ঢাকা, মঙ্গলবার 19 December 2017, ৫ পৌষ ১৪২৪, ২৯ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

শাহজালালে সাড়ে ৩ কোটি টাকার সোনা জব্দ

স্টাফ রিপোর্টার : শাহজালাল বিমানবন্দরে তিন যাত্রীর কাছ থেকে সাড়ে তিন কোটি টাকার বেশি মূল্যের প্রায় সাড়ে সাত কেজি সোনা জব্দ করেছে শুল্ক গোয়েন্দারা। ওই যাত্রীরা হলেন- ইব্রাহীম, মহসীন ও রোকনুজ্জামান।
ঢাকা কাস্টমস হাউজের সহকারী কমিশনার সাইদুল ইসলাম বলেন, রোববার গভীর রাতে রিজেন্ট এয়ারওয়েজের ৭৮৭ নম্বর ফ্লাইটে ব্যাংকক থেকে চট্টগ্রাম হয়ে ঢাকায় নামেন তারা। “সোনার বারগুলো যাত্রীদের বহন করা ট্রলি ব্যাগের হাতলের পাইপের ভেতর লুকিয়ে আনা হয়।” এর মধ্যে ইব্রাহীমের কাছ থেকে ৩ দশমিক ৫৯ কেজি, মহসীনের কাছ থেকে ১ দশমিক ৯৯ কেজি ও রোকনুজ্জামানের কাছ থেকে ১ দশমিক ৭৯ কেজি সোনার বার পাওয়া যায়। সাত দশমিক ৩৭ কেজি ওজনের ৭৪টি সোনার বারের আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ৩ কোটি ৬৯ লাখ টাকা বলে জানান কাস্টমস কর্মকর্তা সাইদুল। এ ঘটনায় শুল্ক আইন, ১৯৬৯ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে গ্রহণ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
দুই কোটি টাকার বিদেশী মুদ্রাসহ ভারতীয় গ্রেফতার!
শাহজালাল বিমানবন্দরে দুই কোটি টাকার বিদেশী মুদ্রাসহ ভারতের এক নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মো. সালেকীন শেখ নামে ওই ব্যক্তির ঘন ঘন যাতায়াতে সন্দেহবশত গতকাল সোমবার ঢাকা ছাড়ার সময় তাকে তল্লাশি করে বিপুল পরিমাণ বিদেশী মুদ্রা পাওয়া যায় বলে শুল্ক গোয়েন্দারা জানিয়েছেন।
শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মইনুল খান বলেন, “ওই ব্যক্তির কাছে ১ লাখ ৯৬ হাজার মূল্যমানের ইউরো ছাড়াও ডলার, থাইবাথ, ইয়েন, ভারতীয় রুপি ও বাংলাদেশী টাকা উদ্ধার করা হয়। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ ২কোটি ২৮ লাখ ৬ হাজার টাকা।” সালেকীনের পাসপোর্টের তথ্য অনুযায়ী তার বাড়ি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের হুগলিতে।
 রোববার রাতে সালেকীন ব্যাংকক থেকে ঢাকায় আসেন। তখন শুল্ক গোয়েন্দারা দেখেন, তার পাসপোর্টে ২০১৭ সালে কলকাতা-ঢাকা-ব্যাংকক রুটে ৩৬ বার ভ্রমণের উল্লেখ রয়েছে। তথ্যটি জানার পর সালেকীনকে নজরে রাখা হচ্ছিল। রাতে ঢাকায় থেকে গতকাল সোমবার সকাল ১০টার দিকে ঢাকা ছেড়ে যাওয়ার সময় তাকে চ্যালেঞ্জ করেন শুল্ক গোয়েন্দারা।
মইনুল খান বলেন, বোর্ডিং পাস নেওয়ার পর ট্রানজিট এলাকায় শুল্ক গোয়েন্দারা তাকে চ্যালেঞ্জ করে। তিনি বিদেশী মুদ্রা বহনের বিষয়টি অস্বীকার করলেও তাতে সন্তুষ্ট না হয়ে কাস্টমস হলে নিয়ে তার দেহ ও হ্যান্ডব্যাগ তল্লাশি করলে বিপুল পরিমাণ বিদেশি মুদ্রা পাওয়া যায়। “এসব মুদ্রা তার জুতার মোজার ভেতর,শরীরের বিভিন্ন অংশে ও হ্যান্ডব্যাগে বিশেষভাবে লুকায়িত ছিল,” বলেন মইনুল। তিনি বলেন, “ধারণা করা হচ্ছে, এই ব্যক্তি চোরাচালানের পণ্য কিনতে এই মুদ্রা অবৈধভাবে বহন করছিলেন।”
 ঘোষণা ছাড়া এবং লুকিয়ে বহন করায় এই ভারতীয় বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইন ও শুল্ক আইন ভঙ্গ করেছেন বলে শুল্ক গোয়েন্দারা জানান।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ