ঢাকা, বৃহস্পতিবার 21 December 2017, ৭ পৌষ ১৪২৪, ২ রবিউস সানি ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

কেসিসি’র ড্রেন উপচে পড়া নোংরা পানিতে সয়লাব সড়ক

খুলনা অফিস: নগরীর অধিকাংশ ড্রেন উপচে পড়ছে। নোংরা পানিতে ভরে যাচ্ছে সড়ক। সার্বক্ষণিক কাদা-পানি সড়কের ওপর বিচরণ করায় জনভোগান্তির পাশাপাশি স্থায়ীত্ব হারাচ্ছে নগর সড়কগুলো।
নগরীর বেশ কয়েকটি সড়কের ড্রেন পরিষ্কারের কাজ করছে কেসিসি। কিন্তু দীর্ঘদিন পর এ ধরনের উদ্যোগ নেয়ায় অনেকে কেসিসিকে সাধুবাদ জানালেও ভোগান্তির কথা বলছেন সবাই।
সরেজমিন দেখা গেছে, নগরীর বাবুখান সড়ক, নতুন বাজার ওয়াপদা, নতুন বাজার এ্যাপ্রোচ রোড, টুটপাড়া মেইন রোড, রূপসা স্ট্রান্ড রোড, দিলখোলা রোড, মিয়াপাড়া মোড়, নিরালা প্রধান সড়ক, আজাদ লন্ড্রির মোড়, পৈ পাড়া, নিউমার্কেট এ্যাপ্রোচ রোড, ছোট বয়রা মেইন রোড, সোনাডাঙ্গা ময়লাপোতা, বয়রা পূজাখোলা মোড়, বয়রা বাজার, বাস্তহারা, নতুন রাস্তার মোড়, নিক্সন মার্কেট হরিজন কলোনী, দৌলতপুর মহসিন মোড় থেকে শাহপুর সড়ক, দেয়ানা, পাবলা, গোয়ালখালি কবরখানা রোড, খালিশপুর বিআইডিসি রোডসহ নগরীর অসংখ্য অলিগলির ড্রেন উপচে নোংরা পানি জমছে।
খালিশপুর বিআইডিসি সড়কের বাসিন্দা মোসা. নাসিমা আক্তার জানান, এ এলাকার মানুষের কাছে সয়ে গেছে। আমরা প্রতিনিয়ত ড্রেনের পানি পাড়িয়ে চলাচল করি। খালিশপুরের ভেতরকার রোডগুলোর অবস্থা আরও খারাপ। দায়িত্বশীলদের বললে তারাতো দায় এড়ানোর কথা বলে।
মহসিন মোড় এলাকার ব্যবসায়ী মো. হাসান আলী জানান, কে ঠিক পরিষ্কার করবে এসব ড্রেন। নেতারাতো বক্তৃতা দিয়েই খালাস। তারপর ভোগান্তি জনগণের। অনেক সময় আমরা নিজেরা ড্রেন থেকে ময়লা উঠিয়ে রাস্তায় ফেলি। যদিও সেটি ঠিক নয়। কিন্তু ময়লা ফেলার জয়গাতো লাগবে।
মিয়াপাড়া এলাকার পূজা রায় জানান, আমরা প্রতিনিয়ত ড্রেনের পানি, ময়লা পাড়িয়ে কলেজে যাই। নিজেদের এলাকা থেকে কোনমতে পার হলেও বাবুখান রোডের অবস্থা খুব খারাপ। বাবুখান রোডের সমস্যা আমি গত তিন বছর ধরে দেখছি।
খুলনা সিটি কর্পোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি এবং ২৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কেএম হুমায়ুন কবীর বলেন, সিটি কর্পোরেশনের জনবল সঙ্কট রয়েছে। আবার অনেকে রয়েছে যাদের বয়স অনেক বেশি।
তাদের দিয়ে এ কঠিন কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না। যার ফলে এ ধরনের সমস্যা থেকেই যাচ্ছে। আমরা সরকারের কাছে বারবার আবেদন রাখছি যে, অন্তত মাস্টাররোলেও কিছু জনবল খুলনা সিটি কর্পোরেশনে দেয়ার জন্য। কিন্তু আজ পর্যন্ত তা বাস্তবায়ন হয়নি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ