ঢাকা, মঙ্গলবার 19 December 2017, ৫ পৌষ ১৪২৪, ২৯ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

চলনবিলে মাঠে মাঠে সরিষা ফুলের সমারোহ

তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) : চলনবিলে সরিষা ফুলের সমারোহ -সংগ্রাম

শাহজাহান (তাড়াশ) সিরাজগঞ্জ থেকে : চলতি রবি মৌসুমে চলনবিলে ব্যাপকভাবে সরিষা আবাদ করা হয়েছে। বিশেষ করে আসন্ন বোরো আবাদের খরচ পোষাতে অধিকাংশ কৃষক সরিষা আবাদ করেছেন। তা ছাড়া গত বছর সরিষার দাম ভালো পাওয়ায় এ বছর উপজেলার বড় থেকে শুরু করে প্রান্তিক কৃষকরা পর্যন্ত কম-বেশি সরিষা আবাদ করেছে। ইতোমধ্যে মাঠে মাঠে শোভা পাচ্ছে সরিষার হলুদ ফুল। বিশেষ করে চরাঞ্চলের উঁচু জমিতে আগাম আবাদ করা সরিষার হলুদ ফুলে ফুলে সেজেছে ফসলের মাঠ। এসব সরিষা কৃষকের ঘরে উঠতে অনেক  দিন সময় লাগবে। তবে সরিষা ঘরে উঠতে দেরি থাকলেও সরিষা ফুলের অপরূপ সৌন্দর্য দেখে কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। আর সরিষার ফুলে ফুলে মৌমাছির গুঞ্জনতো আছেই। তারা ব্যস্ত সরিষা ফুলের পাপড়ি থেকে মধু আহরণ করতে। পাশাপাশি এখন মধু পিপাসুরা সরিষা ফুলের খাঁটি মধু কিনতে ছুটছেন মৌয়ালদের বাড়ি বাড়ি। জানা যায়, এ বছর  চলনবিলে ৩ জেলার বন্যার পানি মাঠ থেকে নামতে অনেক দেরি হয়েছে। সিরাজগঞ্জ, পাবনা, নাটোরের  ৯ উপজেলা হচ্ছে তাড়াশ, রায়গঞ্জ, সলঙ্গা, চাটমোহর, ভাঙ্গুড়া, ফরিদপুর, সিংড়া, উল্লাপাড়া, শাহজাদপুর। বন্যার পানি দেরিতে নামার কারণ হচ্ছে চলনবিলে প্রতিটি নদীতে অসংখ্য সোতিজাল পানি প্রবাহের পথ আটকিয়ে রেখেছিল। সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে পাঁচ হাজার হেক্টর জমিতে সরিষা আবাদ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে চরাঞ্চলের জমিতে আগাম আবাদ করা সরিষা সুন্দরভাবে বেড়ে উঠেছে।
উপজেলার হামকুড়য়া গ্রামের কৃষক আলাউদ্দিন প্রামাণিক জানান, গত বছরের চেয়ে এ বছর সরিষা ক্ষেতের চেহারা ভালো। ধারণা করা হচ্ছে কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এবার সরিষার বাম্পার ফলন হবে।  উপজেলা কৃষি অফিসার সাইফুল ইসলাম জানান, অনুকূল আবহাওয়া আর সঠিক সময়ে সার, ওষুধ দেওয়ায় চলতি রবি মৌসুমে উপজেলার সর্বত্র সরিষা ভালো হয়েছে। আশা করছি বাম্পার ফলন হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ