ঢাকা, রোববার 14 January 2018, ১ মাঘ ১৪২৪, ২৬ রবিউস সানি ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

বাংলাদেশ যুব গেমস বিভাগীয় পর্যায়ে সম্পন্ন

স্পোর্টস রিপোর্টার : বিভাগীয় পর্যায়ের বাংলাদেশ যুব গেমসের শেষ দিনে আলো ছড়িয়েছেন কুড়িগ্রামের নেহা রানী সরকার। রংপুর বিভাগে কুড়িগ্রামের মেয়ে নেহা ১০০ মিটারের পাশাপাশি মেয়েদের ২০০ মিটার স্প্রিন্টেও সেরা হয়েছেন। বিভাগীয় পর্যায়ের শেষদিনে রাজশাহী বিভাগে শনিবার চাপাইনবাবগঞ্জের পুল মাতিয়েছেন  বগুড়ার জলকন্যা রোকেয়া আক্তার, রাশেদা খাতুন ও পাবনার সজীব হোসেন। ৭টি ইভেন্টের মাঝে ৩টি করে ইভেন্টেই প্রথম হন এ দুই তরুণী ও এক তরুন। তরুণদের ১০০ ও ২০০ মিটার ফ্রি স্টাইলে কুস্টিয়ার আশিক শেখ ০১.০৬.০৩ সেকেন্ড ও ২.২৬.০৪ সেকেন্ডে প্রথম হন। এছাড়া ৫০ মিটার ফ্রি স্টাইলে কুষ্টিয়ার আল আমিন ২৯.২৮ সেকেন্ডে, ৫০ মিটার ব্যাক স্ট্রোকে কুষ্টিয়ার আনোয়ার ৩৪.১৯ সেকেন্ডে, ১০০ মিটার ব্যাক স্ট্রোকে কুস্টিয়ার আল আমিন ১.১৩.০৩ সেকেন্ডে, ৫০ মিটার ব্রেস্ট স্ট্রোকে বাগেরহাটের সুমন খান ৩৫.০৬ সেকেন্ডে ও ১০০ মিটার ব্রেস্ট স্ট্রোকে কুষ্টিয়ার সোহান আলী ১.২১.০৯ সেকেন্ড সময় নিয়ে প্রথম হন। তরুণীদের ৫০ ও ১০০ মিটার ফ্রি স্টাইলে ঝিনাইদহের ছুমা খাতুন ৩৩.৭২ সেকেন্ড ও ১.১১.৩১ সেকেন্ড সময় নিযে প্রথম হন। কুষ্টিয়ার রুপা খাতুনও কম যাননি। ৫০ ও ১০০ মিটার ব্যাক স্ট্রোকে তিনি ১.২৭.০৫ সেকেন্ড ও ১.২৭.০৫ সেকেন্ডে প্রথম হন। 

রাজশাহী বিভাগে চাপাইনবাবগঞ্জ ভেনুতে সাঁতার প্রতিযোগিতায় বগুড়া জেলার সাঁতারুরা ৯টি ক্যাটাগরিতে প্রথম ও ৩টি ক্যাটাগরিতে দ্বিতীয় সহ সর্বমোট ৩৩ পয়েন্ট অর্জন করে দলগত চ্যাম্পিয়ন হয়। চাপাইনবাবগঞ্জ সাঁতার দল দুটিতে প্রথম ও ১০টিতে দ্বিতীয় হয়ে মোট ২৬ পয়েন্ট পেয়ে দলগত রানার্স আপ হয়। বিভাগীয় পর্যায়ের শেষদিনে রাজশাহী বিভাগে শনিবার চাপাইনবাবগঞ্জের পুল মাতিয়েছেন  বগুড়ার জলকন্যা রোকেয়া আক্তার, রাশেদা খাতুন ও পাবনার সজীব হোসেন। ৭টি ইভেন্টের মাঝে ৩টি করে ইভেন্টেই প্রথম হন এ দুই তরুনী ও এক তরুন। শুধু ৫০ মিটার ফ্রি স্টাইলে চাপাইয়ের পিনকি পর্না নিয়োগী ০:৩৮.৫৯ সেকেন্ডে প্রথম হন। এছাড়া ১০০ ও ৫০ মিটার ব্রেস্ট স্ট্রোক এবং ১০০ মিটার ফ্রি স্টাইলে বগুড়ার রোকেয়া আক্তার যথাক্রমে ১:৩৯.৭৮ সেকেন্ড, ০:৪৪.৩৪ সেকেন্ড ও ১:২৬.৪১ সেকেন্ডে প্রথম হন। আর রাশেদা খাতুন প্রথম হন ২০০ মিটার ফ্রি স্টাইল, ৫০ ও ১০০ মিটার ব্যাক স্ট্রোকে যথাক্রমে ৩:০০.১৬ সেকেন্ড, ০:৪৬.৪১ সেকেন্ড ও ১:৩৭.০০ সেকেন্ডে। তরুন বিভাগে ৫০ মিটার ফ্রি স্টাইল, ব্যাক স্ট্রোক ও ব্রেস্ট স্ট্রোকে পাবনার সজীব হোসেন যথাক্রমে ২৮.৩৮ সেকেন্ড, ৩২.৩৮ সেকেন্ড ও ৩৭.৭১ সেকেন্ডে প্রথম হয়ে সবার নজর কাড়েন। এছাড়া তরুনদের ১০০ মিটার ব্রেস্ট স্ট্রোকে চাপাইয়ের খালিদ রবিউল আউয়াল ১:৩৩.০৯ সেকেন্ডে, ১০০ ও ২০০ মিটার ফ্রি স্টাইলে বগুড়ার রেজাউল ইসলাম রিয়াদ ১:০৫.৪৭ সেকেন্ডে ও ২:২৩.১৬ সেকেন্ডে এবং ১০০ মিটার ব্যাক স্ট্রোকে বগুড়ার নয়ন ইসলাম ১:২০.৫৩ সেকেন্ডে প্রথম হন।  

 যুব গেমসে ময়মনসিংহ বিভাগে তরুণীদের ৪৪ কেজি ওজন শ্রেণীতে শেরপুরের মনিকা আক্তার প্রথম ও নেত্রকোনার অন্তরা আক্তার লাবলী দ্বিতীয় হন। তরুণীদের ৫১ কেজি ওজন শ্রেণীতে নেত্রকোনার নুরুন্নাহার মিতু প্রথম এবং শেরপুরের রাজিয়া সুলতানা রিমি দ্বিতীয় হন। তরুণীদের ৪৬ কেজি ওজন শ্রেণীতে জামালপুরের সুরাইয়া আক্তার প্রথম এবং শেরপুরের লাবিবা আক্তার দ্বিতীয় হন। তরুণীদের ৪৮ কেজি ওজন শ্রেণীতে শেরপুর জেলার আশামনি প্রথম এবং জামালপুরের মিষ্টি খাতুন দ্বিতীয় হন। তরুণদের ৪৪ কেজি ওজন শ্রেণীতে জামালপুর জেলার রমজান আলী প্রথম এবং শেরপুরের সিফাত উল ইসলাম দ্বিতীয় হন। তরুণদের ৪৬ কেজি ওজন শ্রেণীতে জামালপুরের রিয়াজুল ইসলাম প্রথম ও শেরপুরের কামরুল ইসলাম দ্বিতীয় হন। তরুণদের ৪৯ কেজি ওজন শ্রেণীতে জামালপুরের শান্ত খানপুর প্রথম ও শেরপুরের রাশেদুল ইসলাম দ্বিতীয় হন। ৫২ কেজি ওজন শ্রেণীতে  জামালপুরের রিফাত আহমেদ প্রথম ও শেরপুরের মোবাশির রাহিম দ্বিতীয় হন। ৫৬ কেজি ওজন শ্রেণীতে শেরপুরের মোশারফ প্রথম ও জামালপুরের মাসুদ রানা দ্বিতীয় হন। তরুণদের ৬০ কেজি ওজন শ্রেণীতে শেরপুরের হাসিন মো. মিনার প্রথম ও জামালপুর জেলার রাকিবুল ইসলাম দ্বিতীয় হন। ময়মনসিংহ বিভাগের বক্সি ইভেন্ট শেরপুর শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। 

রংপুর বিভাগ অ্যাথলেটিক্সে বাংলাদেশ গেমসের বিভাগীয় পর্যায়ের খেলায় রংপুর বিভাগে দ্রুততম মানব-মানবী হয়েছেন কুড়িগ্রামের সাইদ আলম ও একই  জেলার নেহা রানী সরকার। নেহা ১০০ মিটারের পাশাপাশি মেয়েদের ২০০ মিটার স্প্রিন্টেও সেরা হয়েছেন। ছেলেদের ১০০ মিটার স্প্রিন্টে সাঈদ পেছনে ফেলেন গাইবান্ধার রাসেল মিয়াকে। এই ইভেন্টের মেয়েদের বিভাগে নেহা  পেছনে ফেলেন কুড়িগ্রামেরই সামুরা আক্তারকে। ছেলেদের ২০০ মিটার স্প্রিন্টে প্রথম হন কুড়িগ্রামের স্বপন আলী। ছেলেদের ৪০০ মিটার স্প্রিন্টে লালমনিরহাটের খালিদ মহিবুল্লাহ ও মেয়েদের বিভাগে কুড়িগ্রামের রেখা আক্তার প্রথম হন। এছাড়া মেয়েদের হাই জাম্পে কুড়িগ্রামের স্বপ্না খাতুন, লং জাম্প ও চাকতি নিক্ষেপে লালমনিরহাটের সোহাগী রানী এবং শটপুটে ঠাকুরগাঁওয়ের মুসলিমা আক্তার প্রথম হন। ছেলেদের হাই জাম্পে লালমনিরহাটের ফেরদৌস আলম, লং জাম্পে কুড়িগ্রামের সাঈদ আলম, ডিসকাস থ্রোতে রংপুরের ওমর ফারুক ও গোলক নিক্ষেপে কুড়িগ্রামের শাখাওয়াত আলম প্রথম হন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ