ঢাকা, মঙ্গলবার 2 January 2018, ১৯ পৌষ ১৪২৪, ১৪ রবিউস সানি ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের ওসিকে প্রত্যাহার

খুলনা অফিস ঃ বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর শরীফকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। রোববার রাতেই ওমর শরীফ খুলনা ডিআইজি অফিসে যোগদান করেছেন।
বেনাপোল চেকপোস্ট পুলিশ ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) মো. মাসুম কাজী জানান, এখানে পোস্টিং দেয়া হতে পারে ইয়াসিন আরাফাত নামে একজন সহকারী পুলিশ কমিশনারকে। বুধবার বিকেলে বেনাপোল ইমিগ্রেশনের পুলিশের সঙ্গে কর্মরত কাস্টমস কর্মকর্তাদের সংষর্ষে পাঁচজন কাস্টমস কর্মকর্তা আহত হয়েছিল। আহতদের মধ্যে ছিল সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা ফরহাদ হোসেন, রাজস্ব কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম বাঙ্গালী, রাশেদুর রহমান রাশেদ, রাজস্ব কর্মকর্তা সুভাশীষ মোদক ও সিপাহী ইমরান হোসেন।
এদিকে এ ঘটনার পর দিন থেকে বেনাপোল কাস্টমস হাউসের অফিসার্স এসোসিয়েশনসহ কয়েকটি অংগসংগঠন ইমিগ্রেশনের ওসি ওমর শরীফকে প্রত্যাহার করার দাবি জানিয়ে আল্টিমেটাম দিয়ে মানববন্ধন, কালো ব্যাজ ধারণসহ বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে আসছিল।
এর আগে রোববার বেনাপোলে চেকপোস্ট আন্তর্জাতিক কাস্টমস ইমিগ্রেশনে কাস্টমস সদস্যদের মারধর ও ভবন ভাঙচুরের ঘটনায় পুলিশ কর্মকর্তাদের অপসারণের দাবিতে মুখে কালো কাপড় বেঁধে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে কাস্টম কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। বেনাপোল কাস্টমস অফিসার এসোসিয়েশনের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম বাঙালি বলেন, ‘সরকারি অফিস ভাঙচুর ও কাস্টমস অফিসারদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িত ওসি ওমর শরীফসহ ৫ জন পুলিশের অপসারণের দাবিতে রোববার সারা দেশে কাস্টসম সদস্যরা কালো ব্যাজ ধারণ, কর্মবিরতি পালন করেছে। হামলার সুষ্ঠু বিচার না হলে আরও বড় কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।’
বেনাপোল কাস্টমস অফিসার এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘কাস্টমস অফিসারদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িত পুলিশদের অপসারণ করা না হলে লাগাতার কর্মসূচি দেয়া হবে।’
উল্লেখ্য, বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট কাস্টমস-ইমিগ্রেশন ভবনে গত ২০ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় ভারত থেকে আসা দুই পাসপোর্টযাত্রীর ব্যাগ তল্লাশি করতে কাস্টম কর্মকর্তাদের বাধা দেন পুলিশ কর্মকর্তারা। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশ ও কাস্টমস কমকর্তাদের মধ্যে মারামারি ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। এতে পাঁচ কাস্টমস কর্মকর্তা-কর্মচারী আহত হন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ