ঢাকা, মঙ্গলবার 2 January 2018, ১৯ পৌষ ১৪২৪, ১৪ রবিউস সানি ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

এবি ব্যাংকের আরও ৬ পরিচালককে দুদকে তলব

স্টাফ রিপোর্টার : বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগে এবি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের আরও ছয়জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক। আগামী ৭ জানুয়ারি দুদকে তাদের হাজির হওয়ার নির্দেশনা দিয়ে গতকাল সোমবার ব্যাংকটির চেয়ারম্যান বরাবর নোটিস দেওয়া হয়েছে বলে জানান দুদকের উপ-পরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য। তলব করা এবি ব্যাংকের পরিচালকরা হলেন- শিশির রঞ্জন বোস, মেজবাহুল হক, ফাহিমুল হক, সৈয়দ আফজাল হাসান উদ্দিন, রুনা জাকিয়া ও মো. আনোয়ার জামিল সিদ্দিকী। এছাড়া একই অভিযোগে ব্যাংকটির গ্রাহক ব্যবসায়ী সাইফুল হককেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একইদিন তলব করা হয়েছে বলে জানান প্রণব।
এর আগে ব্যাংকটির আরও পাঁচ কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ২ জানুয়ারি তলব করে গত ২৬ ডিসেম্বর নোটিস দিয়েছিল দুদক। তারা হলেন- ব্যাংকের হেড অব করপোরেট মাহফুজ উল ইসলাম, হেড অব অফশোর ব্যাংকিং ইউনিট (ওবিইউ) মোহাম্মদ লোকমান, ওবিইউর কর্মকর্তা মো. আরিফ নেয়াজ, কোম্পানি সচিব মাহদেব সরকার সুমন ও প্রধান কার্যালয়ের কর্মকর্তা এমএন আজিম।
এর আগে অর্থ পাচারের ওই অভিযোগে গত ২৮ ডিসেম্বর ব্যাংকটির সাবেক চেয়ারম্যান এম ওয়াহিদুল হক ও সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম ফজলার রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। আর ৩১ ডিসেম্বর ব্যাংকটির সাবেক এমডি শামীম আহমেদ চৌধুরী ও ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশন অ্যান্ড ট্রেজারি শাখার প্রধান আবু হেনা মোস্তফা কামালকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদুক।
দুদকের পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন ও সহকারী পরিচালক গুলশান আনোয়ার অভিযোগটি অনুসন্ধান করছেন। দুদকের এই দুই কর্মকর্তাই তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করছেন। এদিকে অর্থ পাচারের এ ঘটনায় ব্যাংকটির ১২ জন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে দুদক।
দুর্নীতি রোধে কাজ করা সরকারি সংস্থাটি জানায়, সিঙ্গাপুর ভিত্তিক একটি অফসোর কোম্পানি খোলার নাম করে দুবাইয়ের পিজিএফ নামের একটি প্রতিষ্ঠানে ১৬৫ কোটি টাকা পাচারের অভিযোগে তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ