ঢাকা, মঙ্গলবার 16 January 2018, ৩ মাঘ ১৪২৪, ২৮ রবিউস সানি ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের বৈধতা রিটে বিভক্ত আদেশ

স্টাফ রিপোর্টার : দলের বিপক্ষে ভোট না দেয়ার সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের বৈধতা চ্যালেঞ্জ রিটে বিভক্ত আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ কেন সাংঘর্ষিক ও বাতিল ঘোষণা করা হবে না-তা জানতে চেয়ে জ্যেষ্ঠ বিচারপতি রুল জারি করলেও কনিষ্ঠ বিচারপতি রিট খারিজ করে দেন।
ফলে বিভক্ত আদেশ হওয়ায় রিট আবেদনটি এখন বিষয়টি প্রধান বিচারপতির কাছে যাবে। তিনি এর জন্য একটি বেঞ্চ নির্ধারণ করে দেবেন। সেই বেঞ্চে বিষয়টি নিষ্পত্তি হবে।
গতকাল সোমবার সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের বৈধতা চ্যালেঞ্জ রিটের শুনানি শেষে বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি মো. আশরাফুল কামাল সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই বিভক্ত আদেশ দেন। ২০১৭ সালের ১৭ এপ্রিল রাজনৈতিক দল  থেকে পদত্যাগ বা দলের বিপক্ষে ভোট দেয়ার কারণে আসন শূন্য হওয়া সংক্রান্ত সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদনটি দায়ের করেছিলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড.ইউনুছ আলী আকন্দ। রিট আবেদনে জাতীয় সংসদের স্পিকার, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, সংসদ সচিবালয়ের সচিব ও আইন সচিবকে বিবাদী করা হয়।
আদালতে রিটের পক্ষে তিনি নিজেই শুনানি করেন। আর সরকার পক্ষে ছিলেন ডেপুটি এটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু ।
সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘কোন নির্বাচনে  কোন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরূপে মনোনীত হইয়া  কোন ব্যক্তি সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইলে তিনি যদি-(ক) উক্ত দল হইতে পদত্যাগ করেন, অথবা (খ) সংসদে উক্ত দলের বিপক্ষে  ভোটদান করেন,তাহা হইলে সংসদে তাহার আসন শূন্য হইবে, তবে তিনি সেই কারণে পরবর্তী কোন নির্বাচনে সংসদ-সদস্য হইবার অযোগ্য হইবেন না।’
আইনজীবী ড.ইউনুছ আলী আকন্দ তখন বলেছিলেন, একজন সংসদ সদস্য জনগণের প্রতিনিধি। কিন্তু সংসদে তিনি তার দলের বাইরে নিজস্ব মত দেয়ার ক্ষেত্রে প্রধান বাধা হচ্ছে এই ৭০ অনুচ্ছেদ। কারণ দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গলে তার সংসদ সদস্য পদ থাকছে না। ফলে এটি অগণতান্ত্রিক এবং সংবিধানের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ