ঢাকা, সোমবার 22 January 2018, ৯ মাঘ ১৪২৪, ৪ জমদিউল আউয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

খুলনা মহানগরীতে সঙ্কুচিত হচ্ছে ব্যস্ত সড়ক 

খুলনা অফিস: খুলনা মহানগরীর সড়কগুলোর মধ্যে বেশি জনবহুল সড়কগুলো সঙ্কুচিত হচ্ছে। ফলে বৃদ্ধি পাচ্ছে জনভোগান্তি। সড়কের ওপর যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং, ভ্রাম্যমাণ দোকান, ময়লার স্তূপ, ড্রেনের ময়লা রাস্তার ওপরে রাখার কারণে রাস্তা সঙ্কুচিত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সাধারণ নগরবাসী।

জানা গেছে, খুলনা মহানগরীর ডাকবাংলো মোড়, শপিং কমপ্লেক্সের সামনে, ধর্মসভা মন্দির, হাদিস পার্ক,  দোলখোলা রোড এলাকা ঘিরে সকল ধরনের জনতার যাতায়াত সবচেয়ে বেশি। একই সাথে রয়েছে দিনের  বেলা অবৈধ যানবাহনের পাশাপাশি বৈধ যানবাহনের চাপও। তারপরেও এই এলাকাগুলোতে থেমে থাকে না দিনের বেলা ট্রাকের চলাচল। নগরীর বিভিন্ন সড়কে ড্রেনের ময়লা পরিষ্কার করে রাখা হয়েছে রাস্তার উপরে। স্যাঁতসেঁতে পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে রাস্তাগুলোতে। দিনের শুরুতে রাস্তাগুলো কিছুটা ফাঁকা থাকলেও বেলা বাড়তে বাড়তে তা পরিপূর্ণ হয় নাগরিক আর যানবাহনে। তবে এই চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে হয় ট্রাফিক বিভাগকেও। এদিকে মূল সড়ক থেকে গাড়ি নিয়ে উল্লিখিত সড়কগুলোতে প্রবেশ করতে পারলেই গাড়ি পার্র্কি করেই চলে যায় যার যার কাজে। 

গাড়ি পার্কিং এর পাশাপাশি বেলা বৃদ্ধির সাথে বেড়ে যায় ভ্রাম্যমাণ দোকানের সংখ্যাও। ফলে যানবাহন ও ভ্রাম্যমাণ দোকানের চাপে সঙ্কুচিত হয়ে যায় জনগণের চলার পথ। একই সাথে পাশে অবস্থিত দোকানীরা তাদের মালপত্র প্রদর্শনীর জন্য বাইরে বের করে দেয় বলে জানা গেছে।

পথচারি আবু হাসান বলেন, খুলনা শপিং কমপ্লেক্সের সামনে সকাল থেকে ভিড় লেগেই থাকে। তারপরেও যারা আসেন তারা ইচ্ছামতো রাস্তার ওপরে গাড়ি পার্কিং করে রেখে যান। এদিকে পাশের সাইকেলের দোকানীরা তাদের সাইকেল বাইরে বের করে দেন। যার ফলে রাস্তা সরু হয়ে যায়।

এই পথচারীর সুরে সুর মিলিয়ে আব্দুল কাইয়ুম মামুন নামের আরেক পথচারী বলেন, নগরীর সড়কগুলো দিনের বেলা গাড়ি পার্কিংয়ের জায়গা হয়ে যায়। যারা গাড়ি পার্কিং করে রেখে যান তারা পায়ে চলা মানুষের কথা চিন্তা করেন না।

নিরালা আবাসিক এলাকার উবায়দুর রহমান সোহাগ ও হুমায়ুন কবীর বলেন, রাস্তার ওপরে ড্রেনের ময়লা রাখা হয়েছে। তা যেন নিয়ে যাওয়ার সময় নেই। এই দুর্ভোগ সাধারণ মানুষকে ভোগ করতে হচ্ছে।

শপিং কমপ্লেক্সের সামনে ভ্রাম্যমাণ দোকানী মো. মাসুম বলেন, কতজনতো দিচ্ছে তাতে তো কিছু হচ্ছে না। আর আমরাতো ঘুরে ঘুরে জিনিসপত্র বিক্রি করি। কিন্তু অনেকেই তো ঘন্টার পর ঘন্টা গাড়ি রেখে চলে যায়।

খুলনা ট্রাফিক বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মো. কামরুল ইসলাম বলেন, এ ধরনের যত্রতত্র পার্কিং থাকলে তাদের বিরুদ্ধে অবৈধ পার্কিংয়ের কারণে মামলা দেয়া হয়। এ ধরনের বিষয় থাকলে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও জানান তিনি।

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের কনজারভেন্সী অফিসার মো. আনিছুর রহমান বলেন, ময়লা-কাদা নরম থাকার কারণে রাখা হয়েছে। শুকালে নিয়ে যাওয়া হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ