ঢাকা, বৃহস্পতিবার 25 January 2018, ১২ মাঘ ১৪২৪, ৭ জমদিউল আউয়াল ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

খুলনা পাবলিক কলেজের মেধাবী ছাত্র রাজিন হত্যাকান্ড নিয়ে ধুম্রজাল !

খুলনা অফিস : খুলনা পাবলিক কলেজের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র ফাহমিদ তানভির রাজিন হত্যাকান্ড নিয়ে ধু¤্রজালের সৃষ্টি হয়েছে। এ হত্যাকান্ডের চার দিনেও মামলার এক নম্বর আসামী ফাহিম ইসলাম মনিকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। তবে এ মামলায় গ্রেফতারকৃত মঞ্জুরুল ইসলাম সাব্বির আদালতে দেয়া জবানবন্দীতে নিহত রাজিনের বুকে চাকু ঢুকিয়ে ছিল বলে স্বীকার করেছে দাবি পুলিশের। এ নিয়ে বাদী, বিবাদী ও খুলনাবাসীর মনের নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। অপরদিকে একের পর এক খুলনাঞ্চলের শিশু-কিশোররা অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। খুন-জখম থেকে শুরু করে নানা ধরনের গুরুতর অপরাধও করছে তারা। এতে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ছেন অভিভাবকসহ সচেতন মহল। বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশু-কিশোরদের চলাফেরা ও মেলামেশা করা সমবয়সীদের সম্পর্কে অভিভাবকরা সচেতন না। তারা বিষয়টি মনিটরিং না করায় এ অবস্থার সৃষ্টি হচ্ছে। সমবয়সীদের মধ্যে সহনশীলতার অভাবেই তৈরি হচ্ছে হত্যাকান্ডের মতো নৃশংস ঘটনা। যার সর্বশেষ প্রমাণ স্কুলছাত্র শেখ ফাহমিদ তানভীর রাজিন হত্যাকান্ড। এসব অপরাধমূলক কর্মকান্ডের পেছনে 'কিশোর গ্যাং' ভূমিকা রাখছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের অনুশাসন ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর ফলে বেপরোয়া হয়ে উঠছে বিভিন্ন স্কুলের ঝরে পড়া শিক্ষার্থীরা। আধিপত্য বিস্তার করতে তারা তৈরি করছে কিশোর গ্যাং। তারা নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের নিবিড় সম্পর্ক থাকছে না। ফলে স্কুলে প্রবেশের আগে, টিফিন ও ছুটির পর স্কুলের আশে-পাশেই আড্ডায় মজে থাকে শিক্ষার্থীরা। কিছু শিক্ষার্থীর ক্লাসে উপস্থিতির হার হতাশাজনক হলেও তা মনিটরিং করা হয় না। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরাও এ সব বিষয়ে নজরদারি করেন না। 

শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, স্কুলে রয়েছে বড় ভাইদের গ্রুপ। এসব গ্রুপের নিয়ন্ত্রণে চলতে থাকা জুনিয়র শিক্ষার্থীরা অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়াতে বাধ্য হয়।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান ডিসিপ্লিনের প্রধান প্রফেসর ড. মো. আব্দুল জববার বলেন, 'শিশু-কিশোরদের সঠিক পথে থাকা না থাকার প্রধান ক্ষেত্রই হচ্ছে তার সমবয়সী গ্রুপ বা কিশোর গ্যাং। সন্তানটি কার বা কাদের সঙ্গে চলাফেরা করছে-সে বিষয়টি মনিটরিং থাকা প্রয়োজন। পারিবারিক ও সামাজিক অবক্ষয়ের কারণে সহনশীলতা, সামাজিক মূল্যবোধ থাকছে না। আদর্শ বোধ তৈরি হচ্ছে না। নিয়ম প্রতিষ্ঠার বদলে অনৈতিকতা স্থান করে নিচ্ছে। মোবাইল ও ইন্টারনেটের সহজলভ্যতা শিশু কিশোরদের অসামাজিক কাজের দিকে দ্রুত ধাবিত হচ্ছে। আবেগ থেকে বের হয়ে যাচ্ছে। সংহতি বোধ থাকছে না। পরস্পরের প্রতি মমতা বোধও হ্রাস পাচ্ছে।' 

খুলনা মেট্রোপলিন পুলিশের (কেএমপি) অতিরিক্ত উপ কমিশনার  মনিরা খাতুন বলেন, ‘কিশোরদের অপরাধ প্রবণতা বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হচ্ছে সামাজিক অবক্ষয় ও অস্থিরতা। শিশুরা বেড়ে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে অপরাধ প্রবণতাগুলো প্রত্যক্ষ করছে আর এগুলোর সঙ্গে পরিচিত হচ্ছে। শিশুদের বিষয়টি ছড়িয়ে পড়ার গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হচ্ছে আকাশ সংস্কৃতি। পাশাপাশি আশপাশের ঘটনাগুলোর সঙ্গে প্রতিনিয়তই এরা পরিচিত হচ্ছে। এছাড়া অভিভাবকদের সঙ্গে এদের বন্ধনও হ্রাস পাচ্ছে। মাদকের প্রভাবও রয়েছে।’

খুলনা পাবলিক কলেজের অধ্যক্ষ লে. কর্নেল মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, 'নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করার পর স্কুলে অনুশাসনের ঘাটতি দৃষ্টিতে পড়ে। বিষয়টি কাটিয়ে উঠতে সচেষ্ট হই এবং অভিভাবকদেরও সচেতন হওয়াসহ সন্তানের প্রতি নজর বাড়ানোর আহ্বান জানাই।'

মডেল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. বদিউজ্জামান বলেন, ‘অপরাধমূলক কর্মকান্ডের সঙ্গে মডেল স্কুলের ছাত্ররা জড়িত বলে মনে হয় না। তারপরও বিষয়গুলো আমলে নিয়েই প্রশাসনিক কিছু নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।’

এদিকে খুলনা পাবলিক কলেজের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র ফাহমিদ তানভির রাজিন হত্যা মামলা ঘিরে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে বাদী, বিবাদী ও খুলনাবাসীর মনে। এ হত্যাকান্ডের চার দিনেও মামলার এক নম্বর আসামী ফাহিম ইসলাম মনিকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। তবে এ মামলায় গ্রেফতারকৃত বয়রা ইসলামিয়া কলেজ রোডের শ্মশানঘাট এলাকার জালাল হাওলাদারের ছেলে মঞ্জুরুল ইসলাম সাব্বির আদালতে দেয়া জবানবন্দীতে নিহত রাজিনের বুকে চাকু ঢুকিয়ে ছিল বলে স্বীকার করেছে দাবি পুলিশের। 

নিহত রাজিনের পিতা শেখ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য অনুযায়ী ফাহিমই চাকু ঢুকিয়ে দিয়েছিল রাজিনের বুকে। সে অনুযায়ী মামলায় ফাহিমকে এক নম্বর আসামী করেছি। এতো আধুনিক প্রযুক্তি হাতে থাকলেও কেন পুলিশ তাকে গ্রেফতার করতে পারছে না? চাকু সাব্বির  মেরেছে না ফাহিম মেরেছে, মামলার একনম্বর আসামীকে গ্রেফতার করলে তো সব প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যাবে। 

অপরদিকে, হত্যাকান্ডের পর থেকেই পলাতক রয়েছে এ মামলার এক নম্বর আসামী ফাহিম ইসলাম মনি। তার মা মঞ্জিলা আক্তার মঞ্জু বলেন, আমার ছেলে নিরাপরাধ। ও এতো ভীতু, কাউকে ছুরিকাঘাত করতে পারে না। আর যে ছুরিকাঘাত করেছিল সে তো গ্রেফতার হয়েছে। তার চাকুটাও জব্দ করেছে পুলিশ। তাহলে আবার আমার ফাহিমের নাম কেন আসছে?

স্বীকারোক্তি দেয়া মঞ্জুরুল ইসলাম সাব্বিরের মা মোছা. রাজিয়া সুলতানা বলেন, আমার ছেলে সোনাডাঙ্গা ইউসেফ স্কুলে ৭ম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ালেখা করেছিল। তারপর থেকে পড়ালেখা বাদ দিয়ে রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করতো। কিভাবে ওই স্কুল ছাত্রদের সাথে তার পরিচয়, এটা বুঝতে পারছি না। তবে আমার ছেলে মানুষ খুন করতে পারে, এটা বিশ্বাস করতে পারছি না।

প্রত্যক্ষদর্শী ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত কয়েকজন জানিয়েছেন, ঘটনার পর পুলিশ ও স্বেচ্ছাসেবকদের নিরাপত্তা মধ্য থেকে ফাহিম কিভাবে বেরিয়ে গেল? ফাহিমের মাকে পুলিশ আটক করেও তাকে গ্রেফতারের আগে কেন তাকে ছেড়ে দেয়া হলো? তাকে আটকে রাখলে ফাহিমকে আটক করা সহজ হতো বলে দাবি নিহত রাজিনের স্বজনদের।

মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, অনুষ্ঠান চলাকালীন গত ২০ জানুয়ারি রাত ৯টার দিকে পাবলিক কলেজের ২য় গেটের ১০/১৫ গজ ভিতরে বিবাদীদের সাথে রাজিনের দেখা হয়। পূর্ব থেকেই রাজিনের সহপাঠী মৌমিতাকে বিবাদী ফাহিম ইসলাম মনি বিভিন্ন সময় প্রেম নিবেদনসহ উত্ত্যক্ত করতো। এতে রাজিন প্রতিবাদ করায় বিবাদী ফাহিম ইসলাম মনির সাথে রাজিনের শত্রুতা চলছিল। এর জের ধরে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে আসামীরা ঘটনাস্থলে রাজিনকে আটক করে দুই নম্বর আসামী রয়েল ও তিননম্বর আসামী আসিফ রাজিনের দুই হাত ধরে রাখে এবং সাথে সাথে এক নম্বর আসামী ফাহিম ইসলাম মনি রাজিনের বুকের মাঝখানে, পেটে, বুকের ডান পাশে ধারালো ছুরি ঢুকিয়ে দেয়। এ আঘাতে আমার ছেলে গুরুতর রক্তাক্ত জখম অবস্থায় মাটিতে পড়ে গেলে বিবাদীরা রাজিনের মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

এদিকে ফাহমিদ তানভীর রাজিনকে হুমকির বিষয়টি তার মা সহকর্মী শিক্ষক এসএম ইকবাল হোসেনকে অবহিত করেন। ইকবাল হোসেন তার পার্শ্ববর্তী ছাত্রলীগ নেতা শেখ হাসিবুর রহমানকে বিষয়টি জানান। এ পর্যন্তই থেমে থাকে। কার্যকর কোন পদক্ষেপ নেয়ার মত গুরুত্বপূর্ণ মনে করেননি তারা। ফলে বখাটেরা আরও বেপরোয়া হয়ে হত্যাকান্ডের মত অপরাধ ঘটানোর সাহস পায়।

পারিবারিক সূত্র থেকে জানা গেছে, ফাহমিদ তানভীর রাজিনের মা রেহানা খাতুন ও মৌমিতা তাবাচ্ছুমের মা কারিমা বেগম এবং ইত্তেসাব শাবাবের বাবা এসএম ইকবাল হোসেন মেট্রো পুলিশ লাইন হাইস্কুলে শিক্ষকতা করেন। তারা পরস্পর সহকর্মী। এ তিন শিক্ষকের বাসাও কাছাকাছি। এছাড়া তাদের তিন সন্তানও একই শ্রেণিতে অর্থাৎ সপ্তম শ্রেণিতে অধ্যয়ন করে। তবে, মৌমিতা পুলিশ লাইন স্কুলে পড়লেও রাজিন ও শাবাব পাবলিক কলেজে পড়তো। সঙ্গত কারণেই সহকর্মীরা সন্তানদের এক সঙ্গে প্রাইভেট পড়ানোর জন্য একজন শিক্ষক ঠিক করেন। সে মোতাবেক পুলিশ লাইন স্কুল সংলগ্ন ১৩ নম্বর রোডে শিক্ষক এসএম ইকবাল হোসেনের বাসায় পড়ার স্থান নির্ধারণ করা হয়। চলতি মাস থেকেই শুরু হয় তাদের প্রাইভেট পড়া। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রাজিনের বাসা পেছনে হওয়ায় সে আগে বের হয়ে পার্শ্ববর্তী বাসা থেকে মৌমিতাকে সঙ্গে নিয়ে শাবাবদের বাসায় পড়তে যেত। পড়া শেষে আবার মৌমিতাকে তার বাসায় দিয়ে রাজিন নিজের বাসায় চলে যেত। আর মৌমিতাকে সঙ্গে করে যাওয়া-আসাকে ভালোভাবে মেনে নিতে পারেনি বখাটে আলিফ ও তার বন্ধুরা। যে কারণে মৌমিতার সঙ্গে আসা-যাওয়া না করতে একাধিকবার রাজিনকে থ্রেটও করে তারা। বিষয়টি রাজিন তার মা’কে জানায়।

রাজিনের মা রেহানা খাতুন আক্ষেপ করে বলেন, ‘রাজিন তাকে বলেছিল, আম্মু মৌমিতার সঙ্গে প্রাইভেট পড়তে যাওয়া-আসা করতে তাকে নিষেধ করেছে আলিফ’। তিনি বিষয়টি শোনার পরই সহকর্মী ম্যাথের শিক্ষক এসএম ইকবাল হোসেনকে জানান। তিনি ছাত্রলীগ নেতা হাসিবকে বলে ঠিক করে দেন এবং বলেন, তারা আর ডিস্টার্ব করবে না। কিন্তু সেই আলিফ-ফাহিমই তার ছেলেকে চাকু মেরে হত্যা করলো, তাকে বাঁচানো গেল না।

বিষয়টি স্বীকার করে মেট্রো পুলিশ লাইন হাইস্কুলের শিক্ষক এসএম ইকবাল হোসেন বলেন, কম দূরত্ব, নিরাপত্তা এবং ভালো টিচিং’র স্বার্থে তিন সহকর্মীর তিন সন্তানকে তার বাসায় প্রাইভেট পড়ার ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু আসা-যাওয়ার পথে রাজিনকে আলিফ নামে একটি ছেলে হুমকি দেয় বলে তার মা কয়েকদিন আগে তাকে জানান। বাচ্চাদের হওয়ায় তিনি বিষয়টি হাস্যকর হিসেবে দেখেন। তারপরও তিনি বিষয়টি খালিশপুর থানা ছাত্রলীগ নেতা এবং তার প্রাক্তণ ছাত্রী হাসিবকে জানান। বলেন, ‘বিষয়টি কি তোমরা দেখবা, না-কি আমরা দেখবো’, তখন হাসিব জানায়, ‘সে বিষয়টি দেখছে এনিয়ে চিন্তা করতে হবে না’। এরপর আর তিনি এ বিষয়ে খোঁজ খবর নেননি।

খালিশপুর থানা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ হাসিবুর রহমান বলেন, ‘ইকবাল স্যার বিষয়টি তাকে জানানোর পর তিনি ১৪ নম্বর রোডের মোয়াজ্জেম স্যারের ছেলে আলিফকে ডেকে জিজ্ঞাসা করেন, কিন্তু সে বিষয়টি অস্বীকার করে’। যে কারণে তিনি আর বিষয়টি নিয়ে এগোননি। কিন্তু ঘটনার পর দেখতে পান, ‘এ আলিফ, ওই আলিফ নয়, আর হুমকিদাতা আলিফকে ওই সময় তিনি চিহ্নিত করতে না পারায় বিষয়টি তাকে বলতেও পারেননি।

উল্লেখ্য, গত ২০ জানুয়ারি রাত সোয়া ৯টায় খুলনা পাবলিক কলেজ ক্যাম্পাসে কনসার্ট চলাকালে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয় ফাহমিদ তানভীর রাজিনকে। খুলনা পাবলিক কলেজের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র। এ ঘটনায় রাজিনের পিতা শেখ জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে রোববার খালিশপুর থানায় ৬ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৮-১০ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় পুলিশ নগরীর মুজগুন্নি আবাসিক এলাকার বাসিন্দা ও সেনা সদস্য আলমগীর হোসেনের ছেলে আসিফ প্রান্ত আলিফ (১৬), নগরীর বড় বয়রা আফজালের মোড় এলাকার জাকির হোসেন খানের ছেলে মো. জিসান খান ওরফে জিসান পারভেজ (১৬), বড় বয়রা এলাকার মো. আহাদ হোসেনের ছেলে তারিন হাসান ওরফে রিজভী (১৩), রায়েরমহল মুন্সিবাড়ির চিনির ভাড়াটিয়া সাইদ ইসলামের ছেলে মো. সানি ইসলাম ওরফে আপন (১৩), বড় বয়রা সবুরের মোড় এলাকার বিএম লিয়াকত হোসেনের ছেলে বিএম মাজিব হাসান রয়েল (১৪), নগরীর ছোট বয়রা শ্মশানঘাট এলাকার জাকির হাওলাদারের ছেলে মঞ্জুরুল ইসলাম সাব্বির হাওলাদার (১৭) এবং ছোট বয়রা ইসলামিয়া কলেজ রোড এলাকার ৭ নম্বর আনিস নগরের এসএম আব্দুল মজিদের ছেলে সাক্রান সালেহ মিতুলকে (১৪) গ্রেফতার করে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ