ঢাকা, রোববার 24 December 2017, ১০ পৌষ ১৪২৪, ৫ রবিউস সানি ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

আবুল কাসেম খান ডিসিসিআই’র সভাপতি পুনঃনির্বাচিত

 

স্টাফ রিপোর্টার: ২০১৮ সালের জন্য ঢাকা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সভাপতি পুনঃনির্বাচিত হয়েছেন আবুল কাসেম খান। 

গতকাল শনিবার ডিসিসিআইর ৫৬তম বার্ষিক সাধারণ সভায় ডিসিসিআইর পুনঃনির্বাচিত সভাপতি ও উর্ধ্বতন সহ-সভাপতি এবং নবনির্বাচিত সহ-সভাপতি ও পরিচালকরা দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

এছাড়াও ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি হিসেবে কামরুল ইসলাম হিসেবে পুনঃনির্বাচিত হয়েছেন। সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন রিয়াদ হোসেন। ঢাকা চেম্বারের নবনির্বাচিত পরিচালকবৃন্দ হলেন- আন্দালিব হাসান, ইঞ্জিনিয়ার মো. আল আমিন, মোহাম্মদ বাশীর উদ্দিন, নূহের লতিফ খান, এস এম জিল্লুর রহমান এবং ওয়াকার আহমেদ চৌধুরী।

আবুল কাসেম খান ১৯৬৮ সালে চট্টগ্রামের এক মুসলিম পরিবারের জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৯২ সালে ব্যবসায় প্রশাসনে উচ্চ শিক্ষা লাভ করেন এবং ১৯৯২ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত ব্যাংকিং পেশায় নিয়োজিত ছিলেন। তিনি ১৯৯৬ সালে পারিবারিক ব্যবসায় যোগ দেন। ডিসিসিআইর পুনঃনির্বাচিত সভাপতি বর্তমানে এ কে খান এন্ড কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এটি ১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এবং বাংলাদেশের বেসরকারি খাতের প্রাচীন শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে অন্যতম।

আবুল কাসেম খান বাংলাদেশ সরকারের সাবেক শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী মরহুম এ এম জহিরউদ্দিন খানের বড় ছেলে।

পুনঃনির্বাচিত ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি কামরুল ইসলাম, মাসনুনস লিমিটেডের চেয়ারম্যান এবং ইসলাম আফতাব কামরুল এন্ড কোং চার্টার্ড একাউনটেন্টসের পার্টনার। কামরুল ইসলাম ১৯৫৯ সালে এক মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একাউন্টিংয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। নবনির্বাচিত ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড একাউন্টেন্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএবি) এবং ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড সেক্রেটারিজ অব বাংলাদেশ (আইসিএসবি) এর সদস্য।

 তিনি বর্তমানে জাপান-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক। তিনি সোনালী ব্যাংক লিমিটেডের পরিচালক ও জনতা ব্যাংক লিমিটেড এবং ডিসিসিআইর সাবেক পরিচালক। হাউজিং এন্ড বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউটের গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন কামরুল ইসলাম।

ডিসিসিআইর নবনির্বাচিত সহ-সভাপতি রিয়াদ হোসেন পুরান ঢাকার আরমানীটোলার এক মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবসায় প্রশাসনে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করে পারিবারিক ব্যবসায় যোগদান করেন। উচ্চ শিক্ষা শেষে তিনি তার পারিবারিক ব্যবসায় যোগ দেন। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন ব্যবসায় সম্পৃক্ত হন। রিয়াদ হোসেন বর্তমানে আরএইচ ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী, যেটি আমদানি-রপ্তানি ব্যবসার সাথে জড়িত।

 তিনি সফটওয়্যার কোম্পানি অ্যাপনোমেট্রির কো-ফাউন্ডার, যেটি মোবাইল অ্যাপস নির্মাণকারী একটি প্রতিষ্ঠান, যা বাংলাদেশের তথ্য-প্রযুক্তি খাতের উন্নয়নে ও ডিজিটাল বাংলাদেশ বির্নিমাণে অবদান রাখছে। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশে ব্যাংকিং খাতে সফটওয়্যার তৈরি, তথ্য-প্রযুক্তি খাতের পরামর্শক ও প্রশিক্ষণ প্রদান এবং বিজনেস প্রসেস আউটসোর্সিং (বিপিও) হিসেবে কাজ করে থাকে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ