ঢাকা, শুক্রবার 29 December 2017, ১৫ পৌষ ১৪২৪, ১০ রবিউস সানি ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

মামলা দায়ের ॥ কারাগারে প্রেরণ খুলনায় গৃহবধূকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করলো পুলিশ কনস্টেবল

 

খুলনা অফিস ঃ খুলনা মহানগরীর খালিশপুর মুজগুন্নী পার্কে ঘুরতে আসা এক গৃহবধূকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতারকৃত পুলিশ কনস্টেবল মিরাজ উদ্দিন (৩৩) কে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। বুধবার তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে মহানগর হাকিম মো. আমিরুল ইসলাম কারাগারে প্রেরণের এ আদেশ দেন। এদিকে ধর্ষিতা গৃহবধূ (২১)’র ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে। তবে ধর্ষণের স্থান নগরীর গল্লামারীস্থ চৌধুরী আবাসিক হোটেল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে পুলিশ কোন প্রকার ব্যবস্থা না নেয়ায় জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। 

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণী থেকে জানা গেছে, গত ২০ ডিসেম্বর সাতক্ষীরার পাঁচ বছরের শিশু কন্যাকে নিয়ে স্বামীর বাড়ি থেকে খুলনায় হাসপাতাল পাড়ার মামার বাড়িতে বেড়াতে আসেন। গত ২৬ ডিসেম্বর বিকেলে তার স্বামীর বন্ধু সাতক্ষীরার দেবহাটা সখিপুরের মৃত ফেরাজতুল্লাহ গাজীর ছেলে সেলিম হোসেন (২৪)’র সাথে নগরীর মুজগুন্নী পার্কে বেড়াতে যায়। পার্ক থেকে সন্ধ্যার দিকে বের হয়ে ইজিবাইকে ওঠার সময় মোটরসাইকেলযোগে পুলিশ কনস্টেবল মিরাজ উদ্দিন (৩৩) এসে তাদের পথ রোধ করে। এরপর মোবাইল ফোনে ওই গৃহবধূ ও সেলিমের ছবি ধারণ করে তার স্বামীর কাছে পাঠানোর ভয় দেখান। এ সময় সেলিমের কাছে থাকা ২২শ’ টাকা মিরাজকে দেয়া হয়। কিন্তু মিরাজ ওই গৃহবধূকে তার মোটরসাইকেলে নিয়ে গল্লামারীর চৌধুরী আবাসিক হোটেলে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলায় ঝিনাইদহ জেলার কালিগঞ্জ আড়পাড়া আব্দুল জলিলের ছেলে পুলিশ কনস্টেবল মিরাজ উদ্দিন (৩৩) কে আসামী করা হয়েছে।

এ ঘটনার পর গৃহবধূর সঙ্গে আসা স্বামীর বন্ধু সেলিম খালিশপুর থানায় গিয়ে অভিযোগ করেন। পুলিশ হোটেল কক্ষে এসে পুলিশ কনস্টেবল মিরাজকে আটক ও গৃহবধূকে উদ্ধার করে। এ ঘটনায় ওই গৃহবধূ গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কনস্টেল মিরাজের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। বুধবার দুপুরে মিরাজকে আদালতে প্রেরণ করা হয়।  এ ব্যাপারে খালিশপুর থানার ওসি নাসিম খান জানান, মামলার তদন্ত চলছে। তদন্তকালে জড়িত আরও যদি কারও নাম উঠে আসে তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ