ঢাকা, মঙ্গলবার 2 January 2018, ১৯ পৌষ ১৪২৪, ১৪ রবিউস সানি ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

দেশের মানুষ একটি পরিবর্তন চায়

পুরাতন বছর শেষ হয়ে গতকাল নতুন ইংরেজি বছর শুরু হয়েছে। পুরাতনের ব্যর্থতা ও গ্লানি কেউ ধরে রাখতে চান না, নতুনকে নিয়েই এগিয়ে যেতে চান। আমরাও তা চাই। তবুও ব্যর্থতাকে সাফল্যের স্তম্ভে পরিণত করার জন্য অতীতের কিছু আলোচনা অপরিহার্য হয়ে পড়ে।
গত প্রায় এক দশক ধরে বাংলাদেশের রাষ্ট্র ব্যবস্থায় নীতিহীন ও অত্যন্ত নি¤œমানের শাসন পরিলক্ষিত হচ্ছে। রাজনীতি এখানে ন্যায় এবং নীতিভ্রষ্ট, শিষ্টাচার এখানে নাই বললেই চলে। যারা দেশ শাসন করছেন তারা ছলেবলে কলে-কৌশলে যেভাবে পারছেন দেশবাসীকে বোকা বানিয়ে শাসন নয় দেশকে শোষণ করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করছে অর্থবিত্ত ও পেশীশক্তি। এর মাধ্যমে ক্ষমতায় গিয়ে তারা জাতির ঘাড়ে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস চাপিয়ে দিচ্ছেন। রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের মাধ্যমে ভিন্ন মতকে দমন করা হচ্ছে। শাসনব্যবস্থা, বিচারব্যবস্থা, নির্বাচন ব্যবস্থা, নিরাপত্তা ব্যবস্থা সবকিছুই রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে, রাষ্ট্রীয় নেতাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিচারিক রায় গেলে সন্ত্রাস দিয়ে বিচারককে পদচ্যুত করা হচ্ছে, এমনকি দেশ ত্যাগেও বাধ্য করা হচ্ছে। প্রধান বিচারপতির সাম্প্রতিক ছুটি ও দেশত্যাগের ঘটনা এর প্রকৃষ্ট প্রমাণ। তাকে সরিয়ে সরকার ষোড়শ সংশোধনীর রায় বাতিল ও রিভিউর জন্য সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আবেদন করেছে। প্রধান বিচারপতিকে সরানোর আগে সরকার তার বিরুদ্ধে ১১টি সুনির্দিষ্ট দুর্নীতির অভিযোগ এনেছিলো। সরানোর পর অভিযোগগুলো গেলো কোথায়?
অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সামাজিক বৈষম্য দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধার সিংহভাগই ক্ষমতাসীন দল, তার অঙ্গসংগঠন এবং সমর্থক গোষ্ঠীর পকেটে যাচ্ছে। পার্টি ক্যাডারদের সাত খুন মাফ। আইন করে লুটপাটের জন্য বেসরকারি খাতের ব্যাংকগুলো পরিবারের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে। দৈনিক নয়া দিগন্তের জুলাই ৩১, ২০১২ তারিখের খবর অনুযায়ী সরকারের প্রথম চার বছরে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলো থেকে ৬০ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ হয়েছে। এই অর্থ সরকারদলীয় নেতা-নেত্রীদের চাপে ব্যাংকগুলো ভুয়া নামে নিয়মবহির্ভূতভাবে বিতরণ করেছিল। বেসরকারি ব্যাংকগুলো কর্তৃক বিনা জামানতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনায় ঋণ বিতরণের পরিমাণ এখানে উল্লেখ করা হয়নি যা যে কোন রকম আন্দাজ-অনুমানকে ছাড়িয়ে যেতে পারে। ব্যাংকসমূহের উদ্যোক্তা পরিচালক কর্মকর্তা-কর্মচারী সবাই মিলে সেগুলোকে ল্টুপাট সমিতিতে রূপান্তরিত করার অভিযোগও সে সময় উঠেছিল। কিন্তু সরকার তখন কোন পদক্ষেপ নেয়নি। ফল হয়েছে স্বাভাবিক। বর্তমান সরকার তার দ্বিতীয় মেয়াদের চতুর্থ বছর পার করার আগেই বিদায়ী বছরের শেষার্ধে এসে দেখা গেল দেশ থেকে প্রায় সাড়ে ছয় লাখ কোটি টাকা পাচার হয়ে গেছে। সরকারি ব্যাংকগুলোর অধিকাংশ তাদের মূলধন পর্যন্ত খেয়ে ফেলেছে এবং বেসরকারি ব্যাংকগুলো তাদের উদ্যোক্তা-পরিচালকদের লুটপাটের আখড়ায় পরিণত হয়েছে। খোদ কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে প্রায় ৬৬৪ কোটি ২০ লাখ টাকার সমপরিমাণ ডলার চুরি হয়ে গেছে। কিন্তু আজ পর্যন্ত কোন লোক চুরি, আত্মসাৎ অথবা অর্থ পাচারের ন্যায় অপরাধের জন্য শাস্তি পায়নি। দেশের অর্থ খাতের এই বিরাট বিপর্যয়ের জন্য সরকারের মধ্যেও কোন উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা পরিলক্ষিত হচ্ছে না।
শুধু অর্থ খাত নয়, বর্তমানে সম্ভবত আমাদের জাতীয় জীবনের এমন কোন খাত নেই যা ঘুষ-দুর্নীতিতে কলুষিত নয়। মনে হচ্ছে যে, ক্ষমতাসীন দলের কিছুু কিছু নেতা-কর্মী রাষ্ট্রীয় ক্ষমতাকে আয়-উপার্জনের বাহনে পরিণত করেছেন। এই বাহনকে নিষ্কণ্টক করার জন্য তারা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এবং রাষ্ট্রের প্রশাসন এবং বিচার বিভাগকে পরিকল্পিতভাবে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিয়েছেন। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা এর তীব্র নিন্দা করেছেন। একবার তো বিশ্বব্যাংক অর্থ প্রদানই বন্ধ করে দিয়েছিল।
ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপ, এমনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, ইউএস, স্টেট ডিপার্টমেন্ট মানবাধিকার সংস্থা অধিকার, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ প্রভৃতি তাদের বার্ষিক রিপোর্টে আওয়ামী লীগ সরকার কর্তৃক প্রশাসন, বিচার বিভাগ এবং নিরাপত্তা এজেন্সিসমূহকে দলীয়করণের বিস্তারিত রিপোর্ট প্রকাশ করেছে এবং বলেছে যে, এর মাধ্যমে দেশে একটি অভূতপূর্ব রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস কায়েম হয়েছে। এ সন্ত্রাস শুধু সরকারের সমালোচনাকে রুদ্ধ করছে না তা নির্বাচনী ব্যবস্থাকেও নিয়ন্ত্রণ করছে এবং ঘুষ-দুর্নীতি, চুরি-চামারি, চাঁদাবাজি অত্যাচার-ব্যভিচারকেও উৎসাহিত করছে। নিরাপত্তা এজেন্সিগুলোতে অর্থাৎ পুলিশ, আনসার, ভিডিপি, বিজিবি প্রভৃতিতে গত নয় বছরে যত নিয়োগ দেয়া হয়েছে তার নব্বই শতাংশই ক্ষমতাসীন দল ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আবার প্রতিবেশী দেশের নাগরিকদের পুলিশ বাহিনীতে নিয়োগ দেয়ার অভিযোগও উঠেছে। প্রশাসন, উন্নয়ন, আইন ও বিচার, আইন-শৃঙ্খলা প্রভৃতি সকল খাতেরই গুরুত্বপূর্ণ পদে সংখ্যাগরিষ্ঠ যোগ্য মুসলিম থাকা সত্ত্বেও অমুসলমানদের নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সম্প্রতি একটি পত্রিকা সড়ক পরিবহন খাতে মেরামত সংরক্ষণের কাজে প্রতিবেশী দেশের ঠিকাদারদের নিয়োগের অভিযোগ করেছে। আমাদের দেশের স্কুলসমূহের ছেলে-মেয়েদের বই-পুস্তক গত কয়েক বছর ধরে ভারত থেকে মুদ্রিত হয়।
আমি আইন-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বাহিনীর দলীয়করণের কথা বলছিলাম। এই দলীয়করণের মাধ্যমে ক্ষমতাসীন দল পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীকে বিরোধী দল নির্মূল ও গণতন্ত্র উচ্ছেদের কাজে ব্যবহার করছে। এদের মাধ্যমেই তারা ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির ভোটারবিহীন নির্বাচন করেছে এবং প্রতিবাদী জনগণের উপর বৃষ্টির মতো গুলী বর্ষণ করে মানুষ হত্যা করেছে, গুমের আশ্রয় নিয়েছে। তারা বিএনপি-জামায়াতসহ বিরোধী দলসমূহের লাখ লাখ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে হাজার হাজার মামলা করেছে। এই মামলার মাধ্যমে তারা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে দুর্নীতিগ্রস্ত করতেও সহায়তা করেছে। মামলা মানেই সর্বত্র ঘুষ। গ্রেফতারে ঘুষ, রিমান্ডেও ঘুষ, জেলখানায় ঘুষ। এই ঘুষের অর্থ যোগাড় করতে গিয়ে বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় রাজনৈতিক নেতা-কর্মীরা সর্বস্বান্ত হচ্ছেন। তারা বাড়িতে থাকতে পারেন না, ভবঘুরের ন্যায় আজ এখানে কাল ওখানে এভাবে রাত যাপন করেন। আদালতের প্রত্যেক দিনের হাজিরায় তাদের পয়সা গুনতে হয়।
আওয়ামী লীগ শাসনামলে বিচার বিভাগকেও কলুষিত করার অপপ্রয়াস চালানো হয়েছে। ডেইলি স্টারে ২০১১ সালের আগস্ট মাসের ৫ তারিখে প্রকাশিত এক রিপোর্ট অনুযায়ী সাবেক প্রধান বিচারপতি এবং হাইকোর্টের আরো কয়েকজন বিচারক প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ ট্রাস্ট্রের তহবিল থেকে অর্থ গ্রহণ করেছেন। এভাবে বিচার ক্রয় করে লক্ষ্য হাসিল করার অভিযোগ রয়েছে। নিম্ন আদালতের দৈনন্দিন পরিচালনার উপর অব্যাহত চাপ সৃষ্টি করে স্বাধীনভাবে তাদের রায় দেয়ার কাজকে গত নয় বছরে সাংঘাতিকভাবে খর্ব করা হয়েছে এবং ২০১৭ সালেও তা অব্যাহত ছিল। এই বছর উচ্চ আদালতের প্রধান বিচারপতির প্রতি যে আচরণ প্রদর্শন করা হয়েছে তার নজির দুনিয়াতে বিরল। বলা বাহুল্য, প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে আপিলেট ডিভিশনের একটি বেঞ্চ এই বছর সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনীকে বেআইনী ঘোষণা করে একটি রায় দেন। এই রায় অনুযায়ী কেয়ারটেকার সরকার ব্যবস্থা বাতিল করাকেও বেআইনী ঘোষণা করা হয় এবং সরকারের গণতন্ত্র ও মৌলিক অধিকার পরিপন্থী কার্যকলাপ এবং অযোগ্যতার সমালোচনা করে প্রধান বিচারপতি রায়ের সাথে দীর্ঘ একটি পর্যবেক্ষণও যুক্ত করেন যা তিনি করতে পারেন। কিন্তু সরকার তা সহ্য করতে পারেননি। এমপি থেকে শুরু করে মন্ত্রী পর্যন্ত ক্ষমতাসীন দলের গুরুত্বপূর্ণ প্রায় সকল নেতাই এই রায় ও পর্যবেক্ষণের কড়া সমালোচনা করে তা প্রত্যাখ্যান করেন। প্রধান বিচারপতিকে গালিগালাজ করা হয় এবং পর্যবেক্ষণ ও রায় প্রত্যাহার করার জন্য চাপ সৃষ্টি করা হয়। তাকে পদত্যাগ করতে বলা হয়, কিন্তু তিনি তা করেননি। তিনি ছুটিতে যেতে অস্বীকার করেন কিন্তু পরবর্তীকালে এমন এক পরিবেশ সৃষ্টি করে তাকে অস্ট্রেলিয়াতে ছুটিতে পাঠানো হয় যা ছিল সম্পূর্ণ শিষ্টাচার বহির্ভুত। অস্ট্রেলিয়া গিয়েও তিনি বলেছিলেন যে তিনি পুনরায় কাজে যোগ দিবেন যদিও সরকারের লোকেরা প্রথম থেকে বলে এসেছিল যে, তার ভাগ্যে প্রধান বিচারপতির চেয়ার আর জুটবে না। তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির ১১টি অভিযোগও আনা হয়। পরে বলা হয়েছে যে তিনি পদত্যাগ করেছেন। এটা নিশ্চিত হবার পর সরকার পর্যবেক্ষণ প্রত্যাহার রায় রিভিউ ও ষোড়শ সংশোধনী বেআইনী ঘোষণা করে দেয়া রায় প্রত্যাহারের জন্য আপীল বিভাগে আবেদন করেন। প্রধান বিচারপতির ঘটনাটি পূর্বাপর পর্যালোচনা করলে যা দেখা যায় তা দুনিয়ার ইতিহাসে বিরল। সরকার এখানে বিচার বিভাগকে বলতে চেয়েছেন যে সরকারের বিরুদ্ধে কখনো রায় দেয়ার বা কোনও পর্যবেক্ষণ দেয়ার ধৃষ্টতা তারা যেন কখনো না দেখান। হামলা মামলা জেল জুলুম, ফাঁসি দিয়ে বিরোধী দলকে ধ্বংস করে সরকার তার সকল অপকর্ম সত্ত্বেও পার পেয়ে যাচ্ছেন।
বিনা ভোটের নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার এখন বিশাল মেজরিটি নিয়ে পার্লামেন্টে আছেন। বিরোধী দলের নামে এরশাদের যে দলটি পার্লামেন্টে আছে তাও গৃহপালিত। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল জাতীয় সংসদের ৩৪৫ জন এমপির মধ্যে ১৪৯ জন এমপির কার্যক্রমের উপর একটি জরিপ চালিয়েছিল। জরিপ অনুযায়ী সংসদের শতকরা ৯৭ ভাগ এমপি মন্ত্রী প্রতিমন্ত্রীসহ নেতিবাচক কাজকর্মের সাথে জড়িত। সংসদে তাদের সদস্য পদকে তারা আয় উপার্জনের বাহন হিসাবে ব্যবহার করেন। তাদের নেতিবাচক কাজ কর্মের মধ্যে রয়েছে প্রশাসনের উপর প্রভাব বিস্তার (৮১.৮%) শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উপরে প্রভাব বিস্তার (৭৬.৯%) উন্নয়ন তহবিল তসরুফ (৭৫.৫%) ফৌজদারী অপরাধের সাথে সম্পৃক্তি (৭০.৬%) সরকারের মালামার সংগ্রহের প্রক্রিয়া (টেন্ডার) নিয়ন্ত্রণ (৬৯.২%) নির্বাচনী আইন ও বিধিবিধান উপেক্ষা (৬২.২%) জমি ম্যানেজ করা (৮.৪%) ও অন্যান্য (১৬.১%)। টিআইব এই সমস্যা বিশ্লেষণ করতে গিয়ে যা পেয়েছে তা হচ্ছে এই যে বর্তমান ক্ষমতাসীন দল দীর্ঘকাল ক্ষমতার বাইরে ছিল। এই সময়ের মধ্যে তাদের নেতা-কর্মীরা ক্ষমতা এবং সরকারী সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতে পারেনি। এখন রাজনৈতিক ক্ষমতা হাতে আসায় তা ধরে রাখা এবং ভবিষ্যতে ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য তারা মরিয়া হয়ে উঠেছে এবং রাজনীতিতে বিনিয়োগকেই তারা অধিকতর লাভজনক মনে করছে। এটা করতে গিয়ে নীতি-নৈতিকতা, গণতান্ত্রিক ও মানবিক মূল্যবোধ সবকিছুই তারা হারিয়ে ফেলেছে। সুশাসনের কোনও উপাদান এখন তাদের কাছ থেকে আশা করা দুরাশা মাত্র।
মানব সভ্যতা চলে দু’টি চাকার উপর ভর করে। এই দু’টি চাকার নাম হচ্ছে জৈবিক চাকা ও নৈতিক চাকা। এরা চলে সমান্তরালভাবে। এর কোনটাই কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। আবার জৈবিক চাকা যদি নৈতিক চাকার উপর উঠে যায় তাহলে নীতি নৈতিকতা মূল্যবোধ সব হারিয়ে যায় এবং সমাজ সভ্যতা স্থবির হয়ে পড়ে। শাসক দল তার নৈতিক চাকা এখন হারিয়ে ফেলেছে। আমরা এখন স্থবির অবস্থায় আছি। এই অবস্থার অনুকুল পরিবর্তন অপরিহার্য। ২০১৮ সাল এই পরিবর্তন বয়ে আনুক সেটাই কামনা করছি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ