ঢাকা, বুধবার 24 January 2018, ১১ মাঘ ১৪২৪, ৬ জমদিউল আউয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

খুলনা হোমিওপ্যাথি মেডিকেল কলেজ ছাত্রসংসদ ১৭ বছর অকার্যকর

খুলনা অফিস: কার্যকর নেই দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সর্ববৃহৎ হোমিও কলেজ খুলনা হোমিওপ্যাথি মেডিকেল কলেজের ছাত্রসংসদ। এই কলেজে ছাত্রসংসদ নেই ১৭ বছর। ফলে কলেজে শিক্ষার্থীদের ন্যায্য অধিকার, বিনোদন, খেলাধুলা, ধর্মীয় ও রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানাদি উদযাপনসহ কলেজের সার্বিক উন্নয়নে তাদের ভূমিকাই থাকছে না। ছাত্রসংসদ না থাকায় মেধাভিত্তিক নেতৃত্ব সঙ্কট দেখা দিয়েছে বলে অভিমত সাবেক ছাত্রনেতাদের। এ ব্যাপারে কলেজ প্রশাসনের নীরব ভূমিকায় সহ¯্রাধিক অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী হতাশ হয়েছে।
জানা যায়, ২০০০ সালে নির্বাচনের মাধ্যমে ছাত্রসংসদ হয়। কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে বিভিন্ন আন্দোলনে জড়িয়ে পড়লে ছাত্রসংসদ থাকা অবস্থায় ছাত্র ঐক্য পরিষদ আত্মপ্রকাশ করে। এরপর কোন ছাত্রসংসদ নির্বাচন হয়নি। তবে ছাত্র ঐক্য পরিষদ সংগঠনের আধিপত্য ছিল।
ছাত্র সংসদের তৎকালীন ভিপি ডা. শাহীন আহসান বলেন, আমি ২০০১ সালে ছাত্র সংসদের ভিপি ছিলাম। এটাই সর্বশেষ ছাত্রসংসদ ছিল কলেজে। আমাদের সময়ে ছাত্রসংসদ ছাত্রদের নানা নায্য অধিকারের দাবিতে আন্দোলন করেছি। এরপর আমার শিক্ষাবর্ষ শেষ হয়ে গেলে আর কোন খোঁজ খবর নেওয়া হয়নি। তবে এরপর আর কোন ছাত্রসংসদ হয়নি।
ছাত্রসংসদের তৎকালীন জিএস এস এম ইকবাল হোসেন বিপ্লব বলেন, মেধাবী নেতৃত্ব বিকাশে ছাত্র সংসদের কোন বিকল্প নেই। আমি খুলনা হোমিওপ্যাথি মেডিকেল কলেজের সর্বশেষ ছাত্রসংসদের জিএস ছিলাম। আমার থাকাকালীন সময়ে ছাত্রদের দাবি নিয়ে আন্দোলন করতে গিয়ে ঝিমিয়ে পড়ে ছাত্রসংসদ। ঠিক তখনি অদৃশ্য ইশারায় গঠিত হয় আলাদা ছাত্র সংগঠন।
খুলনা হোমিওপ্যাথি মেডিকেল কলেজের প্রিন্সিপাল ডা. শামিমুল ইসলাম বলেন, তৎকালীন সার্বিক পরিস্থিতির কারণে গভর্নিং বডির সভায় কলেজ সংসদ নির্বাচন বাতিল করা হয়। এরপর আর কোন নির্বাচন হয়নি। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকেও কোন জোরালো দাবি আসেনি ছাত্রসংসদ নির্বাচনের। বর্তমানে আমরা ছাত্র সংগঠন ছাত্র ঐক্য পরিষদকে গুরুত্ব দিয়ে থাকি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ