ঢাকা, শনিবার 13 January 2018, ৩০ পৌষ ১৪২৪, ২৫ রবিউস সানি ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

বাঁশখালীতে মুলার বাম্পার ফলন ন্যায্য দাম পেয়ে খুশি চাষিরা

বাঁশখালী (চট্টগ্রাম): চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় প্রতিবারের মত এবারও প্রচুর পরিমাণে মুলা উৎপাদন হলেও অতিবৃষ্টিসহ নানা কারণে সবজির দাম প্রথমে বেশি থাকলেও এখন সবজির দাম কমতে শুরু করেছে।
বাঁশখালী উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানাযায়, উপজেলায় এখনও পর্যন্ত বাঁশখালীর সবজির ক্ষেতে ৪৫০ হেক্টর নানা ধরনের সবজি রয়েছে। মুলা, বররটি, ঝিঙ্গা, সিম, কাকরোল, করলা, পেঁপে থেকে শুরু করে নানান ধরনের সবজি। প্রতিটি সবজির কেজি ৩০-৪০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। তার উপর অনেক ক্ষেত্রে সতেজ সবজি পাওয়া যায় না। বাঁশখালী উপজেলায় বর্তমানে ১২০ হেক্টর জমিতে মুলা চাষ হয়েছে বলে উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়।
বিশেষ করে বাঁশখালীর পাহাড়ী এলাকায় ফলন হয়েছে বেশি। পৌরসভার মিয়ার বাজার, শীলকুপের টাইম বাজার, চাম্বল বাজার, পুঁইচড়ি প্রেমবাজার, কালীপুরের সদর আমিন হাট, বৈলছড়ি কেবি বাজার, পুকুরিয়ার চৌমহনী বাজারসহ প্রতিদিন সকালে বসে মুলার পাইকারি বাজার। এখানে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীরা এসে মুলা কিনে নিয়ে চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানে খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে দামে বিক্রি করে থাকে। তবে বাজারে মুলা প্রথমে দাম বেশি থাকলেও এখন দাম কমে গেছে।
বাঁশখালী উপজেলার কালীপুর, বৈলছড়ি, পুকুরিয়া, চাম্বল, পুঁইছড়ি, পৌরসদরসহ প্রভৃতি স্থানে প্রচুর পরিমাণে মুলা উৎপাদন হয়। উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বেশ কয়েকজন মুলা চাষিরা জানান, তারা উপজেলা কৃষি অফিসের পরামর্শে আধুনিক পদ্ধতিতে মুলা চাষ করেছে। যার ফলন হয়েছে অনেক এবং দাম পেয়েছেন ভালো।
বাজারে তারা প্রতিবার মুলা প্রথমে হাজার দেড়েক থাকলেও এখন তেমন দাম নেই। বাঁশখালী উপজেলায় মুলার বাম্পার ফলনের ব্যাপারে যানতে চাইলে উপজেলার কৃষি অফিসার মোঃ শহিদুল ইসলাম জানান, বাঁশখালী উপজেলায় বর্তমানে ১২০ হেক্টর জমিতে মুলার চাষ হয়েছে। যাহা অধিকাংশ পাহাড়ি এলাকায়। মুলার বাম্পার ফলনে চাষিরা তাদের ন্যায্যমূল্য পেয়ে খুশি হলেও বিগত দিনে কয়েক দফায় বন্যার ফলে চাষিরা নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ