ঢাকা, সোমবার 18 December 2017, ৪ পৌষ ১৪২৪, ২৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

সুনামগঞ্জ সীমান্তে আবারও সাড়ে ৭ মে.টন চোরাই কয়লা আটক

সুনামগঞ্জ: বিজিবি ৭ মে, টন অবৈধ কয়লা আটক করে।

সুনামগঞ্জ সংবাদদাতা: সুনামগঞ্জের তাহিরপুর সীমান্ত চোরাচালানী ও চাঁদাবাজদের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে। মামলা দিয়েও ঠেকানো যাচ্ছে না চোরাচালান ও চাঁদাবাজি। আবারও পৃথক অভিযান চালিয়ে সাড়ে ৭ মে.টন চোরাই কয়লা আটক করেছে বিজিবি।
এব্যাপারে বিজিবি,পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়,প্রতিদিনের মতো আজ ১৪.১২.১৭ইং বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় উপজেলার উত্তরশ্রীপুর ইউনিয়নের দুধেরআউটা গ্রামের চাঁদাবাজি মামলা নং-জিআর ১৬৩/০৭ইং এর জেলখাটা আসামী চিহ্নিত চোরাচালানী ও ইয়াবা ব্যবসায়ী জিয়াউর রহমান জিয়া,তার সহযোগী একাধিক চাঁদাবাজি ও চোরাচালান মামলার জেলখাটা আসামী লালঘাট গ্রামের কালাম মিয়াসহ তাদের একান্ত সহযোগী লাকমা গ্রামের আব্দুল হাকিম ভান্ডারী, ইদ্রিস আলী, তিতু মিয়া, রতন মহলদার, শরীফ মিয়া, কামরুল মিয়া, দূরবীনশাহ, বদিউজ্জামান গং বালিয়াঘাট বিজিবি ক্যাম্পের ১১৯৮ পিলারের লাকমাছড়া এলাকা দিয়ে ভারত থেকে ৫০ মে.টন কয়লা পাচার করে।
এই খবর পেয়ে বিজিবি লাকমা গ্রামের সাদিকুল মিয়া, সজুন মিয়া, সুমন মিয়াসহ জিরো পয়েন্ট থেকে সাড়ে ৩ মে.টন (৫২ বস্তা) চোরাই কয়লা আটক করলেও চোরাচালানীদেরকে গ্রেফতার করেনি। অন্যদিকে গতকাল ১৩.১২.১৭ইং বুধবার রাত ১টায় বালিয়াঘাট সীমান্তের ১১৯৭ পিলারের পূর্বদিকে লালঘাট এলাকা দিয়ে দায়েরকৃত চোরাচালান মামলা নং-১৩ এর আসামী, চোরাচালান কমিটির সভাপতি বাবুল মিয়া, আবুল মিয়া, মানিক মিয়া ও চোরাচালান, চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলার জেলখাটা আসামী কালাম মিয়া গং ভারত থেকে ৩০মে.টন কয়লা ও ৫হাজার টন চুনা-সাদা পাচাঁর করার পর অভিযান চালিয়ে সাড়ে ৪ মে.টন (৬৭বস্তা) চোরাই কয়লা আটক করলেও চোরাচালান মামলার আসামীদের গ্রেফতার করেনি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ