ঢাকা, শুক্রবার 5 January 2018, ২২ পৌষ ১৪২৪, ১৭ রবিউস সানি ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

শুরুটা ভলো হলেও শেষদিকে এলোমেলো ইংল্যান্ড

 

স্পোর্টস ডেস্ক : অ্যাশেজ সিরিজে চার ম্যাচ শেষেও জয় অধরা ইংলিশ শিবিরে। সবশেষ মেলবোর্ন টেস্টে সম্ভাবনাও জাগালেও স্মিথ-ওয়ার্নারের ব্যাটিং দৃঢ়তায় ড্রয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয়। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর পর প্রথম জয়ের মিশনে সিডনিতে রুট-মালান জুটিতে প্রথম দিনে ভালো অবস্থানের ইঙ্গিত দিয়ে দিনের শেষদিকে উল্টো চাপের মুখে ইংল্যান্ড। দিনটা পুরোপুরি ইংল্যান্ডের হতে পারতো। অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের খুব ঠান্ডা মাথায় সামলে যাচ্ছিলেন ইংলিশ ব্যাটসম্যানরা। সিডনিতে সিরিজের পঞ্চম ও শেষ টেস্টের প্রথম দিনে কচ্ছপ গতিতে রান তুললেও অবস্থানটা ঠিকই শক্ত করে নিয়েছিল সফরকারিরা।

শেষ রুটের দল। এক পর্যায়ে ইংল্যান্ডের সংগ্রহ ছিল ৩ উইকেটে ২২৮ রান। সেখান থেকে আর ৫ রান যোগ করতেই হারায় ২টি উইকেট। স্কোর পাঁচ উইকেটে ২৩৩। মিচেল স্টার্কের শিকার হয়ে সেঞ্চুরি মিসের আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছাড়েন ইংলিশ দলপতি জো রুট (৮৩)। আউট হওয়ার আগে দলকে প্রথম ইনিংসে লড়াকু স্কোরের ভিত গড়ে দিয়ে যান। দলীয় ৯৫ রানে তিন উইকেট হারানোর পর ডেভিড মালানের সঙ্গে তার পার্টনারশিপে আসে ১৩৩। রুটের বিদায়ের পরের ওভারেই জনি বেয়ারস্টোকে (৫) টিম পেইনের ক্যাচ বানিয়ে সাজঘরে পাঠান জস হ্যাজলউড। ৮১.৪ ওভারে শেষ হয় বৃষ্টিবিঘিœত প্রথম দিনের খেলা। 

৫৫ রানে অপরাজিত থাকেন মালান। আগের ম্যাচের ডাবল সেঞ্চুরিয়ান ওপেনার অ্যালিস্টার কুক ৩৯, মার্ক স্টোনম্যান ২৪ ও জেমস ভিঞ্চ ২৫ রান করে আউট হন। এ নিয়ে টানা ১৫০টি টেস্ট খেলার কীর্তি গড়েন কুক। একমাত্র অস্ট্রেলিয়ান কিংবদন্তি অ্যালান বোর্ডার (১৫৩) একটানা এর চেয়ে বেশি টেস্ট খেলেছেন। দু’টি করে উইকেট লাভ করেন প্যাট কামিন্স ও হ্যাজলউড। অন্যটি ইনজুরি কাটিয়ে এক ম্যাচের বিরতিতে ফেরা স্টার্কের। টানা তিন টেস্ট জিতে আগেই অ্যাশেজ ট্রফি পুনরুদ্ধার করে অজিরা। এবার ঘরের মাঠে জয় দিয়ে শেষ করতে চোখ রাখছে স্টিভেন স্মিথের দল। অন্যদিকে, কাক্সিক্ষত জয়ের দেখা পেতে মরিয়া সফরকারীরা।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ