ঢাকা, শনিবার 6 January 2018, ২৩ পৌষ ১৪২৪, ১৮ রবিউস সানি ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

সরকার আবারও একতরফা নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করার দিবাস্বপ্নে বিভোর

৫ জানুয়ারি গণতন্ত্র হত্যাদিবস উপলক্ষে গতকাল শুক্রবার রাজধানীতে জামায়াতে ইসলামীর বিক্ষোভ মিছিল (১) ঢাকা মহানগরী উত্তর (২) ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ -সংগ্রাম

স্টাফ রিপোর্টার : ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ উপলক্ষে গতকাল শুক্রবার রাজধানীসহ সারাদেশেই বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। রাজধানীতে অনুষ্ঠিত সমাবেশে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারি সেক্রেটারি লস্কর মোহাম্মদ তসলিম বলেছেন, ৫ জানুয়ারির একতরফা ও প্রহসনের নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের গণতন্ত্র, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও আইনের শাসনকে কলঙ্কিত করা হয়ছে। সরকার আবারও একতরফা নির্বাচনের মাধ্যমে নিজেদের ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করার দিবাস্বপ্নে বিভোর। কিন্তু দেশপ্রেমী জনতা সরকারের সে ষড়যন্ত্র কখনোই বাস্তবায়িত হতে দেবে না। তিনি জনমত ও সংবিধানের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে অবিলম্বে অবৈধ সংসদ ভেঙ্গে দিয়ে দলনিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নতুন নির্বাচনের জোর দাবি জানান।
গতকাল শুক্রবার রাজধানীতে কেন্দ্র ঘোষিত ৫ জানুয়ারি ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ উপলক্ষে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তর আয়োজিত এক বিক্ষোভ পরবর্তী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। বিক্ষোভ মিছিলটি মিরপুর ১০নং গোলচত্বর থেকে শুরু হয়ে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে বেনারসী পল্লীর সামনে গিয়ে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন, ঢাকা মহানগরী উত্তরের মজলিশে শুরা সদস্য মুকুল পাটোয়ারী, মো. জোবায়ের, শাহ আলম তুহিন, মিজানুল হক, মো. নাসির উদ্দীন, আশরাফুল আলম, আলাউদ্দীন মোল্লা, আব্দুস সাকী, মোস্তাফিজুর রহমান ও ডা. শফিউর রহমান, ছাত্র শিবিরের ঢাকা মহানগরী পশ্চিমের সভাপতি আব্দুল আলীম, সেক্রেটারি জোবায়ের, প্রাইভেট বিশ^বিদ্যালয় শাখার সেক্রেটারি আবু নাহিদ, পরিকল্পনা ও সাহিত্য সম্মাদক মাসুদুর রহমান ও বায়তুলমাল সম্পাদক আব্দুজ জাওয়াদ প্রমুখ।
লস্কর তসলিম বলেন, আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় এসেছে তখনই গণতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে তারা দেশের সকল রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ ঘোষণা করে একদলীয় বাকশালী শাসন কায়েম করেছিল। তারা ২০০৮ সালে ষড়যন্ত্রের নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসে দেশের গণতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংস দিয়েছে। নির্বাচন কমিশনকে দলীয় আজ্ঞাবাহী প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা হয়েছে। তারা ৫ জানুয়ারির তামাশা ও ভাঁওতাবাজীর নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসে গণতন্ত্রকে নির্মম ও নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করেছে। গণরায়ের মাধ্যমে নিয়মতান্ত্রিক পন্থায় সরকার পরিবর্তনের সকল পথ রুদ্ধ করে দেয়া হয়েছে। তারা আইনের শাসন, ন্যায় বিচার, মানবাধিকার হরণ করে গোটা দেশকে ফ্যাসীবাদী ও স্বৈরতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত করেছে। তাই ব্যর্থ ও অগণতান্ত্রিক শক্তির হাত থেকে দেশকে বাঁচাতে হলে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্যের কোন বিকল্প নেই।
তিনি বলেন, মূলত ৫ জানুয়ারি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রতিদ্বন্দ্বি ছিল না। ১৫৪ সংসদীয় আসনে সরকার দলীয় প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার ঘটনা ছিল বিশ্ব ইতিহাসে নজীরবিহীন। কিন্তু অবশিষ্ট আসনে একদলীয় নির্বাচনও সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হতে দেয়া হয়নি। সারাদেশে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল ৫ শতাংশেরও কম। রাজধানীর ২৯টি কেন্দ্রে কোন ভোটারকে ভোট দিতে দেখা যায়নি। কিন্তু আওয়ামী লীগের আজ্ঞাবাহী নির্বাচন কমিশন ভোট ডাকাতির মাধ্যমে প্রায় ৪০ শতাংশ ভোটার উপস্থিতি দেখিয়েছে। প্রহসনের এই নির্বাচনে জাল ভোট প্রদান, গণহারে সিল মারা ও ব্যালট বাক্স ছিনতাইয়ের ঘটনাও ঘটেছে। তাই কথিত এই নির্বাচন যেমন জাতীয়ভাবে প্রত্যাখাত হয়েছে ঠিক তেমনি আন্তর্জাতিক মহলেও তা গ্রহণযোগ্যতা পায়নি। কিন্তু সরকার পেশীশক্তির জোরে ক্ষমতায় থেকে জনগণের ওপর দলন-পীড়ন চালাচ্ছে। কিন্তু এসব করে অতীতে কোন অগণতান্ত্রিক শক্তির শেষ রক্ষা হয়নি, আর আওয়ামী লীগেরও হবে না।
বাড্ডায় বিক্ষোভ মিছিল: জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মসলিশে শুরা সদস্য নাজিম উদ্দিন মোল্লা বলেছেন, সরকার ৫ জানুয়ারি নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের গণতন্ত্রকে গলাটিপে হত্যা করেছে। জনগণ বিতর্কিত ও কলঙ্কিত নির্বাচন ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে। তাই এই অবৈধ ও গণবিরোধী সরকারকে আর সময় দেয়ার সুযোগ নেই। তিনি সরকারকে জনগণের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা না করে অবিলম্বে পদত্যাগ ও কেয়ারটেকার সরকারের অধীনে নতুন নির্বাচন দেয়ার জোর দাবি জানান। অন্যথায় সরকারকে গণরোষের মুখোমুখী হতে হবে।
জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তর আয়োজিত এক বিক্ষোভ পরবর্তী সমাবেশে তিনি একথা বলেন। বিক্ষোভ মিছিলটি উত্তর বাড্ডা বাজার থেকে শুরু হয়ে নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে হুসাইন মার্কেট সংলগ্ন স্বাধীনতা সরণিতে গিয়ে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগরীর মজলিশে শুরা সদস্য ডা. ফখরুদ্দীন মানিক, হোসাইন আহমদ, মাওলানা মুহিব্বুল্লাহ, ইব্রাহিম খলিল ও মহবুবুর রহমান, জামায়াত নেতা কুতুব উদ্দীন ও আতাউর রহমান সরকার প্রমুখ।
নাজিম উদ্দীন মোল্লা বলেন, সরকার ক্ষমতা হারানোর ভয়ে এখন জনগণের উপর জুলুম-নির্যাতন চালাচ্ছে। তারা জনগণের নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত পুলিশ বাহিনী ও দলীয় সন্ত্রাসীদের বিরোধী দল দমনের কাজে নিয়োজিত করেছে। তারা সভা-সমাবেশে বাধা ও নিষেধাজ্ঞা জারি করে জনগণের গণতান্ত্রিক সাংবিধানিক অধিকার ক্ষুণœ করছে। দেশে হত্যা, সন্ত্রাস, নৈরাজ্য, ধর্ষণ, অপহরণ, লুটপাট, চাঁদাবাজী, টেন্ডারবাজী, বিচারবহির্ভূত হত্যাকান্ড ও গুপ্তহত্যার মহোৎসব চলছে। মূলত এসব জনগণের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার শামিল। তিনি জুলুমবাজ সরকারের পতনের লক্ষ্যে সকলকে রাজপথে নেমে আসার আহবান জানান।
নারায়ণগঞ্জ সংবাদদাতা: নারায়ণগঞ্জ মহানগর ও জেলা জামায়াতে ইসলামী পৃথক বিক্ষোভ মিছিল করেছে। সকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সোনারগাঁও এর মদনপুর বিক্ষোভ মিছিল বের করে জেলা শাখা। মিছিলটি কেউঢালা প্রদক্ষিণ করে পথ সভায় মিলিত হয়। অপরদিকে মহানগর বিক্ষোভ মিছিল বের করে সকাল ১০টায়। মিছিলটি শহরের ডিআইটি থেকে বের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে মিছিলটি জিমখানা গিয়ে পথ সভায় মিলিত হয়। তবে এসময় অপ্রতিকর কোন ঘটনা ঘটেনি।
ঢাকা জেলা উত্তর : জামায়াতে ইসলামী ঢাকা জেলা উত্তর সকাল ৮টায় সাভারে জেলা জামায়াতের রাজনৈতিক সেক্রেটারি এড. সহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল করে। বিক্ষোভ মিছিলে আরো উপস্থিত ছিলেন ধামরাই দক্ষিন থানা আমীর, ধামরাই পৌরসভার আমীর, সাভার পৌরসভার জামায়াত নেতা তাহসিন আহমেদ প্রমুখ।
ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ: “গণতন্ত্র হত্যা দিবস” পালন এবং অবিলম্বে এই অবৈধ ক্ষমতাসীন সরকারের সংসদ ভেঙ্গে দেয়ার দাবিতে রাজধানীতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ জামায়াতে ইসলামী। ঢাকা মহানগরী কর্মপরিষদ সদস্য কামাল হোসাইনের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিলটি গতকাল শুক্রবার সকাল ১১টায় মালিবাগ মৌচাক মার্কেট এর সামনে থেকে শুরু হয়ে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
কামাল হোসাইন বলেন, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারী ভোটারবিহীন কথিত প্রহসনের নির্বাচনের নামে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে আওয়ামীলীগ গণতন্ত্রকে গলাটিপে হত্যা করেছে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ৫ জানুয়ারী একটি কালো দিবস হিসেবে যুক্ত হয়েছে। অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে আওয়ামী সরকার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে নির্মূল করতে বিচারের নামে হত্যা, খুন, গুম, হামলা-মামলা চালিয়ে দেশে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। মানুষের বাকস্বাধীনতা, রাজনৈতিক দলের মিছিল-সমাবেশ করার অধিকার সবই বাকশালী কালো থাবায় আজ ধ্বংস। কোন ষড়যন্ত্রই মুক্তিকামী জনতার আন্দোলনকে দমিয়ে রাখতে পারবে না। সময়ের ব্যবধানে সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে যে কোন মূল্যে দেশপ্রেমিক জনতা অবরুদ্ধ গণতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার করবেই।
বিক্ষোভ মিছিল সমাবেশে আরো উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক নুর নবী মানিক, মহানগরী মজলিসে শূরা সদস্য আমিনুর রহমান, মতিউর রহমান, মোহাম্মদ আল আমিন, মহিব্বুল্লাহ ফরিদ, মাহবুবুর রহমান, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের ঢাকা মহানগরী পূর্ব সভাপতি সোহেল রানা মিঠু, ঢাকা কলেজ সভাপতি মেহেদি হাসান সানি, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ সেক্রেটারী মু. মাসুম তারিক, জামায়াত নেতা মুতাসিম বিল্লাহ, আব্দুস সাত্তার সুমন, আহসান হাবিব, ছাত্রনেতা আব্দুল্লাহ আল মারুফ, সাইয়েদ মু. জুবায়ের সহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
চট্টগ্রাম : ৫ জানুয়ারি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্র ঘোষিত বিক্ষোভ দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগরী জামায়াতের উদ্যোগে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে নেতৃবৃন্দ বলেছেন, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারী বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি কলঙ্কজনক দিন। এ দেশে এদিনে জাতীয় সংসদে ১৫৩ আসনে বিণা ভোটে নির্বাচিত ঘোষণা করা সম্পূর্ণ অবৈধ। সংসদীয় গণতন্ত্রে এটা গণতন্ত্র হত্যা করার শামিল।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এ রকম ঘটনা বিশ্বাসযোগ্য নয়। ২০১৪ সালের নির্বাচনে ৪৭টি ভোট কেন্দ্র কোন ভোট পড়েনি। কোন ভোটার উপস্থিত হয়নি। মাধ্যমে প্রমাণিত হয় এদেশে গণতন্ত্র হত্যা করেছে আওয়ামীলীগ।
নেতৃবৃন্দ বলেন, ভোটাধিকার হরণকারী অবৈধ সরকারকে জনগণ আর ক্ষমতায় দেখতে চায় না। নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে জনগণের ভোটাধিকার আদায় নিশ্চিত করার জন্য সকল দলের অংশগ্রহণ এবং অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য সহায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে হবে। চট্টগ্রাম মহানগরী জামায়াতের উদ্যোগে আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশে নেতৃবৃন্দ উপরোক্ত কথা বরেন।
চট্টগ্রাম মহানগরী জামায়াতের মজলিসে শূরার সদস্য আবু জাওয়াদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিক্ষেভ সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে জামায়াত নেতা মাহবুবুল হাসান, ইবনে হোসাইন, এম.এ কাদের প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
জামালপুর : ৫ জানুয়ারি গণতন্ত্র হত্যা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলা জামায়াতের উদ্যোগে সকাল ১০টায় গুঠাইল বাজারে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় । 
উক্ত অনুষ্ঠানে ইসলামপুর উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওঃ লিয়াকত আলীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যণি ফেডারেশন জামালপুর জেরা শাখার সভাপতি মির্জা আব্দুল মাজেদ। বক্তব্য রাখেন, জামায়াত নেতা মাওলানা সাইদবিন আকবর, অদ্যাপক খলিলুর রহমান, উপজেলা সেক্রেটারী মাওলানা আমজাদ হোসেন প্রমুখ।
এদিকে জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে গণতন্ত্র হত্যা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে সরিষাবাড়ী উপজেলা জামায়াতের উদ্যোগে সকাল ৯টায় আরামনগর বাজারে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় ।
উক্ত অনুষ্ঠানে উপজেলা জামায়াতের আমীর ইঞ্জিনিয়ার মাসুদুর রহমানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, জামায়াতের জেলা সেক্রেটারি মাওলানা মো. নুরুল হক জামালী, জামায়াত নেতা অধ্যাপক লিয়াকত আলী, পৌর সেক্রেটারি শামীম হোসেন প্রমুখ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ