ঢাকা, মঙ্গলবার 19 December 2017, ৫ পৌষ ১৪২৪, ২৯ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

সরাইলে দুই সন্তানসহ গৃহবধূ নিখোঁজ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সংবাদদাতা:  ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে গত ৫ ডিসেম্বর থেকে দুই সন্তানসহ গৃহবধূ নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। দুই সন্তান তামিম(১১) এবং নওরীন(৫)সহ  নিখোঁজ গৃহবধূর নাম সামিরা আক্তার র্ঝনা(৩০)। তিনি উপজেলার কালিকচ্ছ নন্দীপাড়ার আব্দুর রফিক লস্করের মেয়ে। উপজেলার সদর ইউনিয়নের বড়দেওয়ান পাড়ার মৃত শাফিউদ্দিন ঠাকুরের পুত্র মোছলেহ উদ্দিন পল্টুর স্ত্রী। এ ব্যাপারে সরাইল থানায় ৮ডিসেম্বর সাধারণ ডায়রী করেছেন নিখোঁজ ঝরনার পিতা আব্দুর রফিক লস্কর।
ডায়রী সুত্রে জানাযায়, গত ৫ডিসেম্বর মঙ্গলবার দুপুর ২টায় সামিরা আক্তার ঝর্না তার ছেলে তামিম ও মেয়ে নওরীনকে নিয়ে পিত্রালয় কালিকচ্ছ থেকে সিএনজি যোগে স্বামীর বাড়ি সরাইল বড়দেওয়ান পাড়া আসার উদ্দেশে রওয়ানা দেন। সেই থেকে দুই সন্তানসহ সামিরা নিখোঁজ রয়েছেন। সামিরার স্বামী মোছলেহ উদ্দিন পল্টু  ঢাকায় চাকরী করেন।  ৮ ডিসেম্বর শুক্রবার তিনি ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়িতে এসে স্ত্রী ও ছেলে -মেয়েকে না পেয়ে শশুর বাড়িতে যান। সেখানে গিয়ে স্ত্রী, সন্তানদের না পেয়ে মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়েন। সামিরার পিতা ও স্বামী তাদের আত্বীয় স্বজনের বাড়িতে খোঁজ খবর নিয়ে দুইসন্তান সহ সামিরার কোনো সন্ধান পাননি। সামিরার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে বার বার যোগাযোগ করেও তা বন্ধ পাওয়া যায়। এ ব্যাপারে ৮ডিসেম্বর শুক্রবার সামিরা আক্তার ঝরনার পিতা আব্দুর রফিক লস্কর সরাইল থানায় সাধারণ ডায়রী করেন। এ ব্যাপারে নিখোঁজ সামিরার স্বামী মোছলে উদ্দিন পল্টু বলেন, ২০০৬ সালে পারিবারিকভাবে আমি সামিরাকে বিয়ে করি। তামিম ও নওরীন নামে  দুই সন্তান নিয়ে আমাদের সুখের সংসার। ৪ডিসেম্বর সোমবার বিকাল ৫টার দিকে আমার স্ত্রী সামিরার সাথে সর্বশেষ কথা হয়েছে। ৮ডিসেম্বর শুক্রবার আমি ঢাকা থেকে বাড়িতে এসে স্ত্রী, সন্তানদের না পেয়ে শশুর বাড়িতে যায়। সেখানে গিয়ে তাদের না পেয়ে হতাশ হয়ে যায়। এসময় শশুরকে নিয়ে আত্বীয় স্বজনসহ সম্ভাব্য সকল জায়গায় খোঁজ-খবর নিয়ে তাদের কোনো সন্ধান পায়নি। আমার স্ত্রীর মোবাইল ফোনে কল করে বার বার চেষ্টা করেও ফোন বন্ধ পাওয়া যায় ।
এ ব্যাপারে সরাইল থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মফিজ উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, এ বিষয়টি থানায় একাট অভিযোগ পেয়েছি। তাদের সন্ধান পেতে সকল প্রকার আইনী প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ