ঢাকা, মঙ্গলবার 2 January 2018, ১৯ পৌষ ১৪২৪, ১৪ রবিউস সানি ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

বেলকুচি পৌরসভায় হামলা মামলা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর

বেলকুচি (সিরাজগঞ্জ) সংবাদদাতা: সিরাজগঞ্জের বেলকুচি পৌরসভায় হামলা ও মেয়র আশানুর বিশ্বাসকে লাঞ্ছনার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলাটি অবশেষে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করা হয়েছে। একই সঙ্গে বেলকুচি থানায় এ ঘটনায় আগের রেকর্ডকৃত চাঁদাবাজির মামলাটি প্রত্যাহারপূর্বক নতুন তদন্তভার বেলকুচি থানা পুলিশের পরিবর্তে সিরাজগঞ্জ ডিবি পুলিশে হস্তান্তর করা হয়েছে। সিরাজগঞ্জ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে গত ২৪ ডিসেম্বর বাদী মেয়র আশানুর বিশ্বাসের আবেদনকৃত মামলাটি দ্রুত বিচার আইনে রেকর্ড করার পর আগের মামলা প্রত্যাহার ও ডিবি পুলিশকে দিয়ে নতুন তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের আদেশ প্রদান করা হয়েছে। জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালতের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর নাসিম আবদুল হাকিম বিষয়টি মঙ্গলবার সকালে নিশ্চিত করেছেন। সিরাজগঞ্জ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে প্রেরণকৃত আদেশের কপি এরই মধ্যে বেলকুচি থানা ও ডিবি পুলিশে পৌঁছেছে বলে মঙ্গলবার সংশ্নিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। দ্রুত বিচার আইনের ধারায় রেকর্ডকৃত নতুন মামলায়ও বেলকুচি উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক সাজ্জাদুল হক রেজা, যুগ্ম আহ্বায়ক এসএম ওমর ফারুক সরকার ও জেলা ছাত্রলীগের সদ্য সাময়িক বহিষ্কৃত সহসভাপতি রিয়াদ হোসেনসহ জ্ঞাত ১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, বেলকুচি উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক সাজ্জাদুল হক রেজার নেতৃত্বে এক দল সন্ত্রাসী গত ১২ ডিসেম্বর পৌরসভায় হামলা চালায়। এ সময় ১৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে তারা। চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় মেয়রকে অন্য সদস্যদের সামনে লাঞ্ছিত করে। এ ঘটনায় ওই দিন সন্ধ্যায় দ্রুত বিচার আইনের ধারায় মেয়র বেলকুচি থানায় মামলা জমা দিলেও ওসি সাজ্জাদ হোসেন আসামিপক্ষের সঙ্গে যোগসাজশ করে মামলা রেকর্ড করতে নানা টালবাহানা শুরু করে বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করেন বাদী আশানূর বিশ্বাস।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ