ঢাকা, সোমবার 25 December 2017, ১১ পৌষ ১৪২৪, ৬ রবিউস সানি ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

তাড়াশে তীব্র শীতে কাতর অভাবী মানুষ

তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) সংবাদদাতা: বন্যার ধকল কেটে উঠতে না উঠতেই চলনবিলের বিভিন্ন এলাকায় গরীবের ঘরে শীতের হানা যেন মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তীব্র শীত জেঁকে বসায় গত রবিবার থেকে মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত সূর্যের মুখ দেখা যায়নি। দুপুরের পর একটু সূর্যের মুখ দেখা গেলেও নিরুত্তাপ সূর্য। আর বিকেল হতে না হতেই তাপমাত্রা কমতে থাকে। কুয়াশায় ডেকে যায় চারিদিক। আর সকাল হতেই চারদিকে কুয়াশায় ঢেকে যায় প্রকৃতি। এ অবস্থায় শীতের প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে। বেড়েছে শীতার্ত মানুষের দুর্ভোগ। এদিকে শীতের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পুরানো কাপড়ের দোকানগুলোতে মানুষ হুমরি খেয়ে পড়ছে। দামও বেশি নিচ্ছে দোকানদাররা। শীতের কারণে স্বাভাবিক কাজকর্ম ব্যাহত হয়েছে। মানুষের পাশাপাশি শীতের কবলে পড়েছে গবাদিপশু।
মাগুড়া বিনোদ ইউনিয়নের  চেয়ারম্যান আতিকুল ইসলাম বুলবুল বলেন, লোকজন কঠিন ঠাণ্ডার মধ্যে আছে। মানুষের অবস্থা করুণ। সরকারিভাবে কিংবা বেসরকারী  এ পযর্ন্ত কোন শীত বস্ত্র বিতরন করা হয়নি। অন্যান্য বছরে সরকারের পাশাপাশি অনেক এনজিওদের অভাবী মানুষের শীত বস্ত্র বিতরন করতে দেখা গেছে। এ বছর কোন বেসরকারী।
তাড়াশ উপজেলার হামকুড়িয়া গ্রামের মাওলানা আঃমান্নান জানান, গত চারদিন ধরে ঠাণ্ডায় মানুষ কাহিল হয়ে পড়েছে। দোকানগুলোতে গরম কাপড়ের চাহিদা বেড়ে গেছে। গরম কাপড় কিনতে অসহায় মানুষেরা ছুটছেন ফুটপাতের দোকানে। এখন পর্যন্ত সরকারি-বেসরকারিভাবে অসহায় দুস্থদের মাঝে তেমন গরম কাপড় বিতরণ করা হয়নি।
জানা গেছে, এ উপজেলায় অসহায়-দুস্থ পরিবারের সংখ্যা প্রায় ৬০ হাজার।  সরকারিভাবে  দুস্থদের  মাঝে কোন প্রকার শীত বস্ত্র বিতরন করা হয় নাই।  

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ