ঢাকা, শুক্রবার 5 January 2018, ২২ পৌষ ১৪২৪, ১৭ রবিউস সানি ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

রাজশাহীতে শৈত্যপ্রবাহের সঙ্গে প্রবল ঠান্ড ॥ মওসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা

 

 

রাজশাহী অফিস : গতকাল বৃহস্পতিবার রাজশাহীতে শৈত্যপ্রবাহের সঙ্গে প্রবল শীত নেমে আসে। গতকাল মওসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রাও ছিলো। কনকনে ঠা-ায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

গতকাল বৃহস্পতিবার ভোর ৬টার আগে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে যায় ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। এটিই এ মওসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বলে জানিয়েছে রাজশাহী আবহাওয়া অফিস। এছাড়া ভোর থেকেই রাজশাহী অঞ্চলে পড়ছে ঘন কুয়াশা। সঙ্গে যুক্ত হয়েছে হিমালয় ছুঁয়ে আসা হিমশীতল হাওয়া। এতে কাঁপছে উত্তরের এই জনপদ। রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের সূত্র জানান, রাজশাহীতে এ বছরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল বৃহস্পতিবার। এর ফলে শীতের তীব্রতা বেড়েছে। গতকাল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ১৩ ডিগ্রি  সেলসিয়াস। রাতের তাপমাত্রা আরো কমতে পারে। ফলে রাতে শীত এবং ঠা-া আরো বেশি অনুভূত হবে। আগামী এক সপ্তাহ শীতের তীব্রতা আরো বেশি থাকবে বলে আভাস পাওয়া গেছে। কারণ, তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি থেকে ৬ ডিগ্রির মধ্যে উঠানামা করার সম্ভাবনা রয়েছে। এর ফলে মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ হতে পারে। এদিকে এই পরিস্থিতিতে বিশেষে করে ভাসমান ও ছিন্নমূল মানুষদের দুর্ভোগে পড়তে হয়। সকালে পথের ধারে খড়-কুটায় আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণ করতে দেখা গেছে ছিন্নমূল মানুষদের। নিম্ন আয়ের মানুষেরা শীত নিবারণের জন্য কম দামে শীতবস্ত্র কিনতে হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন নগরীর বিভিন্ন ফুটপাতে গড়ে ওঠা ভাসমান দোকানগুলোয়। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগ জানিয়েছে, শীতজনিত রোগীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্করা বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। এদের অনেকেই ঠা-াজনিত ডাইরিয়া, শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া, হৃদরোগ নিয়ে হাসপাতালে আসছেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ