর সম্পাদক মাওলানা সানাউল্লাহ, মাওলানা হেদায়েতুল্লাহ বাশার, মাওলানা আশরাফুজ্জামান পাহারপুরী ও মাওলানা শফিক সাদী প্রমুখ।
মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজী বলেন, দেশের স্বাধীনতার জন্য হযরত হাফেজ্জী হুজুর রহ., হযরত পীরজি হুজুর রহ. এবং মুফতী দ্বীন মোহাম্মাদ রহ. সহ অসংখ্য ওলামায়ে কেরামের দোয়াও ছিলো দেশ বিজয়ের অন্যতম হাতিয়ার। কিন্তু একটি মহল প্রকৃত ইতিহাসকে বিকৃত করে ঢালাও ভাবে ওলামায়ে কেরামদেরকে স্বাধীনতা বিরোধী আখ্যা দেয়ার অপচেষ্টায় লিপ্ত যা ওলামায়ে কেরামের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র।
মাওলানা সুলতান মুহিউদ্দীন বলেন, স্বাধীনতার ৪৬ বছর অতিবাহিত হলেও দেশের জনগণ এখনও স্বাধীনতার সুফল ভোগ করতে পারেনি। মানুষের জান-মাল ও ইজ্জতের কোন নিরাপত্তা নেই। তরুণ প্রজন্মকে স্বাধীনতার সঠিক ইতিহাস সম্পর্কে অবগত করতে  হবে। স্বাধীনতা যুদ্ধে ওলামায়ে কেরামের যে ভূমিকা ছিল তা জাতির কাছে তুলে ধরতে হবে। সভায় দেশ-জাতি ও মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য দোয়া করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ