ঢাকা, শনিবার 23 December 2017, ৯ পৌষ ১৪২৪, ৪ রবিউস সানি ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

২০০ মিটারে স্প্রিন্টে সেরা রউফ-শিরিন

স্পোর্টস রিপোর্টার: জাতীয় অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপের ২০০ মিটার স্প্রিন্টে প্রথমবারের মতো সেরা হয়েছেন আব্দুর রউফ। দুই মৌসুম পর এই ইভেন্টের মেয়েদের বিভাগে মুকুট ফিরে পেয়েছেন শিরিন আক্তার। দীর্ঘদিন পর ইলেক্ট্রনিক টাইমারে এবারের প্রতিযোগিতা আয়োজন করলো বাংলাদেশ অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশন। গতকাল বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে শুক্রবার ২১ দশমিক ৭৯ সেকেন্ড সময় নিয়ে সেরা হন রউফ। গত সামার অ্যাথলেটিক্সে ২১ দশমিক ৬০ সেকেন্ড সময় নিয়ে সেরা হয়েছিলেন সাইফুল ইসলাম। আর গত জাতীয় অ্যাথলেটিক্সে ২১ দশমিক ৫১ সেকেন্ড সময় নিয়ে সেরা হয়েছিলেন শরিফুল ইসলাম। চিকুনগুনিয়ার কারণে গত সামার অ্যাথলেটিক্সে দৌড়াতে পারেননি রউফ। ২৫ বছর বয়সী নৌবাহিনীর এই অ্যাথলেটের লক্ষ্য, সামনের এসএ গেমসে সোনা জয়।“তিন মাসের প্রস্তুতি নিয়ে এবার প্রথম ২০০ মিটারে অংশ নিলাম। রিলে ১০০ মিটার ও ২০০ মিটারে অংশ নেব। এই ইভেন্টগুলোতেও সোনা জিততে চাই। সামনের এসএ গেমসেও পদক জিততে চাই। নৌবাহিনী আমাদের যে সুবিধা দেয়, তাতে পদক জেতা সম্ভব।”

২৫ দশমিক ৫৭ সেকেন্ডে দৌড় শেষ করে ২০০ মিটারে মুকুট ফিরে পান শিরিন। জাতীয় অ্যাথলেটিক্সের গত আসরে ২৪ দশমিক ৪৬ সেকেন্ড সময় নিয়ে সেরা হয়েছিলেন সোহাগী আক্তার। গত সামার অ্যথলেটিক্সেও সোহাগী প্রথম হন ২৫ দশমিক ১০ সেকেন্ডে দৌড় শেষ করে। মুকুট ফিরে পেলেও নিজের টাইমিং নিয়ে খুশি নন শিরিন।“টাইমিং ভালো হয়নি। তবে ১০০ মিটারে ভালো হবে। ওটাই আমার মূল ইভেন্ট। আশা করছি, টানা ষষ্ঠ বারের মতো পদক জিততে পারবো।”জাতীয় পর্যায়ে ডিসকাস থ্রোয়ে (চাকতি নিক্ষেপ) নিজের রেকর্ড ভেঙেছেন আজহারুল ইসলাম। গড়েছেন ৪৪ দশমিক ৩৭ মিটারের নতুন রেকর্ড। ২০০৬ সালে ৪৪ দশমিক ০৬ মিটারের আগের রেকর্ডটি গড়েছিলেন তিনি। অবশ্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মিলিয়ে ২০১০ সালের এসএ গেমসে ৪৪ দশমিক ৯৮ মিটার তার সেরা।

জাতীয় প্রতিযোগিতার উদ্বোধন শেষে এশিয়ান অ্যাথলেটিকসের সভাপতি দাহলান বাংলাদেশের ভূয়সি প্রশংসা করেন। তবে বাংলাদেশকে ট্র্যাকসহ টেকনিক্যাল, টেকটিক্যাল সহায়তা দেয়ারও আশ্বাস প্রদান করেছেন। সেই সঙ্গে তিনি অ্যাথলেটিকসের উন্নয়নের জন্য তৃণমূলেই জোর দেয়ার আহ্বান জানান। দাহলানের কথায়, ‘তৃণমূল থেকে অ্যাথলেট তুলে আনতে হবে। শুধু তুলে আনলে হবে না প্রতিভাবানদের ধরে রাখার দায়িত্বও নিতে হবে ফেডারেশনকে। বিশেষ করে স্কুল পর্যায় থেকে প্রতিভাবান অ্যাথলেট বাছাই করে আনতে হবে। স্কুল পর্যায়ে কাজ না করলে ভালোমানের অ্যাথলেট কখনই পাওয়া সম্ভব না।’ তিনি যোগ করেন, ‘এক সময় অ্যাথলেটিকসে যুক্তরাষ্ট্র প্রভাব বিস্তার করত, এখন কিন্তু জ্যামাইকার অ্যাথলেটরা ভালো করছেন। এটা প্রজšে§র পরিবর্তন। তাই জাতীয় পর্যায়ে টেলেন্ট হান্ট প্রোগ্রাম অব্যাহত রাখতে হবে। ভালোমানের অ্যাথলেটদের ধরে রাখতে হবে।’ তবে বাংলাদেশ শেখ কামাল অ্যাথলেটিক একাডেমিকে পূর্ণাঙ্গ একাডেমি হিসেবে গড়ে তোলা, দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলে আরডিসি, ট্র্যাক স্থাপন এবং দেশের দরিদ্র অ্যাথলেটদের আর্থিকভাবে সহায়তা প্রদানের জন্য দাহলানের কাছে সহায়তা চাওয়া হয়েছে বলে ফেডারেশনের সভাপতি এএসএম আলী কবির জানান।’

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ