ঢাকা, বৃহস্পতিবার 21 December 2017, ৭ পৌষ ১৪২৪, ২ রবিউস সানি ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

সাদুল্যাপুরে বাড়ছে চুরি নিরাপত্তাহীনতায় এলাকাবাসী

সাদুল্যাপুর (গাইবান্ধা) সংবাদদাতা: গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলার নলডাঙ্গা সহ প্রত্যন্ত অঞ্চলে  আশঙ্কাজনক হারে সিঁদেল চুরি, সিঁচকে চুরি ও মোটর সাইকেল চুরির ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। সম্প্রতি সংঘবদ্ধ চোর চক্র তৎপর হয়ে প্রায় প্রতিনিয়তই বিভিন্ন বাড়ি ঘরে ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে রাতের অন্ধকারে হানা দিয়ে নির্বিঘেœ এসব চুরির ঘটনা সংঘটিত করছে। বিদ্যমান এ পরিস্থিতিতে সর্বত্রই এখন চুরির আতঙ্ক বিরাজ করছে। পুলিশ প্রশাসনের নিস্কৃয় ভূমিকার কারণে নানা ধরণের চুরি সংঘটিত হচ্ছে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ।
উপজেলায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত এক সপ্তাহে উপজেলার নলডাঙ্গা প্রতাপ গ্রামের মশিউর রহমানের ও পশ্চিম শ্রীরামপুর গ্রামের রানু মিয়ার ডিস্কভার ১০০সিসির দুটি মোটর সাইকেল, শাওন মিয়ার ২২ হাজার টাকা মূল্যের একটি স্যামসাং মোবাইল ফোন, বুলু মিয়ার নগদ ২০ হাজার টাকা ও ২ টি মোবাইল ফোন, নুরুল ইসলাম মিয়ার নগদ ৮ হাজার টাকা ও একটি মোবাইল ফোন, দশলিয়া গ্রামের সুলতান আরেফিন মিয়ার ১টি রঙ্গীন টেলিভিশন ও ২টি মোবাইল ফোন এবং শামীম মিয়ার একটি রঙ্গীন টেলিভিশন ও অন্যান্য জিনিষপত্র সহ এসব বাড়ী থেকে আনুমানিক আড়াই লক্ষাধিক টাকার মালামাল চুরি করে নিয়ে গেছে চোরের দল।
এদিকে সংঘটিত চুরির বিষয়ে ভূক্তভোগি পরিবার গুলোর মধ্যে কয়েকজন মাত্র থানায় অভিযোগ করেছেন।
কিন্তু পুলিশ অদ্যবধি চুরি যাওয়া কোন মালামাল উদ্ধার করতে পারেননি বলে জানা গেছে। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সাদুল্যাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বোরহান উদ্দীন বলেন, চুরি যাওয়া মোবাইল ফোন গুলোর নম্বর দিলে চোরাই মোবাইল সহ অন্যান্য মালামাল উদ্ধার করা সম্ভব হবে। এজন্য পুলিশের পাশা-পাশি স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতা পেলে অপরাধ মূলক এ ঘটনাগুলো দ্রুত রোধ করা যাবে।
স্থানীয়রা জানান, এ এলাকায় দীর্ঘদিন থেকে কোন রকম চুরির ঘটনা ছিল না।
কিন্তু হঠাৎ করে চোরের উপদ্রব বৃদ্ধি পাওয়ায় অনেকেই শঙ্কিত হয়ে নির্ঘুম রাত জেগে জেগে এখন বাড়ী ঘর পাহারা দিচ্ছেন।
এহেন পরিস্থিতি নিয়ে এ অঞ্চলের সচেতন মহলের ধারনা মদ,গাজা ও জুয়া সহ বিভিন্ন ধরনের নেশায় আসক্তরা অভাবের তাড়নায় নেশার টাকা যোগাড় করতে এরূপ কর্মকান্ড ঘটাচ্ছেন।
নলডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বর হাবিজার রহমান পাটোয়ারী বলেন, এভাবে চুরির ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় এ এলাকার মানুষজনের মধ্যে চরম আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে আমরা কেউ নিরাপদে নেই বলে তিনি জানান।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ