শুক্রবার ২১ মে ২০১০
Online Edition

বিমান বন্দরে ‘সশস্ত্র মার্শাল' মোতায়েন ভারতের আধিপত্য কায়েমের অংশ

যাত্রিবাহী বিমানের নিরাপত্তায় ‘ভারতীয় সশস্ত্র মার্শাল' নামে পরিচিত বিশেষ সামরিক বাহিনী বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে অবস্থান করতে দেয়ার সরকারি সিদ্ধান্তে গভীর উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা প্রকাশ এবং তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব এম গোলাম মোস্তফা ভূইয়া এক বিবৃতিতে বলেছেন, বিমান বন্দরে অবতরণ এবং উড্ডয়নগামী বিভিন্ন দেশের এয়ারলাইন্সকে বাংলাদেশের সরকার সকল সময়ই নিরাপত্তা দিয়ে আসছে এবং এই দায়িত্ব অবশ্যই বাংলাদেশ সরকারের। ভারতীয় এয়ারলাইন্সও এই সুযোগ সমানভাবে ও সুচারুভাবে পাচ্ছে। সে ক্ষেত্রে ভারতীয় যাত্রিবাহী বিমানের নিরাপত্তা রক্ষার নামে ভারতের সশস্ত্র স্কাইটি মোতায়েন বিমান বন্দরের উপর ভারতের আধিপত্য কায়েমের চেষ্টারই অংশ। আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার ক্ষমতায় বসেই ভারতের পদলেহন ও তাবেদারী করে চলেছে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরকালে গত ১২ জানুয়ারি দিল্লীতে সম্পাদিত হাসিনা-মনমোহন সিং যৌথ চুক্তিতে বাংলাদেশকে অধীনস্থ করা হয়েছে, বাংলাদেশের সকল স্বার্থ জলাঞ্জলী দেয়া হয়েছে। বাংলাদেশের চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দর ব্যবহার, আশুগঞ্জ দিয়ে ভারতকে ট্রানজিট ও করিডোর দেয়া এ সকল কিছুই দেশ-জাতির জন্য আত্মঘাতী। অবিলম্বে জাতীয় স্বার্থ বিরোধী এধরনের কর্মকান্ড থেকে সরকারকে বিরত থাকা উচিত। অন্যাথায় জনরোষ থেকে এ সরকার বাঁচতে পারবে না।' - প্রেস বিজ্ঞপ্তি

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ