ঢাকা, সোমবার 15 January 2018, ২ মাঘ ১৪২৪, ২৭ রবিউস সানি ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

বাগমারায় স্মরন কালের শৈত্যপ্রবাহ

বাগমারা (রাজশাহী) সংবাদদাতা : রাজশাহীর বাগমারায় ঘন কুয়াশা আর হাড়কাঁপানো প্রচন্ড শীতে কাঁপছে বাগমারা ও তার পার্শ¦বর্তী জনপদ। বয়স্কদের মতে কখনও তারা এমন শীত দেখেনি। এছাড়া ঘন কুয়াশা আর কনকনে ঠান্ডার কারণে এবার বোরো ধানরে বীজতলা নিয়ে অনকেটায় বিপাকে পড়েছে এলাকার কৃষকরা। সপ্তাহ ব্যাপী তীব্র শৈত্য প্রবাহ ও ঘন কুয়াশায় অনেকটায় নষ্টের পথে এসব বীজতলা। দেখা দিয়েছে নানা ধরনরে রোগ বালাই। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে বীজতলা ও চারা রক্ষায় দেয়া হচ্ছে নানা ধরনে পরার্মশে কাজে আসছেনা। এতে করে নিজের জীবন ও ক্ষেতের ফসল নিয়ে কৃষকরা দিশেহার হয়ে পড়েছেন। এবারে আমন মৌসুমে ধানের বাজার মূল্য বেশী ভাল পাওয়ায় কৃষকরা এবার বোরো চাষের জন্য ব্যাপক ভাবে প্রস্ততি। এছাড়া এলাকার অন্যতম প্রধান ফসল যথারীতি চাষ করেছে। কিন্তু উত্তরে কনকনে তীব্র শৈত্য প্রবাহে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। দিনভর সূর্য্যরে মুখ দেখা মিলছে না। প্রতিনিয়তই বাড়ছে হাড়কাঁপানো শীত। উপজেলার বালানগর গ্রামের বয়োবৃদ্ধ মহোরী আবেদ আলী বলেন, তার জীবনে কখন এমন শীত দেখেনি। তার মতে স্বরণকালের ঠান্ডা এবারে এই এলাকায় দেখা দিয়েছে। দীর্ঘ সময় নিয়ে ঠান্ডায় তিনি ঘর থেকে বের হতে পারছেন না বলে জানান তিনি। এদিকে একই গ্রামের কৃষক কাজেম আলী, এরশাদ আলী, আলহাজ নায়বত আলীসহ অনেকে জানান, অতিরিক্ত শীত ও ঘন কুয়াশায় এক দিকে যেমন জনজীপন বিপর্যয় ঘটছে, তেমনি ক্ষেতের ফসল নষ্ট হতে বসেছে। তারা জানান, টানা এক সপ্তাহ ধরে ঘনকুয়াশা আর তীব্র শৈত্য প্রবাহে ধানের বীজতলায় দেখা হলুদ ধরনরে রোগ, যাতে কোন প্রকার ওষুধ দিয়ে কাজ হচ্ছে না। একই ভাবে ঘন কুয়াশায় আলুর গাছ নষ্ট হবার আশংকায় এলাকার কৃষকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ