ঢাকা, মঙ্গলবার 19 December 2017, ৫ পৌষ ১৪২৪, ২৯ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

দক্ষিণ এশিয়ায় সাফল্য পেতে পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ -----------যুক্তরাষ্ট্র

 

১৮ ডিসেম্বর, ইন্টারনেট : দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলে সফলতা পেতে হলে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সঙ্গে সম্পর্কের গুরুত্ব স্বীকার করছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দফতর। পাশাপাশি পাকিস্তানকে তার মাটি থেকে সন্ত্রাসীদের নিরাপদ আশ্রয় উৎখাতের কৌশলে মৌলিক পরিবর্তন আনারও পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

আফগানিস্তানের ব্যাপারে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নতুন নীতি ঘোষণার পর কংগ্রেসের কাছে পেশ করা প্রথম রিপোর্টে পেন্টাগন জানায়, পাকিস্তানের সঙ্গে স্বার্থগত মিল রয়েছে এমন ক্ষেত্রগুলোতে সহযোগিতা জোরদারের জন্য যুক্তরাষ্ট্র বহু ধরনের প্রচেষ্টা চালাবে। কিন্তু সাংঘর্ষিক ক্ষেত্রে একতরফা ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়।

‘এনহেন্সিং সিকিউরিটি এন্ড স্ট্যাবিলিটি ইন আফগানিস্তান’ শীর্ষক রিপোর্টে এই অঞ্চলে কার্যক্রম পরিচালনার ব্যাপারে পেন্টাগনের পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়েছে।

এতে বলা হয়, ‘আফগান-পাকিস্তান সীমান্ত এখনো বিভিন্ন সন্ত্রাসী গ্রুপের নিরাপদ আশ্রয়। এগুলো দু’দেশের জন্যই নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ। পাশাপাশি তা এই অঞ্চলের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি সৃষ্টি করেছে।’

১০০ পৃষ্ঠার ওই রিপোর্টে স্বীকার করা হয়, পাকিস্তান সেনাবাহিনী যে অভিযান শুরু করেছে তাতে সন্ত্রাসীদের কিছু আশ্রয়স্থল ধ্বংস হয়েছে। তবে তালেবান ও হক্কানি নেটওয়ার্ক এখনো পাকিস্তানে অবাধে তৎপরতা চলানোর সুযোগ পাচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়।

সকল সন্ত্রাসী ও চরমপন্থী গ্রুপগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণে গুরুত্ব সম্পর্কে পাকিস্তানের নেতৃবৃন্দের সকল পর্যায়ে বার্তা পৌঁছানো হচ্ছে বলেও রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়। এতে আরো বলা হয়, সন্ত্রাসী গ্রুপগুলোর ওপর চাপ অব্যাহত রাখা এবং অভিন্ন সীমান্তের দু’পাশে টেকসই নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার জন্য আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি গুরুত্বপূর্ণ।

 পেন্টাগন জানায়, আফগান সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে পাকিস্তান ব্যবস্থা নিচ্ছে বলে না বলে কাবুলে আস্থার ঘাটতি এবং আফগানিস্তানের মাটি থেকে পাকিস্তানে সন্ত্রাসী হামলা নিয়ে ইসলামাবাদের উদ্বেগ দুই পক্ষের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সমারিক সহযোগিতায় বিঘ্ন সৃষ্টি করছে। এতে টেকসই নিরাপত্তা অর্জন করা যাচ্ছে না।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ