ঢাকা, মঙ্গলবার 19 December 2017, ৫ পৌষ ১৪২৪, ২৯ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

পূর্ব জেরুসালেমে তুর্কি দূতাবাস খুলতে চান এরদোগান

 

ৃ১৮ ডিসেম্বর, রয়টার্স : পূর্ব জেরুসালেমে তুর্কি দূতাবাস খুলতে চান বলে জানিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তৈয়ব এরদোয়ান। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থার এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, এটা নিশ্চিত নয় যে তারা কিভাবে দূতাবাস সরিয়ে নেবেন। এই শহরটি এখনও ইসরাইলের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

এরদোগান বলেছেন, তিনি পূর্ব জেরুসালেমে একটি তুর্কি দূতাবাস খুলতে চান। তিনি বলেন, ‘আল্লাহ চাইলে আমরা খুব দ্রুতই সেখানে দূতাবাস খুলবো।’ জেরুসালেমে ইতিমধ্যেই তুরস্কের একটি কনস্যুলেট রয়েছে বলেও মনে করিয়ে দেন তিনি।

৬ ডিসেম্বর বুধবার জেরুসালেমকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের স্বীকৃতির সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইসরাইলের মার্কিন দূতাবাস তেল আবিব থেকে সরিয়ে জেরুসালেমে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতির কথাও জানান তিনি। এই নিয়ে বিশ্বজুড়ে তুমুল নিন্দা ও প্রতিবাদ জারি রয়েছে। ট্রাম্পের ওই বিতর্কিত ঘোষণার পরপরই জেরুসালেম, গাজা উপত্যকা, পশ্চিম তীরের রামাল্লা, হেবরন, বেথলেহেম, নাবলুস, কালকিলিয়া, তুলকার্ম ও জেনিনের রাস্তায় নেমে আসেন মুক্তিকামী ফিলিস্তিনিরা। বিক্ষোভকারীদের ওপর হামলে পড়ে ইসরাইলি বাহিনী। হতাহত হন বহু বিক্ষোভকারী। তারপরও দমে যাননি মুক্তিকামী মানুষেরা। প্রতিবাদ বিক্ষোভ অব্যাহত রেখেছেন তারা। ট্রাম্প আর নেতানিয়াহু’র ছবি পুড়িয়ে, আমেরিকা-ইসরাইলের পতাকা জ্বালিয়ে দিয়ে স্লোগান তুলছেন, ফিলিস্তিনিদের রাজধানী নির্ধারণের অধিকার আমেরিকাকে কেউ দেয়নি। আর হামাস নেতা ইসমাইল হানিয়া বলেছেন, ইসরাইল নামে কোনও দেশ নেই। তাই এর কোনও রাজধানীও থাকতে পারে না। ফিলিস্তিনিদের প্রতিরোধ সংগ্রামের বিপরীতে তাদের ওপর হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরাইলি বাহিনী।

এরপর ওআইসির জরুরি বৈঠক ডাকেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট এরদেগান। সেখানে পূর্ব জেরুসালেমকে ফিলিস্তিনী রাজধানী স্বীকৃতি দেন ৫১টি মুসলিম দেশ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ