ঢাকা, মঙ্গলবার 2 January 2018, ১৯ পৌষ ১৪২৪, ১৪ রবিউস সানি ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

প্লাগারিজম’র অভিযোগে কুয়েটে তিন শিক্ষকের শাস্তি

খুলনা অফিস : প্লাগারিজম’র (অন্যের লেখা চুরি করার) অভিযোগে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) তিন শিক্ষককে শাস্তি দিয়েছেন কর্তৃপক্ষ।
রোববার অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের ৫৮তম সভায় প্লাগারিজম’র সুস্পষ্ট অভিযোগে এবং প্রাথমিক তদন্তে প্রমানিত হওয়ায় এ শাস্তির সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সিন্ডিকেটে কুয়েটের মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাছুদ, সহকারী অধ্যাপক আব্দুল্লাহ-আল-বারী ও এনার্জী সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. হাসান আলীকে পরবর্তী আদেশ না দেয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল একাডেমিক, গবেষণা ও প্রশাসনিক দায়িত্ব হতে বিরত রাখার সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, সিন্ডিকেট সভায় বিষয়টি তদন্তের জন্য কুয়েটের আইআইসিটি’র পরিচালক প্রফেসর ড. বাসুদেব চন্দ্র ঘোষ, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার অব এক্সিলেন্স’র পরিচালক প্রফেসর ড. আফরোজা পারভীন ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের রেজিস্ট্রার অব কপিরাইটের সমন্বয়ে তিন সদস্যের উচ্চ পর্যায়ের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
অভিযোগে জানা গেছে, ২০০৪ সালে মিটসুবিসু মটরস্’র টেকনিক্যাল রিভিউতে (নম্বর-১৬) প্রকাশিত একটি গবেষণা প্রবন্ধের প্রায় শতভাগ হুব-হু নকল করে কুয়েটের উলে¬খিত শিক্ষকবৃন্দ ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অফ মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং (ভলিউম-২ ইস্যু-১) এবং আইসিএমআইএমই ২০১৩ এ দু’টি টেকনিক্যাল পেপার প্রকাশ করেন। ওই পেপার সমূহের বিষয়বস্তু, ফলাফলসহ অন্য লেখকের গবেষণার সাথে মিলের পরিমাণ নিরীক্ষণের জন্য প্রেরিত দেশের খ্যাতনামা চারজন গবেষক ও শিক্ষকের কাছ থেকে পৃথক পৃথকভাবে প্লাগারিজম’র সত্যতা পাওয়ার পর অভিযোগটি সিন্ডিকেটে উপস্থাপন করা হলে তিন শিক্ষক অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাছুদ, সহকারী অধ্যাপক আব্দুল্লাহ-আল-বারী ও সহকারী অধ্যাপক মো. হাসান আলীকে উল্লেখিত শাস্তি দেয়া হয়।
কুয়েটের উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আলমগীর সিন্ডিকেটের এ সিদ্ধান্ত নিশ্চিত করেছেন। তবে তিনি কোন মন্তব্য করতে চাননি। এ ব্যাপারে জানতে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাছুদের ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে একাধিকবার কল করলেও তিনি রিসিভ করেননি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ