ঢাকা, শুক্রবার 12 January 2018, ২৯ পৌষ ১৪২৪, ২৪ রবিউস সানি ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

কমেনি শীতের তীব্রতা নাকাল জনজীবন

গাইবান্ধা সংবাদদাতা:  শীতের তীব্রতা কমেনি। যার কারনে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার জনজীবন নাকাল  হয়ে পড়েছে। অসহনীয় ঠান্ডায় তিস্তার চরের অসহায় পরিবারগুলো কাবু হয়ে পড়েছে। শীত বস্ত্রের অভাবে ছিন্নমূল পরিবারগুলো অত্যন্ত মানবেতর জীবন যাপন করছে। 

গত এক সপ্তাহ হতে হঠাৎ করে জেঁকে বসে ঘন কুয়াশা,কন কনে ঠান্ডা এবং শৈত্য প্রবাহ। অচল হয়ে পড়ে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। সারাদিন পযন্ত কুয়াশার চাদরে সূর্য্য ঢাকা থাকায় কর্মজীবি এবং শ্রর্মজীবিরা কর্মস্থলে যেতে  পারছে না। স্কুল ও কলেজে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নেই বললে চলে। উপজেলা শহর এবং বিভিন্ন হাট বাজারের ব্যবসায়ীরা দোকানের সামনে আগুন জ্বালিয়ে ঠান্ডা নিবারন করছেন।পুরাতন এবং নতুন গরম কাপড়ের দোকান গুলোতে দেখা গেছে উফছে পড়া ভীড়। ঠান্ডার কারনে নানাবিধ রোগব্যাধির প্রার্দুভাব দেখা দিয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শীত জনিত রোগির ভীড় লক্ষ করা গেছে। 

উপজেলার তারাপুর, বেলকা, হরিপুর, চ-ীপুর, শ্রীপুর ও কাপাসিয়া ইউনিয়নের উপর দিয়ে প্রবাহিত তিস্তার চরাঞ্চলের অসহায় পরিবারগুলো নিদারুণ কষ্টে দিনাতিপাত করছে। বিভিন্ন এলাকা ঘুরে ফিরে এবং খোঁজ-খবর নিয়ে জানা গেছে চরাঞ্চলের জমি-জিরাত খুঁয়ে যাওয়া পরিবারগুলো গরম কাপড়ের অভাবে খঁড় কুটো জ্বালিয়ে এমনকি চট গায়ে দিয়ে ঠান্ডা নিবারন  করছে। বিশেষ করে বৃদ্ধ-বৃদ্ধা,শিশু এবং প্রসুতি মারা অনেক কষ্ঠে রয়েছে। পাশাপাশি গৃহপালিত পশু-পাখি নিয়ে বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা। 

অপরদিকে ঘন কুয়াশার কারনে যানবাহন চলাচল ঝুকিপুর্ণ হয়ে পড়েছে। যার কারনে প্রতিনিয়ত ঘটছে সড়ক দূর্ঘটনা। অবৈধভাবে পরিচালিত নছিমন, করিমন, ভটভটি এবং ব্যাটারি চালিত আটোবাইক অত্যন্ত ঝুকি নিয়ে চলাচল করছে। কাপাসিয়া ইউপি চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন জানান, তার ইউনিয়নে ছিন্নমূল পরিবারের সংখ্য ১০ হাজার।  শীতবস্ত্রের অভাবে পরিবারগুলো অতিকষ্টে দিনাতিপাত করছে। এখন পযন্ত তার ইউনিয়নে সরকারিভাবে ৫০০ পিচ শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে।

 উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নুরুন্নবী সরকার  জানান সবে মাত্র শীত দেখা দিয়েছে। ইতিমধ্যে ১৫টি ইউনিয়ন এবং একটি পৌরসভায় ৯ হাজার শীতবস্ত্র বিতরন করা হয়েছে। নতুন করে চাহিদা পাঠানো হয়েছে বরাদ্দ পেলে বিতরন করা হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ