ঢাকা, সোমবার 22 January 2018, ৯ মাঘ ১৪২৪, ৪ জমদিউল আউয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

দিয়াজ হত্যা মামলা: সহকারী প্রক্টরের জামিন বাতিল

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ছাত্রলীগ নেতা দিয়াজ ইরফান চৌধুরী হত্যা মামলার আসামি সহকারী প্রক্টর আনোয়ার হোসেনের জামিন বাতিল করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

আজ সোমবার সকালে চট্টগ্রামের মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন বাড়ানোর আবেদন করেন সহকারী প্রক্টর। বিচারক মুন্সী মসিউর রহমান শুনানি শেষে জামিন আবেদন বাতিল করে দিয়ে আনোয়ার হোসেনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

গতকাল রোববার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আলমগীর টিপুসহ কয়েকজন আসামি দিয়াজের তৃতীয় ময়নাতদন্তের আবেদনের প্রস্তুতির পাশাপাশি মামলার আসামিদের কাউকে যেন গ্রেপ্তার না করা হয়, তার জন্য ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংবাদ সম্মেলন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন। তার পর আজ সহকারী প্রক্টরের জামিন বাতিলের আদেশ দিলেন আদালত।   

মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি মজিবুল হক গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সহকারী প্রক্টরের জামিন বাতিলের পর পরই মামলার আরেক আসামি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আলমগীর টিপু ও যুবলীগ নেতা সাইফুল আলম লিমনের নেতৃত্বে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা আদালত চত্বরে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করেন।

গত বছরের ২০ নভেম্বর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর সড়কের আবাসিক এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে দিয়াজের লাশ উদ্ধার করা হয়। তাঁকে হত্যার পর ঝুলিয়ে রাখা হয় বলে পরিবারের অভিযোগ। ঘটনার চার দিন পর ২৪ নভেম্বর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সহকারী প্রক্টর আনোয়ার হোসেন ও ছাত্রলীগের সভাপতি আলমগীর টিপুসহ ১০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন নিহতের মা জাহেদা আমিন চৌধুরী।

ওই মামলার আসামিরা ছিলেন—ছাত্রলীগের সাবেক নেতা জামশেদুল আলম চৌধুরী, সহকারী প্রক্টর আনোয়ার হোসেন, ছাত্রলীগের সভাপতি আলমগীর টিপু, কর্মী রাশেদুল আলম জিশান, আবু তোরাব পরশ, মনসুর আলম, আবদুল মালেক, মিজানুর রহমান, আরিফুল হক অপু ও মোহাম্মদ আরমান।

প্রথম ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে এ ঘটনাকে ‘আত্মহত্যা’ বলা হলেও দ্বিতীয় ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে দিয়াজকে ‘শ্বাসরোধ করে হত্যা’ করা হয় বলে উল্লেখ করা হয়। মামলাটি তদন্ত করছে সিআইডি। এর মধ্যে গত ৭ আগস্ট চট্টগ্রামের মুখ্য মহানগর হাকিম মুন্সি মশিউর রহমান এক নির্দেশে ১০ আসামির দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন চট্টগ্রামের একটি আদালত। একই সঙ্গে তাঁদের পাসপোর্ট জব্দেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

দিয়াজের মা জাহেদা আমিন চৌধুরী নিজেও বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন কর্মকর্তা।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ