ঢাকা, শনিবার 13 January 2018, ৩০ পৌষ ১৪২৪, ২৫ রবিউস সানি ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

শুল্ক গোয়েন্দা দেশকে অপূরণীয় ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে পারে ---এনবিআর

স্টাফ রিপোর্টার: শুল্ক গোয়েন্দারা ভালো কাজ করলে দেশ অপূরণীয় ক্ষতি থেকে রক্ষা পাবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নতুন চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া। শুল্ক গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের সাহসিকতা ও সততার সাথে চোরাচালান ও শুল্ক ফাঁকিবাজদের বিরুদ্ধে চলমান কার্যক্রম জোরদার করার আহ্বান জানান তিনি।

গত বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর আইডিইবি ভবনে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর পরিদর্শন শেষে সম্মেলন কক্ষে তিনি এসব কথা বলেন। এই সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের শুল্ক ও ভ্যাট প্রশাসনের সদস্য মো. রেজাউল হাসান। শুল্ক গোয়েন্দা অধিদপ্তরের কার্যক্রমসহ অন্যান্য বিষয়ে একটি পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন এই দপ্তরের মহাপরিচালক ড. মইনুল খান।

উপস্থাপনায় শুল্ক গোয়েন্দার সাম্প্রতিক সাফল্যের পরিসংখ্যান চিত্র তুলে ধরা হয়। গত কয়েক বছরে শুল্ক গোয়েন্দার কর্মতৎপরতার সচিত্র বর্ণনা বিশদভাবে উল্লেখ করা হয়।

২০১৭ সালে স্বর্ণ, মুদ্রা, মাদক, সিগারেট, অস্ত্র, বিলাসবহুল গাড়ি আটকের রেকর্ড অত্যন্ত দৃশ্যমান ছিল। বন্ড সুবিধার অপব্যবহার রোধে আরও কঠোর হতে তৎপরতা বৃদ্ধি করার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়। উপস্থাপনার পরে শুল্ক গোয়েন্দার কার্যক্রমের উপরে নির্মিত ‘গোয়েন্দার চোখ’ শিরোনামের একটি ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়।

নতুন চেয়ারম্যান আরও বলেন, শুল্ক গোয়েন্দারা ভালো কাজ করলে দেশ অপূরণীয় ক্ষতি থেকে রক্ষা পাবে। তিনি ভালো কাজের উপযুক্ত স্বীকৃতি দেবেন বলেও আশ্বাস দেন।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে শুল্ক গোয়েন্দা কর্তৃক পরিচালিত বেশ কয়েকটি চাঞ্চল্যকর অভিযানের বিবরণ শুনে তিনি ভবিষ্যতে এ ধরনের বড় কোনো অভিযান পরিচালনার সময় নিজেই উপস্থিত থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, শুল্ক গোয়েন্দারা সীমিত সুযোগ সুবিধা নিয়ে কাজ করছে। এই দপ্তরের জনবল বৃদ্ধি, রেশনিং ও ঝুঁকি ভাতাসহ অন্যান্য চাহিদার বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনায় নিয়ে তিনি এগুলো সমাধানের ব্যাপারে সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলের সাথে আলোচনা করবেন বলেও জানান।

 চেয়ারম্যান তার বক্তব্যে সবাইকে নিজ পেশার প্রতি সম্মান প্রদর্শনপূর্বক নিজ অবস্থানে সন্তুষ্ট থাকার আহ্বান জানান। এছাড়াও তিনি সব বিষয় যথাযথ কর্তৃপক্ষের নজরে আনার ব্যাপারেও গুরুত্ব প্রদান করেন।

টিমওয়ার্ক এবং পারস্পারিক শ্রদ্ধা-ভক্তির মাধ্যমেই কোনো একটি দপ্তর সাফল্যের স্বর্ণচূড়ায় আরোহন করতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি শুল্ক গোয়েন্দাকে অন্যান্য সংস্থার সাথে সমন্বয় রেখে কাজ করতেও পরামর্শ দেন। সভা শেষে সাম্প্রতিক কর্মকা-েরজন্য তিনি এই দপ্তরের সব পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ধন্যবাদ জানান এবং তাদের চলমান কর্মতৎপরতা অব্যাহত রাখার নির্দেশনা প্রদান করেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ