ঢাকা, শুক্রবার 22 December 2017, ৮ পৌষ ১৪২৪, ৩ রবিউস সানি ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

গত নবেম্বর মাসে খুলনায়  ৩৫৯টি অপরাধ সংঘটিত

 

খুলনা অফিস : খুলনা ‘জেলা আইন-শৃঙ্খলা’ এবং ‘সন্ত্রাস ও নাশকতা প্রতিরোধ’ কমিটির মাসিক সভা গতকাল রোববার সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। খুলনা জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আমিন উল আহসান এতে সভাপতিত্ব করেন। 

সভায় আইন-শৃঙ্খলা প্রতিবেদনে জানানো হয়, খুলনা মহানগরীর আটটি থানায় গত নবেম্বর/১৭ মাসে চুরি ২টি, খুন ২টি, অস্ত্র আইনে ২টি, দ্রুত বিচারে ১টি, ধর্ষণ ৩টি, নারী ও শিশু নির্যাতন ১১টি, মাদকদ্রব্য ১৫৭টি এবং অন্যান্য ৪০টি সহ মোট ২১৮টি মামলা দায়ের হয়েছে। গত অক্টোবর/১৭ মাসে এ সংখ্যা ছিল ২২৬টি। জেলার নয়টি থানায় নবেম্বর/১৭ মাসে চুরি ১টি, খুন ১টি, অস্ত্র আইনে ২টি, ধর্ষণ ১টি, অপহরণ ১টি, নারী ও শিশু নির্যাতন ১৫টি, নারী ও শিশু পাচার ৪টি ও  মাদকদ্রব্য ৫৪টি এবং অন্যান্য আইনে ৬২টি সহ মোট ১৪১টি মামলা দায়ের হয়েছে। গত অক্টোবর /১৭ মাসে এ সংখ্যা ছিল ১৮৭টি।

সভায় মুহাম্মদ মিজানুর রহমান এমপি তাঁর বক্তৃতায় বলেন, খুলনা মহানগরীতে যানজট, ইজিবাইক ও অবৈধ যানবাহন নিয়ন্ত্রণ করে একটি সুষ্ঠু পরিবহণ ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষগুলোকে নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের পরিকল্পনা চলমান আছে। যা আগামী মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে চূড়ান্ত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। 

অপরদিকে শেখ মো. নূরুল হক এমপি ইয়াবা, মাদক স্কুল কলেজ পড়–য়া ছেলেমেয়েদের মাঝে ছড়িয়ে পড়ছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং মাদকদ্রব্য অধিদপ্তরসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর হস্তে দমনের পরামর্শ প্রদান করেন। এছাড়া তিনি অবকাঠামো উন্নয়নের অতি প্রয়োজনীয় উপকরণ বালুর চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে যত্রতত্র বালু উত্তোলন না করে সরকারি নীতি অনুসরণ করে জেলায় বালু মহল বৃদ্ধির কথা বলেন। পাশাপাশি সরকারি খাস জমি সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে প্রকৃত ব্যক্তিদের কাছে প্রদানের আহ্বান  জানান।

এছাড়া সভায় নগরীতে ভ্রাম্যমাণ হকাররা যাতে নির্দিষ্ট স্থানে বা একটি পরিকল্পিত ব্যবস্থায় তাদের ব্যবসা পরিচালনা করতে পারে সে প্রস্তাব উপস্থাপন হয়। রাতের বেলা শহরে পুলিশ ও র‌্যাবের টলহল বৃদ্ধি করা, গুরুত্বপূর্ণ স্পটগুলোতে চেকপোস্ট স্থাপন করা, মাইকিং করে লটারি, জুয়া এবং এ ধরনের কাজ বন্ধ করা, স্কুল-কলেজের সামনে বখাটেদের দৌরাত্ম বন্ধ করা, মোবাইল কোর্ট কার্যক্রম অব্যহত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

এ সময় আইন-শৃঙ্খলা কমিটির উপদেষ্টা খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য মুহাম্মদ মিজানুর রহমান, খুলনা-৬ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মো. নূরুল হক এবং খুলনা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ হারুনুর রশীদসহ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, উপজেলা চেয়ারম্যান, কেএমপি, র‌্যাব ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ কমিটির অন্যান্য সদস্যগণ অংশগ্রহণ করেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ