ঢাকা, সোমবার 22 January 2018, ৯ মাঘ ১৪২৪, ৪ জমদিউল আউয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

কয়রার কাটকাটা রত্নাঘেরি বেড়িবাঁধে ভয়াবহ ভাঙন

খুলনা: পানি উন্নয়ন বোর্ডের ১৩-১৪/২ পোল্ডারের কয়রা উপজেলার উত্তর বেদকাশি ইউনিয়নের কাটকাটা রত্নাঘেরির পাউবোর বেড়িবাঁধের একশ’ ফুটের বেশি জায়গা হঠাৎ শাকবাড়িয়া নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। এক্ষুণি কার্যকরী কোন পদক্ষেপ না নিলে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশংকা রয়েছে

খুলনা অফিস: পানি উন্নয়ন বোর্ডের ১৩-১৪/২ পোল্ডারের কয়রা উপজেলার উত্তর বেদকাশি ইউনিয়নের কাটকাটা রত্নাঘেরির পাউবোর বেড়িবাঁধে একশ’ ফুটের বেশী জায়গা হঠাৎ শাকবাড়িয়া নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। গত এক সপ্তাহে আগে বেড়িবাঁধের সিংহভাগ ভয়াবহ ভাঙনের কবলে পড়ে বিলীন হয়েছে। 

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের উদ্যোগে গ্রামবাসীদের নিয়ে বেড়িবাঁধ রক্ষায় কাজ করছে। তবে জরুরী ভিত্তিতে কার্যকরি ব্যাবস্থা গ্রহণ না করলে গোটা এলাকা প্লাবিত হয়ে ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতির সম্মুখিন হবে বলে জানিয়েছে এলাকাবাসি।  শুধু ঐ অংশ না রত্নাঘেরি পাশে প্রায় এক কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ব্যাপক ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। আগামী বর্ষা মওসুমের আগে ভাঙনরোধে কার্যকরি ব্যবস্থা না নিলে আবারও আইলার মতো ঐ এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে আশংকা করছে এ এলাকার জনপ্রতিনিধিরা।

স্থানীয় ইউপি সদস্য গণেশ মণ্ডল বলেন, রত্নাঘেরি বেড়িবাঁধ শাকবাড়িয়া নদীর ভাঙনে ঝুঁকিতে রয়েছে। 

গত বছর বাঁধের ভেতরের শ্লোভে পাউবো কর্তৃপক্ষ মাটির কাজ করেছিল কিন্তু আশানুরূপ মাটি ফেলানো হয়নি। যে কারণে দুর্বল বেড়িবাঁধটি আবারো ভেঙে এলাকায় লোনা পানি ঢোকার উপক্রম হয়ে দাঁড়িয়েছে। উত্তর বেদকাশি ইউপি চেয়ারম্যান সরদার নুরুল ইসলাম কোম্পানী বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধের ভেতর দিয়ে মাটির কাজ করা চলছে।

পাউবোর সেকশান কর্মকর্তা আবুল হোসেন বলেন, ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করা হয়েছে। জরুরী ভিত্তিতে ব্যাবস্থা গ্রহণের জন্য পাউবো ঊর্ধ্বতন কর্তপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। 

এ ব্যাপারে কয়রা উপজেলা নির্বাহী অফিসার শিমুল কুমার সাহা বলেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভাঙনরোধে কাজ করানো হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে সেখানে কাজ করার জন্য আরও সহযোগিতা করা হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ