ঢাকা, মঙ্গলবার 23 January 2018, ১০ মাঘ ১৪২৪, ৫ জমদিউল আউয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

আদালতের নির্দেশে চুয়াডাঙ্গা চেম্বারের নির্বাচন বন্ধ

চুয়াডাঙ্গা সংবাদদাতা : চুয়াডাঙ্গা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (২০১৮-২০২০) নির্বাচন ৬ মাসের জন্য স্থাগিতাদেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। একজন সংক্ষুদ্ধ ভোটারের আনিত রিটের শুনানী শেষে হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চের বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি জাফর আহমেদ এ আদেশে ১৫ জনকে তাদের প্রার্থীতা কেন বাতিল করা হবে না তা ৪ সপ্তাহের মধ্যে কারণ দর্শানোর আদেশ দিয়েছেন। এছাড়াও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ তিনজনকেও নির্বাচনী তফশিল কেনো বাতিল করা হবে না মর্মে কারণ দর্শাতে বলেছেন। উল্লেখ্য,চুয়াডাঙ্গা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনী তফশিল ঘোষণা করা হয় গত ১২ নভেম্বর। নির্বাচন পরিচালনা পরিষদের প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন অ্যাড. আশরাফ আলী। ঘোষিত তফশিল অনুযায়ী আগামী ২ ফেব্রুয়ারি ভোট গ্রহণের কথা। এর আগে গত শুক্রবার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী দু’টি পক্ষ পৃথকভাবে সংবাদ সম্মেলন করে। আলাউদ্দীন হেলা- দেলোয়ার উদ্দীন দুলু পরিষদের পক্ষে চেম্বারের সাবেক সভাপতি হাবিবুর রহমান লাভলু সংবাদ সম্মেলনে বলেন, বর্তমান সভাপতি ইয়াকুব হোসেন মালিকসহ তার প্যানেলের ১৫ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার অযোগ্য। বিধি মোতাবেক পর পর দুবার অথবা একটানা ৪ বছর পরিচালক পদে দায়িত্বে থাকার পর নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সুযোগ নেই। বিষয়টি নির্বাচন কমিশনকে লিখিতভাবে জানিয়েও প্রতিকার মেলেনি। একইদিন সংবাদ সম্মেলনে ইয়াকুব হোসেন-শাহারিন মালিক পরিষদের পক্ষে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে প্রার্থীতার বৈধতার পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করে বলেন, গঠনতন্ত্র মোতাবেকই নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়েছে। পাল্টা পাল্টি সংবাদ সম্মেলনের কয়েকদিনের মাথায় পাওয়া যায় আদালতে রিটের খবর।
জানা গেছে, মফিজুর রহমান মনার আনিত রিট শুনানী শেষে উচ্চ আদালত চুয়াডাঙ্গা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির নির্বাচন ৬ মাসের জন্য স্থগিত করে ১৫ জন প্রার্থীর প্রার্থীতা কেনো অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এবং নির্বাচন কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের কেনো নির্বাচনী তফশিল বাতিল করা হবে না মর্মে কারণ দর্শানোর আদেশ দিয়েছেন।
নির্বাচন কমিশনার হাজি অ্যাড. আশরাফ আলীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, অফিসিয়ালি কাগজপত্র পাইনি। তবে একটি কাগজ একজন রেখে গেছেন। অফিসিয়ালি না হলেও নির্বাচন স্থাগিত করার খবর লোকমুখে শুনেছি। তবে নির্বাচন হবে কিনা তা এখনই বলার সময় হয়নি। আমরা আদালতের আদেশ প্রতিপালনে বদ্ধপরিকর। কোর্ট যেদিকে যাবে, আমরাও সেদিকেই যাবো।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ