ঢাকা, সোমবার 18 December 2017, ৪ পৌষ ১৪২৪, ২৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

ঝালকাঠি বিসিক’র ডেপুটি ম্যানেজারের বিরুদ্ধে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ, থানায় জিডি

ঝালকাঠি সংবাদদাতা : ঝালকাঠি বিসিকের ডেপুটি ম্যানেজার জালিস মাহমুদের বিরুদ্ধে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ এবং সদর থানায় সাধারণ ডায়েরী (জিডি) করেছেন ব্যবসায়ী গোপাল চন্দ্র দে। গত ৪ ডিসেম্বর এ অভিযোগ দিয়ে ৭ ডিসেম্বর সদর থানায় জিডি (নং- ৪৮৭) দায়ের করেছেন তিনি।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ৮ জুন বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন (বিসিক) ঝালকাঠি শাখা থেকে ১ লাখ টাকা ঋণ নেন ব্যবসায়ী গোপাল চন্দ্র দে। ঋণ উত্তোলনের সময় সাড়ে ৪ হাজার টাকা শাখার ডেপুটি ব্যবস্থাপক জালিস মাহমুদকে দিতে হয়। তখন আগস্ট মাস থেকে মাসিক ৫ হাজার টাকা কিস্তি দিতে হবে জানান তিনি। আগস্ট মাসের ৯ তারিখে কিস্তি দিতে গেলে জুলাই মাসে কিস্তি দেয়া হয়নি বলে প্রতিদিন ১০০ টাকা করে ২৭ দিনে ২৭০০ টাকা জরিমানা দিতে হবে। জরিমানার টাকা হাতে আর কিস্তির টাকা ক্যাশে দিতে হবে বলে তিনি জানান। তার এ কথায় ২ হাজার টাকা দেয়া হলেও কোন রসিদ দেয়া হয়নি। ১৪ সেপ্টেম্বর কিস্তি দিলে তখনও রসিদ বিহীন ৭০০ টাকা, অক্টোবর মাসে ৩০০ টাকা জরিমানা বাবদ রাখে। ১৬ নভেম্বর কিস্তির টাকা দিতে গেলে ব্যবস্থাপক অশালীন আচরণ করে তার কক্ষ থেকে বের করে দেন ব্যবসায়ীকে। উল্লেখিতভাবে জরিমানার টাকা না দিলে আইনী ব্যবস্থা নিয়ে জেলের ভাত খাওয়ানোর হুমকি দেন বলে ৪ ডিসেম্বর এ অভিযোগ প্রেরণ করেন। 
জিডি সূত্রে জানাগেছে, উপরোক্ত বিষয়ে জেলা বনিক সমিতির মধ্যস্থতায় সমঝোতা হয়। কিন্তু তাতে বিসিক ব্যবস্থাপক জালিস মাহমুদ খ্যান্ত না হয়ে বিভিন্ন জনকে দিয়ে আত্মীয়, স্বজন, বন্ধু-বান্ধবের কাছে বিভিন্ন ধরণের হুমকি দেয়। “ ৬ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৭ টার দিকে ৪ জন লোক এসে জালিস মাহমুদের আপনজন বলে পরিচয় দিয়ে বলে আপনি সাবধান হয়ে যান। জালিস মাহমুদ আমাদের ঝালকাঠির জামাই। সে দুর্নীতি করলে সরকার দেখবে, আপনার দেখার দরকার নেই। বেশি বাড়াবাড়ি করলে গায়েব করে দেবো।” এমন ভাষায় হুমকি দিয়ে তারা চলে যান। এ ঘটনা উল্লেখ করে পোস্ট অফিস রোডস্থ ব্যবসায়ী গোপাল চন্দ্র দে থানায় জিডি করেন।
ডেপুটি ম্যানেজার জালিস মাহমুদ হুমকি অশালীন ও আচরণের কথা অস্বীকার করে জানান, ঋণ নেয়ার টাকা না দেয়ার জন্য গোপাল চন্দ্র দে তালবাহানা করতেছে। এজন্য বিভিন্নভাবে আমাদেরকে হয়রানি করতেছে। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে মিথ্যা অভিযোগ ও থানায় সাধারণ ডায়েরী করেছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ