ঢাকা, রোববার 23 September 2018, ৮ আশ্বিন ১৪২৫, ১২ মহররম ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

উত্তরা মেডিকেলের ৫৭ শিক্ষার্থীর পক্ষে আদালতের চূড়ান্ত রায়

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক: রাজধানীর উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজে ‘আগে এলে আগে পাবেন’ ভিত্তিতে ভর্তি হওয়া ৫৭ শিক্ষার্থীকে শিক্ষা কার্যক্রম থেকে বিরত রাখতে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশের বিরুদ্ধে করা আবেদনের পক্ষে চূড়ান্ত আদেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ। ফলে বেসরকারী এই মেডিকেল কলেজের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে সাধারণ কোটায় ভর্তি হওয়া ৫৭ শিক্ষার্থীর একাডেমিক কার্যক্রম চলতে কোনো বাধা নেই।

আজ বুধবার ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞার নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ হাইকোর্টের আদেশ নিষ্পত্তি করে রায় দেন। আদালত এ সময় রিটকারীর সন্তানকেও ভর্তির আদেশ দেন।

এর আগে ৯ জানুয়ারি ভর্তিবঞ্চিত এক শিক্ষার্থীর অভিভাবকের করা রিটের প্রেক্ষিতে হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ রুল দিয়ে এক মাসের জন্য ৫৭ শিক্ষার্থীকে শিক্ষা কার্যক্রম থেকে বিরত রাখার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে ওই কলেজে ‘আগে আসলে আগে ভর্তির সুযোগ’ এই পদ্ধতিতে ভর্তির প্রক্রিয়া কেন অবৈধ হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।

স্বাস্থ্য সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষকে আগামী ১০ দিনের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়।

এই আদেশ স্থগিত চেয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষ আবেদন করেন। গতকাল এটি চেম্বার বিচারপতির আদালতে ওঠে। সেদিন চেম্বার বিচারপতি আবেদনটি আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠিয়ে দেন।

আদালতে মেডিকেল কলেজের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস। রিটের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী এ এম আমিন উদ্দীন।

উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজ গত ১৪ ডিসেম্বর ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে মেধা স্কোর অনুযায়ী ছাত্র ভর্তি না করে ‘আগে আসলে আগে ভর্তির সুযোগ’ ভর্তির জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। ১৭ ডিসেম্বর বেলা ১১টার মধ্যে ‘আগে আসলে আগে ভর্তির সুযোগ’ পাবেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

ওই দিন বেলা ১১টার পর তারিকুল ইসলাম নামের এক শিক্ষার্থী, যার মেধা স্কোর ২৫৭, সে কলেজে গিয়ে জানতে পারে এরই মধ্যে ৫৭ শিক্ষার্থীর ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়ে গেছে। ভর্তির সর্বনিম্ন স্কোর ছিল ২৫০.৪৫।

তারিকুলের দাবি, মেধা স্কোর অনুযায়ী ভর্তি করলে সে ভর্তির সুযোগ পেত। পরে গত ২ জানুয়ারি তারিকুলের বাবা নজরুল ইসলাম আধুনিক মেডিকেল কলেজের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পদ্ধতি চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন।

ডি.স/আ.হু

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ