ঢাকা, বুধবার 24 January 2018, ১১ মাঘ ১৪২৪, ৬ জমদিউল আউয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

মাধবদীতে ঘন কুয়াশায় বীজতলা বিবর্ণ : কৃষকরা দুশ্চিন্তায়

মোঃ আল আমিন, মাধবদী (নরসিংদী) সংবাদদাতা : মাধবদীতে ভোরের কুয়শায় খেটে খাওয়া মানুষ সকালে ঘর থেকে বের হতে পারছেনা। শেষ মুহুর্তে এসে শীতের কুয়াশায় নিম্নাঞ্চলে সবজির চারা ও বীজতলার জমিতে কুয়াশায় চারা গাছের ডগায় ডগায় জল জমে ক্রমেই ঢলে পড়ে গোড়া শক্তিহীন হয়ে বিবর্ণ হয়ে শুকিয়ে যাচ্ছে। এতে সাধারণ কৃষিজীবি মানুষ দারুন ভাবে হতাশা গ্রস্ত হয়ে পড়েছে। প্রচন্ড শীত আর ঘন কুয়াশার কারণে থমকে দাঁড়িয়েছে ইরি বোরো চাষ ও নস্ট হচ্ছে সবজি বাগানও। চলমান শৈত্যপ্রবাহ আর ঘন কুয়াশায় কোল্ড ইনজুরিতে আক্রান্ত হয়ে বোরো বীজতলা বিবর্ণ হয়ে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। বীজতলার চারা গাছগুলো লালচে আর হলুদ হয়ে শুকিয়ে মরে যাচ্ছে। বীজতলা নষ্ট হয়ে যাওয়ায় সময় মতো বোরো আবাদ করতে পারবে কি না তা নিয়ে শঙ্কা কাটছেনা স্থানীয় কৃষকদের। প্রতিবছর ঠিক এই সময়ে ইরি বোরো চাষে কৃষকরা বীজতলা থেকে বীজ উত্তোলন করে দিনরাত সেচ পাম্প চালু রেখে এবং চারা রোপনে ব্যস্ত সময় পার করতে দেখা গেলেও এবারের চিত্র একটু ভিন্ন প্রচন্ড শীত ও কুয়াশার কারণে কৃষকদের খুব একটা মাঠে দেখা যাচ্ছে না। মাধবদী থানার বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে দেখা গেছে শীত ও ঘন কুয়াশার কারণে প্রায় ৬০/৬৫ শতাংশ ইরি বোরো বীজতলা বেড়ে উঠতে পারেনি সেই সাথে নস্ট হয়ে যাচ্ছে সবজি বাগানও। কোল্ড ইনজুরি'তে আক্রান্ত হয়ে হলদে,লালচে বিবর্ণ আকার ধারণ করে শুকিয়ে যাচ্ছে বীজতলাগুলো। খুব কম সংখ্যক কৃষকদের মাঠে ইরি বোরো রোপণ করতে দেখা যাচ্ছে। এদের মধ্যে যারাই শীতকে উপেক্ষা করে মাঠে কাজ করতে যান প্রচণ্ড ঠা-ার কারণে কিছুক্ষণ রোপণ করার পর হাতে আর কাজ করার মতো অনুভূতি পায়না ফলে তারা মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন। অথচ এ মৌসুমে মাঠে মাঠে ইরি বোরো রোপণে কৃষকদের পুরোদমে ব্যস্ত থাকতে দেখা যেত। দিন রাত সেচ পাম্পগুলো চালু থাকত। আর এখন সেচ পাম্পগুলো চলছে অনেক হিসেব নিকেশ করে। জমি চাষের দৃশ্য ছিল অহরহ। সকালে বীজতলা থেকে চারা উঠাতে ব্যস্ত থাকত কৃষকরা।
সরেজমিনে মাধবদী বর্দ্ধের কান্দা গ্রামে গিয়ে কৃষক রফিক মিয়া, হাবিবুর রহমান, নবী হোসেন সহ আরো কয়েকজন কৃষকের সাথে কথা বললে তারা জানান, “তীব্র শীত আর ঘন কুয়াশার কারণে ইরি বোরোর চারা বড় হচ্ছে না। লালচে রং ধরে শুকিয়ে যাচ্ছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ