ঢাকা, মঙ্গলবার 23 January 2018, ১০ মাঘ ১৪২৪, ৫ জমদিউল আউয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

খুলনায় রেকর্ড রান ইসলামী ব্যাংক ইস্ট জোনের

স্পোর্টস রিপোর্টার:  বাংলাদেশ ক্রিকেট লীগের (বিসিএল) তৃতীয় রাউন্ডে  একটি ডাবল সেঞ্চুরি আর তিনটি সেঞ্চুরিতে ভর করে ৭৩৫ রানের রেকর্ড রান করে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করেছে ইসলামী ব্যাংক ইস্ট জোন। তৃতীয় রাউন্ডের খেলায় খুলনায় ওয়ালটন সেন্ট্রাল জোন মুখোমুখি হয়েছে ইসলামী ব্যাংক ইস্ট জোনের। ডাবল সেঞ্চুরি করেছেন জাকির হাসান। এছাড়া সেঞ্চুরি পেয়েছেন লিটন দাস, ইয়াসির আলী রাব্বী ও অলক কাপালি। বিসিএলে এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান আর বাংলাদেশের প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে এটি তৃতীয় সর্বোচ্চ। এটা তার প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি । ডাবল সেঞ্চুরির আগে তার সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত সংগ্রহ ছিল ১৩৭*।

শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে ম্যাচের প্রথম রোববার দিন ৩ উইকেট হারিয়ে ৩৩২ রান সংগ্রহ করে ইস্ট জোন ।গতকাল সোমবার আরও ৪০৩ রান যোগ করে ইনিংস ঘোষণা কওে দলটি। ইসলামী ব্যাংকের মোট উইকেট পড়েছে ৬টি। আগের দিন ১৫৬ রান করে অপরাজিত থাকা জাকির হাসান  এদিন নিজের ডাবল সেঞ্চুরির পূর্ণ করেন। ক্যারিয়ার প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি করেন তিনি। আগের দিনের মতো এদিনও শুরু থেকেই দেখে শুনে খেলতে থাকেন দুই অপরাজিত ব্যাটসম্যান। দলীয় ৩৭৫ রানে দিনের প্রথম সফলতার মুখ দেখে ওয়ালটন। তাসকিন আহমেদের বলে উড়িয়ে মারতে গিয়ে তানভীর হায়দারের হাতে ধরা পড়েন তাসামুল হক। আউট হওয়ার আগে নিজের অর্ধশতও পূর্ণ করেন তিনি। তার ব্যাটে যোগ হয় ৬০ রান। ১০৭ বল খেলে ৮টি বাউন্ডারির সাহায্যে এ রান করেন তিনি।

এরপর অলক কাপালিকে নিয়ে জুটি বাঁধেন জাকির হাসান। অনূর্ধ্ব-১৯ দলের এই ব্যাটসম্যানের ব্যাট তখনও আরও লম্বা হয়ে গেছে। আগের দিনই ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস খেলা জাকির হাসান পৌঁছে যান ডাবল সেঞ্চুরিতে। নিজের ডাবল সেঞ্চুরি পূর্ণ করার অবশ্য খুব বেশী দূর এগোনো হয়নি জাকিরের। দলীয় ৪৫৩ রানে আউট হয়ে যান ব্যাক্তিগত ২১১ রানের অববদ্য এক ইনিংস খেলে। তার আউটেই ৭৮ রানের জুটি ভাঙে ইসলামী ব্যাংকের। এ্ উইকেটটিও শুভাগত হোমের পকেটেই যায়। তবে দারুণ কৃতিত্ব ছিলো তানভীর হায়দারের। শুভাগত’র বলে উড়িয়ে মারেন জাকির। বাউন্ডারি লাইন থেকে অনেকটা দৌড়ে এসে দারুণ ক্যাচ লুফে নেন তানভীর হায়দার।

ইসলামী ব্যাংকের হয়ে ইয়াসির রাব্বি আর অলক কাপালি দলকে আরও সামনে নিয়ে যান। এ জুটি এমনভাবে শুরু করে যেন ইনিংসের গোড়াপত্তন করতে শুরু করেছেন। এ জুটিতে এ দু’জন মিলে যোগ করেন ২২১ রান। সপ্তম উইকেট জুটিতে বাংলাদেশের হয়ে এটিই সর্বোচ্চ রানের জুটি। দু’জনেই লম্বা ব্যাটে খেলতে থাকেন। শেষ পর্যন্ত দলীয় ৬৭৪ রানে ইয়াসির রাব্বীর আউটে জুটি ভাঙে তাদের। ১৩২ রান করে রনি তালুকদারের বলে আউট হন ইয়াসির। ১৭৫ বলে ১৩২ রান করেন তিনি। ১২টি বাউন্ডারি আর ২টি ওভার বাউন্ডারি ছিলো তার ইনিংসে।

রাব্বী আউট হওয়ার পর আরও বড় শর্ট খেলতে থাকেন অলক কাপালি। দিনের খেলা শেষ হওয়ার কিছুক্ষন আগে শেষ পর্যন্ত ইনিংস ঘোষণা করে ইসলামী ব্যাংক ইস্ট জোন। অপরাজিত থেকেই খেলা শেষ করেন অলক কাপালি। কাপালির ব্যাটে যোগ হয় ১৬৫ রান। মাত্র ১৩৯ বল খেলে ১০টি বাউন্ডারি ও ৯টি ওভার বাউন্ডারির সাহায্যে এ রান করেন তিনি। ১৬ রানে অপরাজিত ছিলেন সোহাগ গাজী।ওয়ালটনের হয়ে শুভাগত হোম ৩টি উইকেট নেন। এছাড়া আবু হায়দার রনি ২টি ও তাসকিন আহমেদ একটি উইকেট নেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ