ঢাকা, সোমবার 24 September 2018, ৯ আশ্বিন ১৪২৫, ১৩ মহররম ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে দেশ

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক: কনকনে ঠান্ডা, শৈত্য প্রবাহ ও ঘন কুয়াশায় সারাদেশে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। উত্তরের জেলা কুড়িগ্রামে ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে তাপমাত্রা উঠা নামা করছে। কষ্টে দিন যাপন করছে নিন্ম আয়ের শ্রমজীবী মানুষ।

আবহাওয়া অফিস বলেছে, পুরো মাস জুড়েই শীত শীত আবহাওয়া থাকবে। তবে এই শীতের মধ্যেই তাপমাত্রা কখনো বাড়বে, কখনো কমবে।

আজ শুক্রবার দেশে সবচেয়ে কম তাপমাত্রা ছিল যশোরে ৭.২, আর তুলনামূলক সবচেয়ে বেশি ঢাকাতে ১১.৯। কিছুটা উঠানামার মধ্যে দিয়ে আগামী আরো ৪-৫ দিন এইরকম আবহাওয়া থাকবে।

কুড়িগ্রামে শৈত্য প্রবাহে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। কনকনে হাড় কাঁপানো ঠাণ্ডায় নিতান্ত প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘর থেকে বের হচ্ছেন না।

দুপুর পর্যন্ত পুরো জনপদ ঘন কুয়াশায় ঢেকে থাকছে। দিনের বেশির ভাগ সময় সূর্যের দেখা মেলে না। শীতজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে শিশু ও বৃদ্ধরা।

ঘন কুয়াশা আর কনকনে ঠাণ্ডায় লালমনিরহাটের মানুষের জীবন স্থবির হয়ে পড়েছে। গত দু’দিন সূর্যের দেখা মেলেনি। শীত বেশি হওয়ায় শীতবস্ত্রে দামও বেশ চড়া। নিন্ম আয়ের মানুষ এসব কিনতে পারছে না।

প্রায় একই অবস্থা উত্তরের অন্যজেলাগুলোতে। শীতের প্রভাব পড়েছে দেশের অন্যান্য জেলাতেও। মাঠে কাজ করা তো দূরের কথা, দুপুরেও কুয়াশার চাদরে ঢাকা থাকছে রাস্তাঘাট। হেড লাইট জ্বালিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে যানবাহন।

শীতবস্ত্র কেনার সামর্থ্যহীন মানুষ সরকারি-বেসরকারি সাহায্যের অপেক্ষায় আছে। এখন পর্যন্ত সরকারি কিংবা বেসরকারি উদ্যোগে শীতবস্ত্র না পাওয়ার কথা জানালেন এলাকাবাসী।

মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গায় বৃহস্পতিবার তাপমাত্রা ৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসেনেমে এসেছে। তীব্র শীতে সব চাইতে বেশি বিপাকে পড়েছে ছিন্নমূল ও খেটে খাওয়া মানুষ। ঠাণ্ডা ও ঘন কুয়াশায় কাজে যেতে না পারায় তাদের আয় আরো কমে গেছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ