ঢাকা, রোববার 14 January 2018, ১ মাঘ ১৪২৪, ২৬ রবিউস সানি ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

খুলনায় ২৬৫ কোটি ৪৩ লাখ টাকার প্রকল্প

খুলনা অফিস : খাদ্য নিরাপত্তা ও জনস্বাস্থ্য রক্ষায় ডিম, দুধ ও মাংসের উৎপাদন বৃদ্ধিসহ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ‘বুল কাফ রিয়ারিং ইউনিট কাম মিনিল্যাব’ স্থাপন কাজ শুরু করছে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর। প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় ধরা হয়েছে ২৬৫ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। ইতেমধ্যেই খুলনার রূপসা বাইপাস রোড সংলগ্ন চক হাসান খালী মৌজায় ৫ একর জমি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এ প্রকল্পে উন্নতমানের ষাঁড় ও সিমেন তৈরি করা হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, খাদ্য নিরাপত্তা ও জনস্বাস্থ্য রক্ষায় প্রাণিজ আমিষ বিশেষ করে ডিম, দুধ এবং মাংসের অনেক ঘাটতি রয়েছে। এ ঘাটতি পূরণে ২৬৫ কোটি ৪৩ লাখ টাকা ব্যয়ে ২০১৬ সালের জানুয়ারি মাসে বুল কাফ রিয়ারিং ইউনিট মিনিল্যাব স্থাপনের মাধ্যমে উন্নতমানের ষাঁড় ও সিমেন তৈরিতে একটি প্রকল্প গ্রহণ করে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর। যাবতীয় প্রক্রিয়া শেষে সম্প্রতি ওই প্রকল্পের জমি অধিগ্রহণ কার্যক্রম ও মাস্টারপ্লান কাজ শুরু হয়েছে। খুলনা নগরীর রূপসা বাইপস রোড সংলগ্ন চক হাসান খালী মৌজায় ৫ একর জমির উপর প্রকল্পটি স্থাপন করা হবে।  প্রকল্পে রয়েছে অফিস কাম ল্যাব ভবন, বুল কাফ শেড, গ্রোয়িং বুল কাফ শেড, বুল শেড রানসহ, সিমেন কালেকশন সেড, গবাদি পশুর খাদ্য গুদাম, আইসেলেশন শেড, এক্সারসাইজ ইয়ার্ড, বাউন্ডারী ওয়ালসহ ইনটারনাল আরসিসি রোড, ওভারহেড ওয়াটার ট্যাংক এবং পাম্প হাউস ও অবশিষ্টাংশ (ফডার ফিল্ড ও ভবনসমূহের মধ্যবর্তী প্রয়োজনীয় খালী জায়গা) ইত্যাদি। আগামী ২০২০ সালে ডিসেম্বর মাসে প্রকল্পের কাজ শেষ হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের প্রকল্প পরিচালক ডা. মো. বেলাল হোসেন বলেন, কৃষি ভিত্তিক অর্থনীতিতে প্রাণিসম্পদ সাব সেক্টরের অবদান দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। খাদ্য নিরাপত্তা ও জনস্বাস্থ্য রক্ষায় ডিম, দুধ ও মাংসের গুরুত্ব অপরিসীম। খাদ্য নিরাপত্তার ক্ষেত্রে প্রাণিজ আমিষ বিশেষ করে ডিম, দুধ এবং মাংসের অনেক ঘাটতি রয়েছে। বুল কাফ রিয়ারিং ইউনিট কাম মিনিল্যাবে উন্নতমানের ষাঁড় ও সিমেন তৈরি করা হবে। পরবর্তীতে ওই ষাঁড় ও সিমেন স্বল্পমূল্যে দেশের ইউনিয়ন পর্যায়ে সরবরাহ করা হবে। এছাড়া প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে দেশে খাদ্য নিরাপত্তা ও জনস্বাস্থ্য রক্ষায় ডিম, দুধ ও মাংসের উৎপাদন বৃদ্ধিসহ কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে অনন্য অবদান রাখবে। শিশু খাদ্য প্রাপ্তিও নিশ্চিত হবে, মহিলারা গবাদি পশু ও হাঁস-মুরগী লালন-পালনের মাধ্যমে কর্মসংস্থান ও আয় বৃদ্ধি করে জীবনমান উন্নত করতে সহায়ক হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ