ঢাকা, বৃহস্পতিবার 4 January 2018, ২১ পৌষ ১৪২৪, ১৬ রবিউস সানি ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

চুয়াডাঙ্গায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রার রেকর্ড মৃদু শৈত্য প্রবাহ

চুয়াডাঙ্গা সংবাদদাতা : চুয়াডাঙ্গাসহ পার্শবর্তী এলাকায় গতকাল বুধবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ আব্দুস সামাদ দৈনিক সংগ্রামকে জানান, গতকাল দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা চুয়াডাঙ্গায় ৯ দশমিক ৩ সেলসিয়াস রের্কড করা হয়। এটা ছিল চলতি শীত মওসুমে চুয়াডাঙ্গারও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। সেই সাথে মৃদু শৈত্য প্রবাহ অব্যহত আছে।
এদিকে চুয়াডাঙ্গায় শীতের তীব্রতা বাড়ার সাথে সাথে হাসপাতালগুলোতে ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত শিশু ও বৃদ্ধ রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। শীতের তীব্রতা বৃদ্ধির সাথে সাথে চুয়াডাঙ্গার হাট-বাজার ও রাস্তার ধারের পুরাতন কাপড়ের দোকানে ভিড় বেড়েছে। চুয়াডাঙ্গা জেলা শহরের রাস্তার পাশের পুরাতন জেলখানার পাশের পুরাতন কাপড়ের দোকান গুলীতে বেচা-বিক্রি বেড়েছে। শীতের তীব্রতা বাড়ায় ক্রেতারা সস্তার দোকানে ভীড় করছে। বড়বাজার পোস্ট অফিসের সামনে, রেলবাজার আলিয়া মাদরাসার অদূরে, দৌলাতদিয়াড় বাসস্ট্যান্ড এলাকাসহ গুলশানপাড়ার মধ্যেও পুরাতন কাপড়ের দোকানে ভিড় লক্ষ্য করার মতো। পুরোনো কাপড়ের দোকানেই শুধু নয়, নতুন গরম কাপড়ের দোকানেও বেড়েছে বিক্রি। পুরাতন গলি, সমবায় নিউ মার্কেট, প্রিন্স প্লাজাসহ গরম পোশাক বিক্রির বিপণী বিতানগুলোতেও ভিড় কম নয়। এছাড়াও দামুড়হুদা, দর্শনা, আলমডাঙ্গা ও জীবননগরের পুরাতন ও নতুন কাপড়ের দোকানগুলিতে মানুষের ভীড় বেড়েছে।
ভোর থেকেই অনুভূত হচ্ছে হাঁড় কাঁপানো তীব্র শীত। তবে গতকাল বুধবার সকাল থেকেই আকাশ পরিছন্ন থাকায় শীতের সকালের মিষ্টি রোদ কিছুটা হলেও জনজীবনে স্বস্তি এনে দেয়। এদিকে শীতের তীব্রতা বৃদ্ধির ফলে ঠান্ডাজনিত রোগের প্রকোপও বৃদ্ধি পাচ্ছে। হাঁচি-কাশিসহ কোল্ড ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে মানুষ। অপর দিকে শীতের কারণে সারাদিনই গরম পোশাক পরে মানুষজনকে চলাচল করতে দেখা যায়। সন্ধ্যার পর জনবহুল শহর অনেকটাই জনশূন্য হয়ে পড়ছে।
তবে তীব্র এ শীতের মধ্যে অসহায় হয়ে পড়েছে গরিব ও হতদরিদ্র ছিন্নমূল মানুষ। আর ভূপ্রকৃতিগত কারণে চুয়াডাঙ্গায় প্রতিবারের মতো এবারও তীব্র শীত অনুভূত হচ্ছে।
সিরাজগঞ্জ সংবাদদাতা : যমুনা নদীর তীরবর্তী সিরাজগঞ্জ জেলা শহরসহ পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে বিগত অর্ধসপ্তাহে শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পেয়েছে। শীত মোকাবেলায় গরম কাপড়ের অভাবে নদী তীরবর্তী ও বস্তি এলাকায় দরিদ্র মানুষের দুর্ভোগ বৃদ্ধি পেয়েছে। গত ৩ দিন যাবৎ সিরাজগঞ্জ ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে সন্ধ্যা নামার সাথে সাথে ঘনকুয়াশায় আকাশ ছেয়ে যাচ্ছে। সূর্যের আলো ঢাকা পড়ছে কুয়াশার চাদরে। এতে শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পেয়েছে। দরিদ্র মানুষ দারুন কষ্টের মধ্যে দিন পার করছেন। বাজারে হঠাৎ করে দুদিনে কম্বল ও গরম কাপড়ের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় তা শীতার্ত মানুষ, দিন মুজুর, মুট বওয়া, প্রান্তিক কৃষক, রিকশাওয়ালাদের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। ফুটপাতের দেড়শ’ টাকার কম্বল ২শ’ টাকায়, ২শ’ টাকার কম্বল আড়াইশ টাকায় তিনশ’ টাকায় এভাবে ৫০ থেকে ১শ’ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। সংগত কারণেই অসহায় মানুষেরা প্রচন্ড হাড়কাঁপা শীতে মানবেতর জীবন যাপন করছে। অভিজ্ঞ মহলের ধারণা দ্রুত শীত বস্ত্র বিতরণ জরুরী, অন্যথায় বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে।
সিরাজগঞ্জ থেকে আবদুস সামাদ : যমুনা নদীর তীরবর্তী সিরাজগঞ্জ জেলা শহরসহ পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে গত অধর্ সপ্তাহব যাবৎ শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পেয়েছে। শীত মোকাবেলায় গরম কাপড়ের অভাবে নদী তীরবর্তী ও বস্তি এলাকায় দরিদ্র মানুষের দুর্ভোগ বৃদ্ধি পেয়েছে। গত ৩ দিন যাবৎ সিরাজগঞ্জ ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে সন্ধ্যা নামার সাথে সাথে ঘনকুয়াশায় আকাশ ছেয়ে যাচ্ছে। সূর্যের আলো ঢাকা পড়ছে কুয়াশার চাদরে। এতে শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি  পেয়েছে। দরিদ্র মানুষ জন দারুন কষ্টের মধ্যে দিন পার করছেন। বাজারে হঠাৎ করে দুদিনে  কম্বল ও গরম কাপড়ের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় তা শীতে কাতর মানুষ, দিন মুজুর, মুট বওয়া, প্রান্তিক কৃষক, রিকশাওয়ালাদের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে।। বিশেষ করে ফুটপাতের  দেড়শ টাকার কম্বল ২শ টাকায়, ২শ টাকার কম্বল আড়াইশ টাকায় তিনশ টাকায় এভাবে ৫০ থেকে ১শ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। সংগত কারণে মানুষেরা প্রচন্ড হাড়কাঁপা শীতে মানবেতর জীবন যাপন করছে। অভিজ্ঞ মহলের ধারনা দ্রুত শীত বস্ত্র বিতরণ জরুরী অন্যথায় বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে বলে অনেকে ধারণা করছেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ