ঢাকা, রোববার 18 February 2018, ৬ ফাল্গুন ১৪২৪, ১ জমদিউস সানি ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

অপ্রতিরোধ্য বাংলাদেশের আরেকটি সহজ জয়

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক: ব্যাটিংয়ে লোয়ার-মিডল অর্ডারে রান না পাওয়ার অভাব বোলারদের দাপটে বুঝতেই পারেনি বাংলাদেশ। ৩৬.৩ ওভারে জিম্বাবুয়েকে ১২৫ রানে গুঁটিয়ে দিয়ে ৯১ রানের জয় তুলে নিয়েছে স্বাগতিকরা।

ইনিংস শেষে স্কোরকার্ডে বাংলাদেশের সংগ্রহটা খুব বেশি বড় হয়নি। অবশ্য ইনিংস বিরতিতে মাশরাফিদের দেখে একবারের জন্যও মনে হচ্ছিল না ম্যাচটায় পিছিয়ে আছে টাইগাররা। ফলাফলটাও হলো তেমনই। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তৃতীয় ম্যাচে টাইগাররা মাঠ ছাড়ল বড় জয় নিয়েই।

ত্রিদেশীয় সিরিজ বিবেচনা করলে ম্যাচটা খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল না বাংলাদেশের জন্য। জয়ের ক্ষুধাটা যে তাতেও কমছে না, বাংলাদেশের ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে ক্রিকেটারসহ সবাই জানিয়ে গেছেন তেমনটাই। ৯১ রানের বিশাল জয়টা প্রমাণও করল সেটাই।

জিম্বাবুইয়ান বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে বাংলাদেশ সংগ্রহ করেছিল ২১৬ রানের সাদামাটা স্কোর। সেই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বারবার পথ হারানো সফরকারীরা শেষমেশ সংগ্রহ করেছে ১২৫ রান। ১৪.৩ ওভার বাকি থাকতেই মাশরাফিদের জয়টা  বড় ব্যবধানেই।

বাংলাদেশ এদিন আগে ব্যাট করে ৯ উইকেটে ২১৬ রান করে। তামিম ইকবাল (৭৬) এবং সাকিব আল হাসানের (৫১) ব্যাটে লড়াইয়ের সংগ্রহ পায় টিম টাইগার্স।

জিম্বাবুয়ে চতুর্থ ওভারে মাশরাফীর আঘাতে ব্যাকফুটে চলে যায়। অভিজ্ঞ মাসাকাদজা (৫) সাব্বিরের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন।

এরপর সপ্তম ওভারের শেষ দুই বলে সাকিবের আঘাত। সলোমন মায়ার (৭) বোল্ড এবং ব্রেন্ডন টেইলর (০) এলবিডব্লিউ হন। ম্যাচ ধরার চেষ্টা করা ক্রেইগ আরভিন (১১) ফেরেন দশম ওভারে। মাশরাফীর বলে তিনিও সাব্বিরের হাতে ধরা পড়েন।

সিকান্দার রাজাকে নিয়ে জুটি গড়ার আশায় থাকা ক্রেমারকে (২৩) ফেরান রুবেল। ৩০তম ওভারের প্রথম বলে এলবিডব্লিউ হন। রাজার সঙ্গে তার জুটি ২৭ রান পর্যন্ত লম্বা হয়।

রাজাকে (৩৯) ফেরান মোস্তাফিজুর রহমান। ৩৩তম ওভারের প্রথম বলে ফিজকে চার মারেন। পরের বলে প্লেডঅন হয়ে পথ ধরেন। রাজা প্রথম ম্যাচে করেছিলেন ৫২। নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৮১ রানে অপরাজিত ছিলেন।

ইনিংসের শেষটা টানেন ফিজই। জার্ভিসকে (১০) মাহমুদউল্লাহর ক্যাচ বানিয়ে। তাতে ৬.৩ ওভার হাত ঘুরিয়ে ৩ মেডেনসহ ১৬ রানে ২ উইকেট প্রাপ্তি মোস্তাফিজের।

সাকিব ইনিংসের সেরা বোলার। ৯ ওভারে ২ মেডেনসহ ৩৪ রানে ৩ উইকেট তার। ২টি করে উইকেট গেছে মাশরাফী ও সানজামুলের ঝুলিতেও।-চ্যানেল আই

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ